শীতার্ত রাজপথ

রাস্তার আনাচে কানাচে কত পড়ে থাকে
খিদে নামক কোন এক দানবের কারণে
ঘুম নেই আর না খেয়ে সময় যায় ফাঁকে।

কেউ বাস্তবে দেখেনি কখনোও সে দানব
চলনা আজ দেখে আসি অন্য কিছু করে
কেমন চলে ক্ষুধার জ্বালায় ওইসব মানব।

আমরা একই সাথে আজ বের হয়ে আসি
একই রুটিন করা প্রতিটি দিনের কম্বলের
ভিতর থেকে বেরিয়ে অবস্থা দেখতে মিশি।

একদা শীতার্ত রাজ পথে হেঁটে যাই পায়ে
একটি রেললাইনের বস্তির পাশেতে দেখি
অনেকের শীতের কোন জামা নেই গায়ে !

অতি দরিদ্র কতো লোক অন্নহীন বস্ত্রহীন
আর বস্তির জীর্ণ শীর্ণ কুটিরে কোনো মতে
শতো দু:খ ও কষ্টে কাটে তাদের রাত দিন!

Similar Posts

  • মুক্তি পেয়েছি !

    কে কি মনে করে ভাবিনি তো আরলেখনীতে যা আসে প্রতিনিয়ত সবএকাধারেই আমি লিখে যাচ্ছি তার। কখনো যদি কেউ গুরুত্ব নাহি দেয়তাতে সামান্য কিছু ই যায় আসেনিযদিচ মোর কবিতাও পড়ে না নেয়। প্রয়োজন মনে করি তো লিখতে যাইএর মধ্যে আমি ফুটিয়ে তুলার শতোচেষ্টা চালিয়ে থাকি বিধায় শান্তি পাই। আমার কবিতা তো ব্যক্তি লক্ষ্য নয়তথাপি কেউ যদি…

  • নিশি কালে

    কেউ চলছে নিশি বেলাবাসা বাড়ি আরো যতোপ্রতিবেশী সবাই ঘুমিয়েরয় তার যে কত জ্বালা! তাকে ডাক দিলেই পরেগতিবেগ থামিয়ে দাঁড়ায়তার যাত্রার কথাটি বলেচোখে কতো পানি জ্বরে! একমাত্র ছেলে তার মা’রশতো দুর্ভোগের সংসারেসে হাল ধরে পরের বাড়িশ্রমিক মজুরের কর্ম যার। রাতে বস্তিতে আগুন লাগেছেলেটি খবর পেয়ে গিয়েদেখে ওদের বসত ভিটাওপুড়ে যায় সব আগে বাগে। তার মায়ের দায়…

  • সবার উপরে আল্লাহ

    মদীনা শরীফ ইসলামী সাম্রাজ্যের রাজধানীখলীফা উমার (রা) লোকদের মধ্যে বায়তুলমালের অর্থ বন্টন করার হলো ঘোষণা বাণী। স্বাভাবিক ভাবেই বিরাট ভীড়ও জমে গেছেদূরে ও কাছে নগরে আর বন্দরে সর্বস্থানেইব্যাপকভাবে অর্থ বন্টনের খবরও জেনেছে। সা’দ ইবনে আবী ওয়াক্কাস সেখানে এলেনতিনি ভীড় ঠেলে দু’হাত দিয়ে লোকদেরকেসরিয়ে উমার (রা)এর কাছে হাজির হলেন ! প্রভাবশালী ও অভিজাত এক মায়ের সন্তানসা’দ…

  • যাহা লাউ তাহাই কদু

    ওই ছেলেটির নাম যে হয় সাধু,তার ক্ষেতে আছে অনেক কদু।একটি কদু কিনে আনল যদু,সে বলল ইহা কদু নয় যেন মধু !তখন একটু খেয়ে নিলেন দাদু,আনন্দে ডাকলেন নাতনি নাদু।কদুর রঙ ছিল খুবই যেন সাদা,স্বাধে কত যেন লেগেছিল ধাঁধা।ছেলেটির পিতার নাম কলিম,তিনি ডাকলেন এসো ডালিম।কহিলেন তুমি বাজারে যাবে,সেখানে কচি সাদা কদু পাবে।সুন্দর দেখে একটি তুমি নিবে,সকলে মজা…

  • বসন্তের হৃদস্পন্দন

    প্রাণের দুরন্ত আবেগই শুধু নয়প্রেমে ও দ্রোহে-প্রতিবাদে আরউত্তাল বসন্তের হৃদস্পন্দন হয়। সৌন্দর্যময় প্রকৃতির রূপতরঙ্গমোহনীয় কত মায়াবীরুপ যারছড়িয়ে ছিটিয়ে রয় পুরো বঙ্গ। কুঞ্জবন অরণ্যে যৌবনের বানগাছে গাছে ডাল থেকে ডালেউড়ে পাখি গায় সুরেলা গান। পতংগের আনাগোনা সব স্থানেসুর লহরি কল কাকলি মৃদুমন্দবাতাস আরো বয়ে কতই আনে। চতুর্দিকে কোকিলের কলতানেকুহু কুহু রবে মুখরিত সর্বস্থানেভোগ করা যায় বসে…

  • অভাব অনটন

    দুঃখে ভরা জীবন যার কত অশান্তিঅন্তর মন জর্জরিত থাকে না শান্তি।দিন রজনী পার করে কাজের তরেঅভাব অনটনে তাদের জীবন ভরে।অনাহারে অর্ধাহারেও কত দিন যায়সামান্যও খানা খাদ্য কখনও না পায়।টাকা কড়ি দিলে তো হাত পেতে নেয়হৃদয়বান ব্যক্তি সবে যা সাহায্য দেয়।ঘুম থেকে উঠে সবে খুঁজে তারা রুজিপ্রতিক্ষায় রয় কাজ পায়নি তো খুঁজি।খারাপ হলেও শরীর যারা দিন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *