অপার দৃষ্টান্ত

স্বাভাবিক মানুষ কথা বলে যায়
এতে কারা কি বললো বা মন্তব্য
করলো তার তোয়াক্কা করে নাই।

কোন ভালো মানুষ ব্যাখ্যা করে
তাঁর বিস্তারিত আলোচনা থেকে
যেন অন্যরা উপকৃত হতে পারে।

উর্ধ্বতন কেহ কাজ করে দেখায়
বাস্তবতার মাধ্যমে কর্মজীবনে যা
প্রয়োগ করার কত রাস্তা শিখায়।

সেরা কত মানুষ পৃথিবীতে আছে
তাঁরা অন্যদের প্রেরণা দিয়ে ভাল
কর্মের অপার দৃষ্টান্ত রেখে গেছে।

Similar Posts

  • কখন কি হয়

    রাত শেষ হলেই কত কিছু হয়কারো ভাগ্যে দুঃখ ও কষ্ট সয়!অনেক রয় খাল বিলের তটেপুকুর নদী আরো খেয়া ঘাটে!যান বাহনে চলতে থাকে কতঅকস্মাৎ দুর্ঘটনা ও ঘটে যত!দুর্ঘটনায় কত লোক যায় মরেকেউ আরো কষ্টে পাঞ্জা লড়ে!অভাব অনটনের চিন্তায় বিষন্নদুর্ভোগ কষ্টেই সুখ হয় নিশ্চিহ্ন!অশান্তির দায় সম্পর্ক হয় ছিন্নমনের মিলের হয় অনেক ভিন্ন।অগনিত মানুষের ভাগ্য প্রসন্নআরাম আয়েশ ও…

  • সুখের মেলা

    তোমার সখারও আসবেযেদিন এমোনি কারা-বন্ধআমার মতন কেঁদে কেঁদেহয়তো তুমিও হবেই অন্ধ দীর্ঘ বেলা কাটবে না আরবান্ধব তোমার হানবে হেলাবইতে প্রাণের শান- এ ভারভাঙবে তোর সুখের মেলা। মোর বন্ধুর জন্যে সব চেয়েবেশ যত কিছু করতে পারিতা শুধু বন্ধু হয়ে থাকা আরতাকে দেয়ার সুযোগও ধরি। সে যদি জানে যেনো আমিসুখী মহব্বত করেও তাকেবিনিময়ে কোনো পুরস্কারইচাইবে নাতো বন্ধু…

  • অবকাশ নেই 

    কারোর পক্ষেই বোঝা খুব কঠিন অন্যের মন কারণ অনেক আছে নিজেদের সম্পর্কেই সে  কিছু বুঝেনা কিন্তু পরের মনের কথাটি ভেবে  সময় নষ্ট করে ফলে ভাল থাকে না সে তখন।  কাউকে জীবনে এতটা ভালোবাসা উচিৎ নয় আবার এতোটা ঘৃনা বা অবহেলা করাটা যেন খুব বেশী মহব্বত অথবা অবজ্ঞা করার জন্য  কখনো যেন সেই লোকটিকে ভুলতে কষ্ট…

  • সংগ দোষে দোষী

    ভোরের আলো মাত্রই জেগেছে উঠেমর্মান্তিক এক ঘটনা গেছে যেন ঘটে।স্মার্টও সুন্দর এক ছেলে দেখা গেলসুখী পরিবারের যেন তাকে মনে হল!কত লোক সংগ দোষেই ফেঁসে যায়জীবনে চলার পথে অশান্তিতে পায়!কালো রংগেরই জামা পরেছে গায়েদেখিলাম প্রচন্ড আঘাত তার পায়ে।লোকের ভিড়ে আছে ছেলেটি ঘেরাএরই মধ্যে ও পুলিশে করছে জেরা।পুলিশের কাছে খেয়েছে ফাঁকে ধরালাঠি হাতে নিয়ে শুরু করে যা…

  • ঘুমের ঘোর

    ছোট ছোট ছেলেরা ঘুমের মধ্যেও হুঁ হুঁ করেযাদের গল্প শুনতে শুনতে আরো ঘুমে ধরে। যুদ্ধের সময় সৈন্যরা কত দিন রাতই জেগেহয়রান হয়েই শিবিরে ফিরে ঘুম যেন ত্যাগে। অনেক সময় তখন দেখা যায় তারা চলতেঘুমের ঘোরে মাতালের মতো ওদের টলতে। শীতের সময় পাড়া গাঁয়ে থাকে কতো শীতশহরের লোক গ্রামের বাড়িতে হয় যা ভীত। শীত কি রকম…

  • ক্ষুধায় কাতর

    দুগ্ধবতী গাভীর পেছন হেঁটেই শেষ প্রান্তে যেতোপ্রতিদিন সকালে খালি পায়ে ছেঁড়া জামা কাপড়পরে যেখানে সবুজ ঘাসে মোড়া একটা মাঠ ছিলসেখানে চারণ ভূমিতে গাভীটাকে ছেড়ে দিয়ে সেগাছের ছায়ায় বসেই পাখীদের সাথে গান গাইত। নদীর সুরে সুর মিলিয়ে কাঁদতে খুব হিংসা হতোগাভীর অফুরন্ত খাবার দেখে কখন ফুলের দ্রুতবৃদ্ধি এবং প্রজাপতির ডানা মেলা নিয়ে ভাবনায়হারিয়ে যেতো চিন্তার জগতে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *