মাফ চেয়ে নাও

কাউকে কষ্ট দেওয়া উচিৎ নয়
কখনো যদি কেউ অন্যকে যে
কোন ভাবে মনে আঘাত দিয়ে
থাকে তবে দেরী না করে যথা
শীঘ্র সে যেন মাফ করতে কয়।

মজলুমদের প্রার্থনা কবুল হয়
কোনো ব্যক্তি দু:খ কষ্টের জন্য
আহাজারি ও কায়মনে আল্লাহ
পাকের কাছে ফরিয়াদ করলে
তার সব দোয়া কবুল হতে রয়।

অত্যাচারীত ব্যক্তির যতোই কষ্ট
সহানুভূতি সহমর্মিতা সহায়তায়
বেদনা ও যাতনা লাঘবের জন্য
যদি কেউ এগিয়ে এসে নিবারণ
করে খোদা হবেন তার প্রতি তুষ্ট।

আমরা সৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ জীব যত
ইবাদত উপাসনা করে আল্লাহর
সন্তোষ্টি অর্জনের ফলে অসংখ্য
অগনিত মেহেরবানী লাভের পর
সকলে মুক্তি পাবো শতো শতো!

Similar Posts

  • জগৎ স্বামী !

    দয়াল বন্ধু আমার মনে রাখিওবেড়ানো কালে তুমি সাথে নিওআঘাত ব্যথা পেলে শান্তি দিও। স্নেহের বন্ধু কখনোই ভুলো যদিবুঝতে পারব আমার বিধি বাদিনিরবে আসবেই তখন গুণনিধি। আখি মুদলে যে রূপ দেখা যায়আঁধারে আলো তাকে মনে চায়ধৈর্য ও প্রতীক্ষাতে বন্ধুকে পায়। তাই বারংবার আর বলব কতোআসবে সামনে আরো সুখবসন্তজন্মের মতো দেখে করিও শান্ত। এখন তোমাকেই কী বলব…

  • মোদের রত্ন

    মোদের স্নেহের ছোট মনিতার প্রতি আদর সোহাগেসবার যেন মহব্বতের খনি! সকল সময় বোনের সাথেহাসি খুশিতে খেলা ধূলায়চলে ফিরে ধরে তার হাতে। মিল মহব্বত ও আদর যত্নএকত্রে হাসি খুশিতে থাকেওরা মোদের যেন শত রত্ন! দু’জনই সবার কত আদরেরবাসায় কখনো আড়াল হলেডাক পড়ে যায় আহলাদের! কদাচিৎ ওদের ও লাগে দন্দসামান্য নিয়ে রেষারেষি হয়পরে আবার করে আনন্দ !…

  • অফুরন্ত দয়া !

    পৃথিবীর মানুষ কতো ব্যস্তভোর হলে সবাই যার তারকাজে ছুটে যায় জীবনটাযত পারে করতে সুবিন্যস্ত। অতি দ্রুত বেগে চলতে রয়যেনো তার অধিক মূল্যবানকোন কিছু হেরে গেছে যারখোজাখুজি করেই কষ্ট সয়! তাড়াহুড়ো করে সুখের দায়সকাল থেকে বিকেল পর্যন্তসবাই কতো কর্ম ব্যস্ত সময়কাটায় যেন সুখ শান্তি পায়! আল্লার করুণা কত অসীমসর্বদা তাঁর ইবাদত বন্দেগীকরে গেলে অফুরন্ত সকলকৃপা পাবো…

  • টক মিষ্টি ঝাল 

    খাব খাব করো কেন?    বসে যাও আহারে বিলাব আজব খাওয়া,  ভোজন কয় যাহারে। কত কিছু খাওয়া লেখে   দেশ বাসীর ভাষাতে   আনব সব এক সাথে    থাকলে সে আশাতে।    তরকারি ডাল ভাত        ফল মূল শস্য,    আমিষ ও নিরামিষ      চর্ব্য আর চোষ্য।     সেমাই রুটি  ভাজি,        টক ঝাল মিষ্টি, দোয়েল কোয়েল সারসের     হরেক রকম সৃষ্টি।

  • কতো দূরে

    হে বন্ধু এতো ত্রস্তে কোথায় যাবেসহপাঠীরা যেথায় প্রতীক্ষায় রবেখেলা আরম্ভ, উপস্থিত হবো যবেখেলতে গিয়ে আনন্দ পাবো সবে। প্রায়শ:ই আমরা খেলা করি মাঠেমাঠটি কুশিয়ারা নদী সংলগ্ন তটেনাস্তাও করবো সকলে গিয়ে হাটেপরিশেষে যাত্রা করব নদীর ঘাটে। অনেকের বাড়ি কতো যেনো দূরেপায়ে হেঁটে গেলে ঘাম যতো ঝরেদৌড় ঝাপে যা হোচট খেয়ে পড়েসাড়াশব্দ করেও তখন জুরে সুরে সন্ধ্যাতে স্বজনরা…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *