জনপ্রিয় ১০ টি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস :

মিডিয়ার মার্কেটিং এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বদৌলতে আমরা অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে ধারণা লাভ করি।

বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে শিক্ষা জীবন থেকেই আমাদের মধ্যে অনেকে অনলাইন ইনকাম বা ফ্রিল্যান্সিং এর দিকে ঝুঁকে পরে।

তো অনলাইনে ইনকাম করার জন্য আমাদের প্রয়োজন পড়ে কাজ পাওয়ার প্লাটফর্মের।

নিচে জনপ্রিয় ১০ টি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

Table of Contents

জনপ্রিয় ১০ টি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

Fiverr

Upwork 

Guru

Freelancer.com

People Per Hour 

99 Designs

Dribble 

Simply Hired

Toptal 

Aquent 

জনপ্রিয় ১০ টি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস :

লেখাপড়া শেষে চাকরি করার জন্য যেমন আমাদের অফিসে অফিসে ঘুরে বেড়াতে হয় তেমনি ফ্রিল্যান্সিং শেখার পর কাজ খুঁজতে হয়।

ফ্রিল্যান্স কাজ পাওয়ার জন্য অনেক গুলো মার্কেটপ্লেস আছে যেখানে বায়ার কাজের বিবরণ দিয়ে রাখে।

চলুন বিশ্বের সব থেকে সিকিউর এবং জনপ্রিয় কিছু ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে ধারণা লাভ করি।

Fiverr

ফাইবার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে আজ অবধি অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

এর এত জনপ্রিয়তার পেছনের কাহিনি হলো এখানে অনেক ছোট ছোট প্রোজেক্ট পাওয়া যায়।

একজন নতুন ফ্রিল্যান্সিং শেখা ব্যক্তির জন্য ফাইবার একটি বেষ্ট অপশন। 

এখানে ডাটা এন্ট্রি থেকে শুরু করে সব ধরনের অনলাইন ইনকামের কাজ পাওয়া যায়।

ফাইবারে সাধারণত নিজের বায়ার খুঁজতে হয়না। এখানে একজন ফ্রিল্যান্সার যে যে কাজ পারে তার বিবরণ দিয়ে গিগ খুলতে হয়।

ক্লাইন্ট নিজে থেকেই তার প্রয়োজনীয় কাজের জন্য গিগ খুঁজে অর্ডার করে। এই মার্কেটপ্লেসে সর্বনিম্ন ১৫ ডলার থেকে প্রাইসিং শুরু হয়।

Upwork 

আপওয়ার্ক এর পূর্ব নাম ছিল ওডেস্ক। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে আপওয়ার্ক সব থেকে বেশি সিকিউর এবং প্রফেশনাল।

এখানে প্রফেশনাল বায়ার বেশি থাকে যে কারণে অল্প কাজ জেনে খুব বেশি সুবিধা করা যায় না।

তাছাড়া আপওয়ার্কে আপনার নিজের কাজ খুঁজে সেখানে কানেক্ট এর মাধ্যমে অ্যাপ্লাই করতে হয়। 

বায়ার প্রপোজাল গুলো বাছাই করে সব থেকে অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার হায়ার করে।

আপওয়ার্কে ছোট বড় সব ধরনের প্রোজেক্ট পাওয়া যায়। আপনি যদি অনলাইনে আয় করা যায় এমন যে কোন বিষয়ে খুব ভালো দক্ষ হন তাহলে আপওয়ার্ক আপনার জন্য অনেক ভালো হবে। 

আপওয়ার্ক মার্কেটপ্লেসে প্রোজেক্ট নির্ভর এবং ঘণ্টা নির্ভর কাজ পাওয়া যায়।

প্রোজেক্টের উপর নির্ভর করে কি হিসেবে তা কমপ্লিট করতে হবে সেটা বায়ার নির্ধারণ করে দেয়।

প্রোজেক্ট ভিত্তিক জবে আপনি এককালীন চার্জ নিতে পারবেন অন্যদিকে ঘণ্টাভিত্তিক কাজে আপনার ঘণ্টাভিত্তিক নির্দিষ্ট রেটে পেমেন্ট করা হবে।

Guru

গুরু আপওয়ার্ক এবং ফাইবারের মতই ইন্টারন্যাশনাল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস।

এখানে ভিডিও এডিটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, রাইটিং, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি বিষয়ের উপরে কাজ পাওয়া যায়। 

গুরুতে সাধারণত আপওয়ার্ক এর মত জব পোস্ট হয়। অর্থাৎ বায়ার তাদের কাজের বিবরণ দিয়ে জব পোস্ট করে, সেখানে অ্যাকাউন্টধারী ফ্রিল্যান্সাররা কাজ পাওয়ার জন্য বিড করে।

বায়ার প্রপোজাল গুলো বাছাই করে উপযুক্ত ফ্রিল্যান্সার নির্ধারণ করে। 

এখানে ফিক্সড এবং ঘণ্টা ভিত্তিক এই দুই পদ্ধতিতে কাজ করা যায়। গুরু অনেক শক্ত নিয়ম পালন করে তাদের মার্কেটপ্লেস নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে সেখানে খুব কম স্প্যাম হয়।

গুরুতে পেমেন্ট সিস্টেম হিসেবে আছে পেপাল, ব্যাংক ট্র্যান্সফার এবং পেওনিয়ার।

Freelancer.com

ফ্রিল্যান্সার ডট কম একটি অনেক পুরাতন মার্কেটপ্লেস।

সব মিলিয়ে এই প্লাটফর্মে ১৮০০ টির অধিক ফ্রিল্যান্সিং ক্যাটেগরি আছে।

এই মার্কেটপ্লেসে সর্বমোট 10,000,000 এরও বেশি জব পোস্ট করা আছে।

বিগত ১৫ বছর ধরে Freelancer.com সফলতার সাথে সারাবিশ্বের ফ্রিল্যান্সারদের সাহায্য করে আসছে। 

এখানে অন্যান্য মার্কেটপ্লেসের মত ফিক্সড এবং ঘণ্টা ভিত্তিক কাজ পাওয়া যায়।

তবে Freelancer.com এর আরও একটি ভালো এবং সম্ভাবনাময় দিক হচ্ছে এখানে কন্টেস্ট আয়োজন করা হয়।

কন্টেস্টে অংশগ্রহণ করা ফ্রিল্যান্সারগুলোর মধ্যে বায়ার যার কাজ পছন্দ করে সে বিজয়ী হয় এবং প্রাইজমানি হিসেবে পুরো প্রজেক্টের পেমেন্ট পায়।

People Per Hour 

পিপল পার আওয়ার বা PPH ২০০৭ সাল থেকে তাদের যাত্রা শুরু করে।

তখন থেকে এখন পর্যন্ত পিপিএইচ সাফল্যের সাথে তাদের রেপুটেশন ধরে রেখেছে।

বর্তমানে এর সংগ্রহে তিন মিলিয়নের বেশি দক্ষ ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। 

এখানে প্রায় সব ক্যাটাগরির কাজ পাওয়া যায়। তবে পিপল পার আওয়ার মার্কেটপ্লেসের একটি অনন্য দিক হচ্ছে এখানে আপনি নিজের সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন।

অর্থাৎ আপনি বায়ারের পোস্ট করা কাজে অ্যাপ্লাই করার পাশাপাশি নিজের সার্ভিস বিক্রি করার সুযোগ পাবেন।

99 Designs

৯৯ ডিজাইন ফ্রিল্যান্স ডিজাইনারদের জন্য স্বর্গ। এখানে গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কিত সব ধরনের কাজ পাওয়া যায়।

এই ওয়েবসাইট শুধু ডিজাইনারদের জন্য তৈরি করা, এ জন্য অন্য ক্যাটাগরির ফ্রিল্যান্সার আসে না।

এখানে ওয়েব পেজ ডিজাইন, লোগো ডিজাইন,
টি শার্ট ডিজাইন, পোস্টার ডিজাইন, বুক কভার ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ডিজাইন এবং প্রোডাক্ট প্যাকেজিং সহ অন্যান্য গ্রাফিক্স রিলেটেড কাজ পাওয়া যায়।

মূলত 99 Designs ওয়েবসাইট একটু ভিন্ন ভাবে কাজ করে। এখানে বায়ার তার কেমন ডিজাইন লাগবে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়ে জব পোস্ট করে।

সেখানে উক্ত বিবরণ অনুসরণ করে ডিজাইনারগন ডিজাইন সাবমিট করে। সাবমিট করা ফাইল থেকে যার ডিজাইন বায়ার পছন্দ করবে শুধু সে পেমেন্ট পাবে।

আর বাকি যারা সাবমিট করেছে তারা কোনো পেমেন্ট পাবে না। অর্থাৎ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে 99 Designs মার্কেটপ্লেস থেকে আয় করতে হয়। 

Dribble 

ড্রিবল একটি অতি পরিচিত এবং জনপ্রিয় ক্রিয়েটিভ ডিজাইনার মার্কেটপ্লেস।

এখানে কাজ করার জন্য অবশ্যই আপনাকে একজন ডিজাইন স্পেশালিস্ট হতে হবে, না হলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাবেন না। 

যাইহোক, ড্রিবল অন্য সকল মার্কেটপ্লেস থেকে ভিন্ন ভাবে কাজ করে।

এখানে প্রথমে আপনাকে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে প্রফেশনাল প্রোফাইল রেডি করতে হবে।

তারপর জব বোর্ড তৈরি করে সেখানে আপনার সব থেকে বেষ্ট ডিজাইন আপলোড করতে হবে।

কারণ এখানে ক্লাইন্ট নিজে খুঁজে খুঁজে বের করে ডিজাইন ক্রয় করে। লোকেশন নির্ধারণ করে কাজ করা যায় এ জন্য কম্পিটিশন কমিয়ে ফেলা যায়।

এতে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা থাকলে সহজেই সফলতা লাভ করা যায়।

Simply Hired

এই মার্কেটপ্লেস একটি কাজের সমুদ্র। কারণ এখানে জব পোস্ট এবং কমপ্লিট করার জন্য কোন চার্জ দিতে হয় না।

এতে বায়ারদের জব পোস্ট করতে কোন বাঁধা থাকে না। যে কারণে সিমপ্লি হায়ার্ড মার্কেটপ্লেসে কাজের কোন কমতি নেই। 

আপনি যদি বেশি বেশি কাজ করার জন্য প্রস্তুত থাকেন তবে Simply Hired প্লাটফর্ম ঘুরে আসতে পারেন। 

Toptal 

টপটাল একটি প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। এখানে সব বিষয় প্রফেশনাল পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

টপটালে কাজ করার জন্য অবশ্যই অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ফ্রিল্যান্সার হতে হবে।

মূলত এই মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট করতে চাইলে আপনাকে একটি কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে যেমন স্ক্রিনিং। 

তারা তাদের ওয়েবসাইটে অ্যাক্সেস দেওয়ার আগে আপনার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নিয়ে তারপর পারমিশন দিবে।

হাজার হাজার অ্যাপ্লিকেশান বাছাই করে তারপর সব থেকে উপযুক্ত লোক নির্বাচন করে এ জন্য এখানে বায়ার পেতে তেমন সমস্যা হয় না।

কারণ বায়ার সব সময় টপটাল এর মত মার্কেটপ্লেস বেশি পছন্দ করে।  

Aquent 

অন্যান্য ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসের মত এটিও অনেক সম্ভাবনাময়।

Aquent এর সব থেকে ইউনিক বিষয় হচ্ছে এখানে টিম ছাড়া কাজ করা যায় না। অর্থাৎ এই প্লাটফর্মে আপনি একা কাজ করতে পারবেন না। 

এখানে যে সকল প্রোজেক্ট আসে তার সব হলো গ্রুপ ভিত্তিক।

Aquentএ যোগ হতে চাইলে আপনাকে প্রমাণ দিতে হবে আপনার একটি রানিং অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সারের গ্রুপ আছে।

এর সাথে সাথে আপনার কম পক্ষে দুই বছরের বেশি অভিজ্ঞতা আছে সেই বিষয়ে প্রমাণ দিতে হবে।

তদুপরি, আপনি একা Aquent এ অ্যাকাউন্ট করলেও যখন প্রোজেক্ট নিবন্ধন করা হবে তখন আপনাকে যে কোন গ্রুপ এর সাথে অ্যাড হয়ে কাজ করতে হবে। 

উপরে বর্ণিত মার্কেটপ্লেগুলো বর্তমান সময়ের সব থেকে সেরা।

বিশ্বে বর্তমানে যত ফ্রিল্যান্সার আছে তারা বেশিরভাগ এই সকল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে আসছে।

Similar Posts

  • ইন্টারনেটের ইতিহাস :

    ইন্টারনেটের ইতিহাসের সময়রেখা প্রারম্ভিক গবেষণা এবং উন্নয়ন: ১৯৬১ – First packet-switching papers ১৯৬৬ – Merit Network founded ১৯৬৬ – ARPANET planning starts ১৯৬৯ – ARPANET carries its first packets ১৯৭০ – Mark I network at NPL (UK) ১৯৭০ – Network Information Center (NIC) ১৯৭১ – Merit Network’s packet-switched network operational ১৯৭১ – Tymnet packet-switched network ১৯৭২ – Internet Assigned Numbers Authority (IANA) established ১৯৭৩ – CYCLADES network demonstrated ১৯৭৪ – Telenet packet-switched network ১৯৭৬ – X.25 protocol approved ১৯৭৮ – Minitel introduced ১৯৭৯ – Internet Activities Board (IAB) ১৯৮০ – USENET news using UUCP ১৯৮০ – Ethernet standard introduced ১৯৮১ – BITNET established নেটওয়ার্ক মার্জ এবং ইন্টারনেট তৈরি: ১৯৮১ – Computer…

  • গুগল ফটোস কি ও কিভাবে ব্যবহার করবেন :

    হাতের কাছে থাকা স্মার্টফোনে ছবি তুলতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে ফোনে ছবি গুছিয়ে রাখা, স্টোরেজ খালি করা, কিংবা ফটো ও ভিডিও ব্যাকাপ নেওয়া বেশ ঝামেলার কাজ মনে হতে পারে। গুগল এর গুগল ফটোস অ্যাপ ব্যবহার করে উল্লিখিত কাজগুলো বেশ সহজে করা যায়। এই পোস্ট থেকে জানতে পারবেনঃ গুগল ফটোস…

  • ২০২৪ সালে ব্লগিং করে কী টাকা আয় করা সম্ভব?

    Created by UY LABin News22 Jan 2024 আপনি ব্লগ করতে ভালোবাসেন এবং কিছু অতিরিক্ত নগদ অর্থ আয় করতে চান? ব্লগিং হল লেখা-লেখির মতো একটি কম খরচের ব্যবসায়িক ধারণা যার মাধ্যমে প্রতি মাসে হাজার হাজার ডলার উপার্জন করা যায় , আপনি এই পোস্টটি পড়ছেন তার মানে এর অর্থ হল professional Blogging এর প্রতি আপনার আগ্রহ রয়েছে। আজকের প্রতিবেদনে…

  • ই-কমার্স: আস্থার সংকট কাটাতে পারবে কি?

    তৌফিকুল ইসলাম জানুয়ারি ২৯, ২০২৩ আধুনিক মানুষের জীবনে প্রয়োজনীয় এক অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে ই-কমার্স। বিশেষ করে ঘরে বসেই মুঠোফোনের স্ক্রিন বা পিসি অথবা ল্যাপটপের পর্দায় এক ক্লিকেই পণ্য অর্ডার করার এ সুযোগ এখন ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাজার করার চেনা দৃশ্য বদলে গিয়ে মোটর সাইকেলে করে ডেলিভারি এক্সিকিউটিভরা মানুষের ঘরে ঘরে বাজার পৌঁছে দিচ্ছে, এ দৃশ্য…

  • গুগল থেকে টাকা আয় করার ৩ টি কার্যকরী উপায় :

    আপনার যদি অনলাইনে কিছু জানার ইচ্ছা হয় তবে নিশ্চয় গুগলে সার্চ করেন। আজকে আপনাদের জানাব কিভাবে গুগল থেকে টাকা আয় করা যায়। বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার অনেক কার্যকরী উপায় রয়েছে। অনেকে তো আবার অনলাইনে আয়কে পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছে। অনলাইনে আয় নিয়ে কথা উঠলে সবার মাথায় একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খায়। সেটি হল,…

  • ইন্টারনেট অধিগমন :

    ইন্টারনেটের সাথে সংযোজন স্থাপনের প্রক্রিয়াএই নিবন্ধটি ব্রডব্যন্ড ইন্টারনেট সুবিধাসহ সামগ্রিক ইন্টারনেট সুবিধা সম্পর্কে। টেলিকমিউনিকেশন সংকেত পদ্বতির জন্য ব্রডব্যন্ড দেখুন। ইন্টারনেট অধিগমন হচ্ছে এক ধরনের প্রক্রিয়া যা একক ব্যবহারকারী এবং সংগঠনকে ইন্টারনেটের সাথে সংযোগের সুবিধা দেয়। এই প্রক্রিয়াটি কম্পিউটার, কম্পিউটার টার্মিনাল, মোবাইল ডিভাইস এবং মাঝে মাঝে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক দিয়ে বাস্তবায়িত করা হয় । ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হলেই যে কেউ ইন্টারনেটে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *