ঝড় ঝঞ্ঝা

সেরা অভিজ্ঞতা হওয়া এখনও বাকি
তারুণ্য অর্ধেক দেখায় স্রষ্টায় বিশ্বাস
আর বার্ধক্যে প্রবেশ করুন জীবনের
সব দেখে সতর্ক হয়ে নির্ধিধায় চলুন
অনেকে কিন্তু উদাসীনতায় হয় দু:খী।

বার্ধক্য কোনো উপভোগের বিষয় নয় 
তবে অনেক দুঃখ বিপদ ও ঝড় ঝঞ্ঝা
পেরুনোর অভিজ্ঞতাটির নামই বার্ধক্য 
এ অবস্থাটি পেরিয়ে যাঁরা যাচ্ছে তাঁরা
বলতে গিয়ে তাঁদের ঠোঁট কাঁপতে রয়।

যে কথা বলতে চায় সেটাই বদলে যায়
বক্তব্যেও অন্য কথা প্রকাশ হয়ে পড়ে
যৌবনে যে ডাল কেটে দিয়েছে তাতেই
ভর দিয়ে রয়েছে বার্ধক্যে যেসব রাস্তায়
হেঁটেছে তাও এখন আর খুঁজে না পায়।

দীর্ঘ বাউবাব বনসাঁই হয়েছে জলে যাঁর
এখন ধ্বংসস্তূপ এলুমিনিয়াম ফয়েলের
মতো পড়ে আছে মরূদ্যানে ক্যাকটাস
হয়ে চেয়ে রয় বৃষ্টির সম্মুখে সব কিছুও
সম্পুর্ণভাবেই পরিবর্তন হয়ে গেছে তাঁর।

Similar Posts

  • তাওবায় মুক্তি

    মানুষ স্বভাবত গুনাহগার বা অপরাধী হয়ইহা মানব চরিত্রের সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্য আরমহান আল্লাহ ক্ষমাশীল তিনি ক্ষমা করতেভালো বাসেন গুনাহের পর সেটি গোপনরেখে যারা আল্লাহর কাছে তাওবায় রয়! যারা অজ্ঞতায় মন্দ কর্ম সম্পাদন করেছেঅতঃপর তারা তাওবা ও সংশোধন করেনেবে তাদের জন্য তো তিনি ক্ষমাপরায়ণদয়াশীল ইহা পবিত্র কোরআনে আনআমসুরায়ই আল্লাহ তায়ালার ইরশাদ রয়েছে! মার্জনা প্রার্থনা করাইতো অন্যতম ইবাদতযে…

  • সোনালি যুগ

    মহানবী (সা.) তাশরীফ আনেন যখনআরবি কাব্য-সাহিত্যের সোনালি যুগইহ জগতে তখন বিশ্ব বিখ্যাত কবিরাপ্রতিযোগিতার ময়দানে অবতীর্ণ হতআরবের প্রখ্যাত‘ওকাজ’মেলায় যারকবিতা শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত হত তাঁকেসেরা উপাধিতে ভূষিত করতেন তখন । বাই তুল্লাহর সাথে ঝুলিয়ে রাখাও হতোকবিতাকে সোনালি রঙের কালি দিয়েইকাপড়ের উপর লিখে দুনিয়ার সবচেয়েমর্যাদাবান স্থান ‘মুয়াল্লাকাত’ যাকে বলাহত ঝুলন্ত কবিতা বিশ্বসাহিত্যে আজও” সাবয়ে মুয়াল্লাকাত “বা ‘ঝুলন্ত কবিতাসপ্তক…

  • বিধবা নারীর অধিকার

    অর্থনৈতিক অধিকারী সব বিধবা নারীইসলামী আইন দিয়েছে অন্যতম ওদেরআরো প্রত্যেক বিবাহিতা নারীদেরকেইমোহরের বিষয় কোরানে করেছে জারী ! অর্থ হলো মোহর শব্দের স্বেচ্ছাকৃত দানবিবাহের চুক্তিকালে কন্যাকে বর কর্তৃকমুসলিম আইন অনুসারে স্ত্রীর নিজস্ব ওসম্পত্তিরূপে তাকেই যা করা হয় প্রদান ! স্বামীর স্বচ্ছলতার ভিত্তিতে নির্ধারণ হয়মোহরের পরিমাণ বিবাহের সময় স্ত্রীকেস্বামী কর্তৃক সন্তষ্ট চিত্তে ও নির্দিষ্ট ভাবেপরিশোধ করারই নির্দেশনার…

  • পরশ রতন !

    মায়ের দোয়া লাগে যার গায়তাকে সাক্ষাৎ হলে চেনা যায়প্রমাণ হয় তার ভাব ভঙিমায়। পঞ্চরস মেখে আছে যেজনকতো রসিক সুজন মহাজনআত্মা অন্তর যে পরশ রতন। সঠিক রাস্তা যার ভাগ্যে ঘটেআঁধার কালে তার চন্দ্র ওঠেআয় উন্নতি হয় জীবন হাটে। উপাসনা আরাধনা করে চলএসব করছে যত শান্তি হলোশান্তি সমৃদ্ধিতে জীবন গেলো! ইবাদত ও বন্দেগীর কষ্ট সয়আল্লাহ রাসুলের রাস্তায়…

  • অপ্রাপ্তির বেদনা !

    কান্নার জল সকলে দেখেহৃদয়ের যতো কষ্ট কেহোকখনো কোনো দিন তাহাকদাচিৎও দেখেনি চোখে। পাওয়ার সুখ শান্তি থাকেআর অপ্রাপ্তির বেদনা যাসারা জীবনে ভোলার নয়ভোগের মধ্যে রাখে যাকে। অন্যকে এমন কথাই বলোযে কথা বার্তায় কারো মনেকখনো কষ্ট দুর্গতি না দেয়তা সর্বদা লক্ষ্য করে চলো। কারোও মনে আঘাত দিলেসে যাতনার কারণে আল্লাহতায়ালার আরশ নড়ে আরতাঁর যতো অসন্তোষ্টি মিলে!

  • ফল্গুধারা

    আমোদ শখ হয় তো পূর্ণপিতা – মাতার টাকাতে,নিজের রুজি চলে যায়যতো প্রয়োজন মেটাতে। জীবন চলে কঠিন যুদ্ধেসব রঙ কেন বদলে যায়?আনন্দ খুশির কত জীবনমুহুর্তে হয় রে মলিন হায়! হাসি খুশির সকালগুলিচলে গেলো কোথায় হায়?মলিন মুখের সন্ধ্যা কতহাসি ব্যতীত কেটে যায়। বাঁধনগুলো বাঁধতে গিয়েনিজেই হলাম বাঁধনহারা,হাসি ফুটাতে সবার মুখেআমিই হলাম ছন্নছাড়া। সবাই ভাবে কতই সুখীমুখে থাকে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *