স্নেহের টান

আজ আরম্ভ করলাম তোমার প্রসঙ্গ দিয়ে
কতো কি যে লিখতে পারি তোমাকে নিয়ে।

অসংখ্য যত থাকবে খোদা তাওফিক দিলে
আল্লাহর নামের সকল কিছুতে শান্তি মিলে।

লিখনিতে পর্যায়ক্রমে কত শতো সহস্র চলে
অবিরত লিখতেও পারবো মেহেরবানী হলে।

যতো ধন্য তোমার জন্যে সর্ব মহলেই জানে
কত কিছু ত্যাগ হলো তোমার স্নেহের টানে।

ছোট কালের সাথী তুমি জীবনে ছিল বাঁধা
তখন চাল চলন ছিলো কতোই সাদাসিধা।

আল্লাহর অসীম কুদরতে সবাই মিলেমিশে
হানাহানি কম ছিল পায়নি কাউকে দোষে!

পরম করুনাময় আল্লাহ অসীম মেহেরবান
দিন রজনী সবে মিলে করব তাঁর গুনগান!

Similar Posts

  • পরিত্রাণ

    অবিরাম বৃষ্টির জল,মাট ঘাট হয়েছে তল।গাছ পালা তরুলতা ,ভেসে গেছে যথাতথা।পশু-পাখির ভেঙ্গে আবাসন,হলো তারা সহ নির্বাসন।অথই পানির স্রোতের জুর,চুরমার হলো নদীর কূল।হিংস্র পশু বনের বীর ,তাদের গতি হয়েছে ধীর।সর্বত্রই জীবন মরণ খেলা,কাহারো নেই, কোন অবহেলা।বিপদ সংকুল পরিবেশ,অসংখ্য প্রাণীর নিঃশেষ।শ্রষ্টার কাছে জিবীত প্রাণ,কায়মনে প্রার্থনায় হবে ত্রাণ।

  • প্রাণ রক্ষা পায় !

    ঘুম থেকে উঠে শুনি গন্ডগোলচতুর্দিকের মানুষ দৌড়া দৌড়িকরে এসে উপস্থিত হতে থাকেশুরু হয়ে যায় অনেক হুলস্থুল। যত সময় যায় লোকজন বাড়েখুব প্রভাতে এক বাস দুর্ঘটনায়কবলিত হয় তুলনামূলক ভাবেঅধিক আঘাত পায় তার ঘাড়ে। ঐ লোক বহু দূরের যাত্রী ছিলোরাতের আঁধারে কুয়াশাতে ঘেরাদেখা যায় নি একান্ত খুব সামনেছাড়া ফলে তারা কবলিত হলো। আল্লাহ তায়ালা কত মেহেরবানদুর্ঘটনাতে পতিত…

  • জগৎ স্বামী !

    দয়াল বন্ধু আমার মনে রাখিওবেড়ানো কালে তুমি সাথে নিওআঘাত ব্যথা পেলে শান্তি দিও। স্নেহের বন্ধু কখনোই ভুলো যদিবুঝতে পারব আমার বিধি বাদিনিরবে আসবেই তখন গুণনিধি। আখি মুদলে যে রূপ দেখা যায়আঁধারে আলো তাকে মনে চায়ধৈর্য ও প্রতীক্ষাতে বন্ধুকে পায়। তাই বারংবার আর বলব কতোআসবে সামনে আরো সুখবসন্তজন্মের মতো দেখে করিও শান্ত। এখন তোমাকেই কী বলব…

  • অহংকারী যত

    পরিচালিত অহংকার ডেকে আনে বিপর্যয়ফলস্রুতিতে সর্বক্ষেত্রে অর্জন হয় পরাজয়। অহংকার সৃষ্টি করে সকল ধরনের অজ্ঞতাতাদের উত্তরসুরীদের যা আরো অনভিজ্ঞতা। বুদ্ধিকে অহংকার ভেবে কখনও কর না ভুলঅহংকারীরা যথায় তথায় লাগায় গন্ডগোল। অহংকারী অন্যকেও বোঝানোর চেষ্টা করেসে সবার চেয়েও অনেক বেশি জানে পরে। যে ব্যক্তিও তার নিজে নিজে অহংকারী হয়অন্যের অহংকারকে কতই ঘৃণায় দেখে রয়।  মানুষ ছোট হলে যেন…

  • পরমানন্দ

    সবার মনে কতো আনন্দছোটো বড়ো তথা আবালবৃদ্ধ বনিতা শ্রমিক – মজুরধনী গরীব সকলেরি ফুর্তিউল্লাসের থাকে পরমানন্দ। কোন উৎসব অনুষ্ঠান হয়তা বেশ সুন্দর ও সুষ্ঠভাবেপালনের লক্ষ্যে পূর্ব থেকেনিষ্ঠার সহিত গুরুত্ব দিয়েকাজ কর্মে শত সচেষ্ট রয়। আরো কতো লোক আছেদায়িত্ব এড়িয়ে চলে যেতেথাকে আবার কখনো যদিভালো সুযোগ হাতে আসেফায়দা লোফে নেয় পাছে।

  • ডিগবাজী খায়

    উড়ন্ত পাখিরা ডানা মেলে উড়েএদিক সেদিক ডিগবাজী খেয়েমনের খেয়াল খুশিতে কত ঘুরে। ওদের স্বাধীনতার নেই তো শেষযখন তখন যথায় তথায় ফুর্তিরগানে অন্তরে থাকে আনন্দ বেশ। আল্লার মহিমার ফলে যায় চলেদূর হতে দুরত্বে অজানা অচেনারাস্তায় তাদের দলে গিয়ে মিলে। ওদের বাধা ধরা নীতি নেই কোনউড়ন্ত অবস্থায় গাছের শাখায় বামাঠে ময়দানে যেথা সেথায় যেন। ঐ সব স্থানে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *