জঙ্গীর অপবাদ

সমাজের সান্নিধ্যে আজ
কতো কিছু জানার ইচ্ছে ,
রোহিঙ্গা কেন দেশ ছেড়ে
পরের দেশে পাড়ি দিচ্ছে?

ঘাতের জন্ম আঘাত হতে
রয়েছে যে ইতিহাস সাক্ষী ,
উগ্রবাদী জঙ্গীর অপবাদ
আরো সন্ত্রাসীটা বাদ কী?

মানবতাবাদীর কাছে খুব
বেশী জানতে ইচ্ছে করে ,
কেন ভারতের ঐ আসামে
প্রচুর মুসলিম জাতি মরে?

এ পারে যদি সামান্য ঢিল
কোননা হিন্দুর গায়ে পড়ে ,
কতো হৈ চৈ ও পারে করে
সমস্ত পৃথিবীটা যেন নড়ে।

বাম মিডিয়া আগ বাড়িয়ে
শতো প্রচার করছে বিশ্বে ,
স্তব্ধ মিডিয়া আরো সুশীল
সমাজ এমন করুন দৃশ্যে।

নেইযে উত্তর জানি আজ
সব এড়িয়ে যাওয়া ছাড়া ,
এসব চিন্তার সময় নেইরে
শত ব্যস্ততার কিন্তু তাড়া।

ঘুমন্তরা একদিন হয়তো
উঁকি দিয়ে তারাই উঠবে ,
সহোদরদের মান রক্ষায়
রণাঙ্গনে সব ভাই ছুটবে।

নষ্টামি যতো যা করেছিস
সব আছে ইতিহাসে জমা ,
সুযোগে যে কোনো কালে
কখনো হবে না তো ক্ষমা।

Similar Posts

  • প্রাক্তন ঈদ

    প্রতি বছর ঘুরে ঈদ আসেদল মত নির্বিশেষে সবারইঅন্তরেতে ঈদের অনাবিলআমোদে পরষ্পরে সকলেকোলাকুলির শেষে মিশে। প্রাক্তন রীতি রেওয়াজ মতঈদের আগমনী বার্তা যখনশুরু হত গ্রাম্য শিশুরা জমিথেকেও নাড়া কুড়িয়ে নিয়েগোসল করে অগ্নি পোহাত। একত্রে গোসল করার জন্যছোটো ছোট ছেলে মেয়েরাভোর থেকে প্রাণের খুশিতেআনন্দ উল্লাসে সবাই মিলেঝুলে নিজেদের ভাবত ধন্য। পুকুরে নেমে ডুব ঝাপ দেয়পৌষ কিংবা মাঘের প্রচণ্ডোঠান্ডায়…

  • ফেসবুক

    সঠিক ব্যবহারে উপকারে আসে ফেসবুকএকই প্লাটফর্ম ব্যবহার করেই বন্ধু-বান্ধবপরিচিতদের সঙ্গে সংযুক্ত এবং সুসম্পর্করক্ষা আর আদান প্রদান হয় যত সুখ দুঃখ। সমসাময়িক শত সংবাদ সম্পর্কে জানা যায়কনটেন্ট বিনোদনের যত আরো পাওয়া যায়ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্রেতাএবং দর্শক খুঁজে তারা অনেক সহজে পায়। গবেষকরা কত সোস্যাল মিডিয়ায় অধিকফেসবুক ব্যবহার নিয়ে নেতিবাচক প্রভাবসমাজ স্বাস্থ্য ও সুস্থ্য থাকার ক্ষেত্রে…

  • স্রষ্টাকে স্মরি!

    অনেক স্নেহের বন্ধু তুমিমায়া মহব্বত করি আমি। শুনো আমার মনের কথাবুক ভরা আছে যত ব্যথা। তোমার ব্যথায় কষ্ট পাইঅশান্তির দায় মুক্তি চাই। মোরা স্রষ্টার ভরসা করিদিন রজনী তাঁকে স্মরি! আল্লাহ ছাড়া উপায় নাইতাঁর অনুগ্রহে শান্তি পাই! দুর্ভোগ দুর্গতি দূরে নেনকষ্ট সহিবার শক্তি দেন! সৃষ্টি কর্তা কত দয়াবানদান করেন যত কল্যাণ! উপাসনাতে শক্তি দিলেঅন্তরে বেশ শান্তি…

  • সৌন্দর্য্য সঞ্চারি

    কতো শতো পাহাড় ছুঁয়ে যায় প্রেমিকসাগর ও মহাসাগর ছুঁয়ে চলে নাবিক। পাহাড়ের স্নিগ্ধতা সাগরের বিশালতাআরোও কতো যেনো বনের গহীনতা। বসুন্ধরার অবারিত যতো সৌন্দর্যতাশতো সৌন্দর্যই অম্লান মনের তৃপ্ততা। শুধু বিধাতার যে সৃষ্টি নহে তুমি নারীপুরুষ গড়েছে তরে সৌন্দর্য্য সঞ্চারি। নিজ নিজ অন্তর হতে বসি কবিগণসোনার উপমা সূত্রেও বুনিছে বসন। সঁপে যতো তোমার পরে নূতন মহিমাঅমর করিছে…

  • প্রায়শ্চিত্ত !

    হে নর পশুদের দলতোমাদের কর্মকাণ্ডদেখে কার চোখেতেআসবে না রে জল! সে তো মানুষ ছিলোএকটি পেষাতে লিপ্তথেকে সে পরিবার সহজীবন চালিয়ে নিলো! সামান্য সুখের তরেপ্রতিদিন অলিগলিকতো বাসা বাড়িতেছুট তো ঘুরে ফিরে ! প্রখর রোদের জ্বালাশ্রমিক মজুরের ন্যায়কষ্টের কাজে করেনিকখনো সে অবহেলা! তোমরা ক’জন মিলেপরস্পর পর্যায়ক্রমেপাথর দিয়ে আঘাতেজীবনটি কেড়ে নিলে! তার জীবন শেষ হলোঐ পাপের প্রায়শ্চিত্তেআল্লাহর নিকট…

  • তোমার হতাশায় !

    একটি গাছে দু’টি পাখি রঙ তাদের সাদাআমি আর তুমি এক অদৃশ্য মায়ায় বাধা। আকাশে দেখা যায় হাজার তারার মেলাঅপলক দৃষ্টিতে দেখো তারাদেরই খেলা। নৌকায় পাল টি তুলে চলো ভেসেই যাইবাসা বাঁধব যে দেশেতে আর কেহো নাই। ক্লান্ত মনের বেহাতে যতো হয়েছে রাগিনীতুমি তো মরীচিকা শোন মোর যা কাহিনী। জানি না তো কেনো মন কাছে ছুটে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *