বার্ধক্যের ছাপ

পৃথিবীতে কোনো মানুষেরই
বয়স হয়ে যায় চল্লিশ যখন
সত্তর হলে সব কিছু অতীত
বার্ধক্যের প্রতীক পড়ে তখন।

মনে হবে বয়সে আসলে যেন
শরীরে কাহারো সুস্থতা থাকে
সংখ্যা মাত্র বেড়ে গেলে ক্রমে
বিশেষ সমস্যা হবে না ফাঁকে।

কে কত দিন থাকবে জগতে
কেউ কখনোই জানতো যদি
তাহলে সবে নিজের ভালোটি
পরিচর্যা করে যেতো নিরবধি।

একাকীত্বের সময়টা ভোগার
নিমজ্জিত হয়ে হতাশার গাঙে
বার্ধক্য যেনো আজন্ম লালিত
বিশ্বাসে বার্ধ্যক্য পৌঁছে তুংগে।

Similar Posts

  • পরিশ্রমে সফলতা

    হাল ছেড়ে দেওয়ার সময় বুঝে নাহি পেলোএমন লোক জীবনে তাদের যতোই ব্যর্থতাযে তারা সাফল্যের কতটা কাছাকাছি ছিল। কারো জীবন যাপন করার জন্যে সময় নষ্টআপনার সময় সীমিত বলে ভুলেই কখনোকরবেন না অন্য মানুষের কোনোও অনিষ্ট। জীবন কখনই সহজ নয় কাজ করতে হবেবাধ্য বাধকতা পূরণ করার পরে সত্য আরকষ্ট সহিষ্ণুতায় জীবন অতিক্রম করে রবে। সময়ের মূল্য দাও…

  • সবার উপরে আল্লাহ

    মদীনা শরীফ ইসলামী সাম্রাজ্যের রাজধানীখলীফা উমার (রা) লোকদের মধ্যে বায়তুলমালের অর্থ বন্টন করার হলো ঘোষণা বাণী। স্বাভাবিক ভাবেই বিরাট ভীড়ও জমে গেছেদূরে ও কাছে নগরে আর বন্দরে সর্বস্থানেইব্যাপকভাবে অর্থ বন্টনের খবরও জেনেছে। সা’দ ইবনে আবী ওয়াক্কাস সেখানে এলেনতিনি ভীড় ঠেলে দু’হাত দিয়ে লোকদেরকেসরিয়ে উমার (রা)এর কাছে হাজির হলেন ! প্রভাবশালী ও অভিজাত এক মায়ের সন্তানসা’দ…

  • শান্তি পাই!

    লিখছি লিখেই যাইকে কতোটা লাইকতথা পছন্দ করলোতা না দেখে আমারকাজ আমি চালিয়েঅবারিত শান্তি পাই ! আঁকা বাঁকাতে যশশুধু অনাকাঙ্ক্ষিতকতো গঠনাবলিতেমানুষের রয়ে গেছেকৌতুহল যা অধিরআগ্রহ তে হাস্যরস। আবোল তাবোল যাউল্টো পাল্টাতে রয়সীমাহীন সুখ সমৃদ্ধিযেন অনেকেই ভোগআর অর্জন করতেনষ্টও করে মুহুর্ত টা ! খোদা তাওফিক দেনতাঁর এবং রাসুলুল্লাহ(স.)এর প্রদর্শিত পথেচলা ফেরায় দুনিয়া ওআখেরাতে শান্তি আরকষ্ট অশান্তি তুলে…

  • ক্ষুধার জ্বালা !

    কতো মানুষ অবহেলায় পড়ে রয়দু:খ দুর্দশা দুর্গতি দুর্ভোগের ব্যথাবেদনা এসব তাদের জীবনে সয়! ঘর বাড়ি ভিটে মাটি নেই তাদেরঅনেকের ঠিকানা আবার খোলাআকাশের নীচেই বসবাস যাদের। কেউ রয় পরিত্যক্ত কোন ভিটায়এরা কখনো উচ্ছিষ্টও ডাস্ট বিনেরাখা খাবার খেয়ে জীবন কাটায়! এদের কষ্ট দুর্ভোগ হামেশা থাকেকতো খেয়ে না খেয়ে তারা ক্ষুধারযন্ত্রণা সহ্য করারও ক্ষমতা রাখে! ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে…

  • স্কুলে প্রথম যাত্রা

    বড় বোন তার তাইফা,সংগে নেইতো রাইফা।বিদ্যালয়ে প্রথম যাত্রা,আনন্দের শত মাত্রা।কত সাজ গুজ করে,স্কুলের পথই সে ধরে।বই খাতা ও পরিপাটি,চলছে সে পায়ে হাটি।বললাম গাড়ীতে এস,জানালার পাশে বস।গাড়ীতো রওয়ানা দিল,বিদ্যালয়ে নিয়ে গেল।খুশিতেই সে আত্নহারা,আরো সহপাটিও যারা।

  • চোখের পানি

    এমন কথা কাহাকে বলো নাযাকে পরে সরিও বলতে হয়এমন করে দুরে টেলে দিওনাদু:খ কষ্ট তার মনে লেগে রয়। কেউ স্নেহ পাওয়ার যোগ্য যততার থেকে তাকে অধিক যদিমহব্বত করো নিশ্চিত তাহলেরবে সীমাহীন যাতনা নিরবধি। আমাদের সবার চোখের পানিদামী কারণ কতো ধরনের ইহাথাকলেও একমাত্র এ পানিতেবোঝা যায় হারানোর কষ্ট যাহা। কতো আছে চাওয়ার পাওয়ারকষ্ট লুকিয়ে না পাওয়ার…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *