পরমানন্দ

সবার মনে কতো আনন্দ
ছোটো বড়ো তথা আবাল
বৃদ্ধ বনিতা শ্রমিক – মজুর
ধনী গরীব সকলেরি ফুর্তি
উল্লাসের থাকে পরমানন্দ।

কোন উৎসব অনুষ্ঠান হয়
তা বেশ সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে
পালনের লক্ষ্যে পূর্ব থেকে
নিষ্ঠার সহিত গুরুত্ব দিয়ে
কাজ কর্মে শত সচেষ্ট রয়।

আরো কতো লোক আছে
দায়িত্ব এড়িয়ে চলে যেতে
থাকে আবার কখনো যদি
ভালো সুযোগ হাতে আসে
ফায়দা লোফে নেয় পাছে।

Similar Posts

  • অনুশিলন

    লোহায় ধরে ঝংঅযত্নে পড়ে থাকলেউঠে যায় রঙ। লেখা পড়া শিক্ষার আলোচর্চা না করলেহয়ে যায় কালো। পঠন লিখন জ্ঞানঅনুশিলন না করলেচলে যায় ধ্যান। মেহমান আত্নীয় স্বজনযোগাযোগ না রাখলেথাকেনা আপন জন। নামায হজ্জ যাকাত রোজাযথাযথ আদায় না করলেবেহেশতে যাওয়া নয় সুজা। কাজ কর্ম চেষ্টা উন্নতিমনে প্রাণে না করলেজীবনে হবে অবনতি।

  • দিসনারে জ্বালা !

    আকাশে তাকালে দেখি লক্ষ তারার মেলারাতে চাঁদকে ঘিরে যেন তাদের যত খেলা। পৃথিবীতে কতো বন্ধু মিলে বাড়ালেও হাততুই যে বন্ধু মোর কাছে ঐ আকাশের চাঁদ। মন মন্দিরে বন্ধুর মায়া সুপ্ত আছেই কতোতোর জন্যে অশান্তি আর হৃদয় টান যতো। কেমন আছ বন্ধুরা সব প্রশ্ন মনের কোণেমোর আশা ভালো আছ নিয়ে শান্তি মনে। আন্তরিক বন্ধু আমার দিসনা…

  • অলি-আউলিয়ার বাংলাদেশ

     হযরত শাহজালাল ইয়েমানী (রা:) ৩৬০ জন আউলিয়া নিয়ে সিলেটে  এসেছিলেন ওলিকুল শিরোমণি। সুলতানুল বাঙ্গাল ও ছিলেন তিনি হযরত শাহজালাল মুজাররাদ  ইয়েমানী (রা:) বিখ্যাত পীরই যিনি। তাঁর মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে বোরহান উদ্দিন (রাঃ) এর ওপর গৌড় গোবিন্দের কত অত্যাচার ছিল বটে।  সিলেট ৩৬০ আউলিয়ার সুন্দর দেশ  পুণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করে  যার প্রমাণ রয়েছে কতই যেন…

  • রইল না কেউ !

    অনেকে বলে দুনিয়া দোজখকেহো তো কয় রঙের বাজারআর কোন কিছু বলতে বেশীচায় না যে বুঝেছে সারাসার। ভবো সংসারের ভোজ বাজিপ্রাণে বোঝে না কতো পাজিমূল কাজে নাহি থাকে রাজিবেশ ভূষায় রয় যতো সাজি। ধরণীতে মানুষ আসিল যতোযারা ছিল কেউ রইল না তোযেথায় আসা যাওয়া অবিরতসময়ে চলে যায় কতো শতো। কতো মহামানব ছিলেন যারাঅগনিত তাঁদের কত সর্বহারাকখন…

  • এবারের ঈদ

    এবারের ঈদ উল আযহা ভিন্ন ছিলসমস্ত রাত অবধি বিরতিহীন অঝরধারায় ঝরো ঝরো একটানা বৃষ্টিতেগ্রামে গঞ্জে শহরে পানি লোকালয়েঢুকে অসংখ্য সুখ শান্তি কেড়ে নিল। ঈদের সকালের পানি চলাচল দৃশ্যপুকুর ডুবাঝিল খালবিল নদীনালাচতুর্দিকে থৈথৈ ছিলো কেবল পানিআরো পানি এরি মধ্যে পোষা প্রাণীশ্রোতের জন্য মূহুর্তে হয় যা অদৃশ্য। বাসা হতে বের হয়ে মসজিদে যেতেপাড়ার রাস্তার যতো বৃষ্টির পানি…

  • দুঃখ দিও না !

    সাথী তুমি কার মন্ত্রণা পেলেআবারো এখানে কেন এলে। প্রথম ফাগুনে যা নবীন বেশেধনীরে তো ভালোবেসে হেসে। যাদের আছে বেশ টাকাকড়িমেলায় যায় তারা তাড়াতাড়ি। গরিব দু:খীদের মাথায় বাড়িবাড়িতে বসেনা পাকের হাড়ি। ঘর বাড়িতেই যার খাবার নাইমেহমান আসে মেয়ের জামাই। যতো মেলা আছে করি মানাএভাবে তুই আর আসিছ না। গরিবদের আর দুঃখ দিছ নাজ্বালা যন্ত্রণা আর বাড়াছ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *