তোমার হতাশায় !

একটি গাছে দু’টি পাখি রঙ তাদের সাদা
আমি আর তুমি এক অদৃশ্য মায়ায় বাধা।

আকাশে দেখা যায় হাজার তারার মেলা
অপলক দৃষ্টিতে দেখো তারাদেরই খেলা।

নৌকায় পাল টি তুলে চলো ভেসেই যাই
বাসা বাঁধব যে দেশেতে আর কেহো নাই।

ক্লান্ত মনের বেহাতে যতো হয়েছে রাগিনী
তুমি তো মরীচিকা শোন মোর যা কাহিনী।

জানি না তো কেনো মন কাছে ছুটে যায়
কত মধু রাত বৃথা যায় তোমার হতাশায়!

সাথেই থেকো যেওনা কখনো আর ছেড়ে
ছেড়ে গেলে দুর্ভোগও অনেক যাবে বেড়ে!

স্বপ্নের খেয়া বেয়ে কাছে এসেছিলে রাতে
সকালে চোখ মেলে দেখি তুমি নাই সাথে!

সাথে থাকতে বন্ধু কতো করে গেছো ভুল
তোমার আর আমার মধ্যে নেই গন্ডগোল!

আল্লাহর অসীম করুণায় সব বেঁচে আছি
অসংখ্য নিয়ামত যা আমরা ভোগ করছি!

Similar Posts

  • আত্মীয়-স্বজন

    আদর ও আহ্লাদের মেহমান,অধীর আগ্রহে সব মেজবান। রং বেরংগের করে যে সাজ,পোশাকেও নেই কোন ভাজ। আছে সাথে কত উন্নত গাড়ি, আনন্দে যাবে অতিথির বাড়ি। প্রসাধনীর কত বাহারি সুগন্ধ,সকলের অন্তরে বেশ আনন্দ।আগতদের অভ্যর্থনার পালা,দাঁড়িয়ে রয়েছেন নিয়ে মালা।টেবিলে হরেক রকম খাবার, পানীয় দ্রব্য ফল মূল আবার।  খুশিতে যে শেরে ভূরিভোজনএকে অপরের আত্মীয়-স্বজন।

  • দোয়া চাই !

    মা যতনে করলেন মানুষতিনি কণ্ঠে দিলেন ভাষাদু’ চোখেতেও স্বপ্ন রেখেপ্রথম দিনে আলো আসা! মায়ের কাছে কাঁদতে শিখিউল্লাস আর আনন্দে হাসাতোমার আঁচলে অনন্তকালঅসীম অপার স্নেহের ঠাসা! সবার কাছে রঙের ফানুসপিতল-তামা আরো কাঁসাআমার মা তুমি অমূল্য ধনমুক্তা ও সোনার খনি খাসা! এক দিন নয় জনম জনমমাগো দিবেন বাঁচার আশাএই প্রতীক্ষার দিনেতে তাইআম্মুকে জানাই ভালবাসা! আমাকে দশ মাস…

  • হেলা ফেলা !

    ল্যাংড়া লোলা বিকলাঙ্গযুবক-যুবতী বৃদ্ধ-বৃদ্ধারকারো বেশী কোন অঙ্গএগুলোও হেলা ফেলারনয় কারণ খোদার ইচ্ছেদিয়েছেন অঙ্গ – প্রত্যঙ্গ! তাঁর দয়াতে সৃষ্টির সেরাতিনি অনুগ্রহ করে উন্নতকরায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশকরে সবাই খুশী ও সন্তুষ্টথেকে ইবাদত বন্দেগীতেপরিবর্তন করো বসুন্ধরা! প্রভু করেছেন অজস্র দানধন সম্পদ ইজ্জত সম্মানদৈহিক – মানসিক প্রশান্তিএসব পুনরায় কেড়ে নিলেরোধকারী নেই তিনি সবারজন্য কতো যে মেহেরবান!

  • আমাবস্যা

    আমাবস্যারা ঘনো কালো রাতেতাদেরও মনের দরোজা খোলেতখনো যতো ব্যাথারো পেয়ালাদুঃখ ও অশ্রুজলে লেগে থাকে। চিলে কোঠায় আমি একা থাকিসর্বস্থান হয়ে যায় একদম ফাঁকামধ্যরাতে ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দেওসময় চলে কত কি থাকে বাকী। টিক টিক করে যখন ঘড়ি চলেতখনতো আমি একা জেগে রইহারানো যতো স্মৃতিগুলি খোঁজেব্যর্থ হয়ে হিসাবেরই খাতা মেলে। শূন্যতা আমায় কুড়ে কুড়ে খায়অন্তরংগ একটা বন্ধু…

  • ফাঁকি দিয়ে !

    এখন কোথায় আছো ভাইঅনেক দিন পেরিয়ে গেলতোমার দেখা সাক্ষাৎ নাই! স্নেহের কারণে খবর রাখিকোন স্থান নেই আর বাকিকেনো মোরে দিলে ফাঁকি! মনের আরো জ্বালা বাড়েএখন থেকে অনেক পুর্বেসাক্ষাৎ হয় রাস্তার মোড়ে! এর পর থেকে খোঁজ নাইপেরেশানীর সময় কাটাইকোনো সন্ধান যে না পাই! প্রার্থনা করি ভালো থাকোআল্লার প্রতি বিশ্বাস রাখোমনে প্রাণে স্রষ্টাকে ডাকো!

  • যুগান্তর

    মনীষীরা শোনাতে চেয়েছেন বাণীযুগ যুগ ধরে মানুষকে অভিজ্ঞতাপ্রকাশ করেছেন তাঁরা যে ছিলেনপৃথিবীর সর্বোচ্চ জ্ঞানী এবং গুনি। তাই নানাভাবে উদ্দীপ্ত হয়ে মানুষনিজের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতেসকলকে সময়ের যথাযথ মূল্যায়নশেষে চলতেই হবে করে যতো হুঁশ। সাফলতা অর্জন করা নয় অসম্ভবপৃথিবীতে বেশিরভাগ লোক নিজেজানেনা অন্তরে কি আছে লুকানোতার দ্বারা কত কি যে অর্জন সম্ভব। আরো যেথায় কতো কিছুর অভাবচেষ্টা…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *