অনুগমন

জীবন কতো কঠিন মৃত্যুর চেয়ে
বিপদ আপদ দুঃখ – কষ্ট কেবল
জীবনে ই ভোগ করতে হয় মৃত্যু
এ সম্পুর্ণ কিন্তু নিয়ে যায় ধেয়ে।

ব্যর্থ হওয়া মানে জীবন ব্যর্থ নয়
অধ্যবসায়ে কতো যে উন্নতি রয়
হয়তো বা আরোও ভালো কিছুর
দিকে যাওয়ার রাস্তাটি সুগম হয়।

নিজের জীবনে ঝুঁকি নিলে পরে
নেতৃত্ত দিবেন তাতে জিতে গেলে
আর যদি হারেন অন্যদেরে ঠিক
পথ দেখাতে পারেন জীবন ভরে।

চিন্তার প্রতিফলন প্রকৃতিতে ঘটে
কেউ যদি মন্দ উদ্দেশ্য নিয়ে কথা
বলে কাজ কর্ম করে দুঃখ তাকেও
অনুগমন করে তারই ভাগ্যে জুটে।

কেউ যদি সুচিন্তা নিয়ে কথা বলে
প্রতিনিয়ত অভিপ্রায় ন্যায় আরো
সঠিক রয় তবে সুখ তাকে ছায়ার
ন্যায় অনুসরণ করে প্রশান্তি মিলে।

Similar Posts

  • আল্লাহর সন্তোষ্টিতে সমৃদ্ধি

    আল্লাহ তাআলা করেন রিযিকের উন্নতিতিনি চাইলে করে দেন খাদ্যের অবনতি ! আল্লাহর উপরই সকলের রিযিকের ভারপৃথিবীতে যত প্রাণী আছে সব সৃষ্টি তাঁর ! বেশী জন সংখ্যা সংকোচনের কারণ নয়হেকমতের কারণে রিযিক কম বেশী হয়! খোদা তাআলা কোন কারণে রিযিক দেনকেবল তিনি জানেন কেন তা কেড়ে নেন। আমরা মানব জাতি খোদাকেই ভয় করিবাতিল বিশ্বাস ছেড়ে ঠিক…

  • চেষ্টা চলে

    কি যে আর বলিদু:খ কষ্টে চলি। দুর্ভোগ দুর্গতিটিক নয় মতিগতি। চেষ্টায় চলে যাইশান্তি যেনো পাই। সাধনার ফলেসুখ শান্তি মিলে। জীবন চলার পথেচলাচল এক সাথে কেউ ভোগে সুখেআরো থাকে দু:খে। স্রষ্টার দয়া যেথাপ্রশান্তি রয় সেথা।

  • বিলাস

    সৃষ্টি কর্তার ইচ্ছায় পাতা দোলেহুকুম ছাড়া কখনো এসব হয়নাতাঁর রাজত্ব পাতার উপরে চলে। আল্লার ইচ্ছায় মানুষ জন্ম নেয়মৃত্যু বরণ করে নতুবা নিহত হয়সব কিছু কিন্তু খোদা পাক দেয়। তাঁর কৃপার ব্রেইনে বানায় বোমাযার ফলে মানুষ ফেটে খানখানহয় ধুলোর মতো পরে উড়ে ধুমা। কৃপায় শিশুরা জন্ম নিয়ে আসেখোদা তায়ালার রহমতের ফলেবড়ো হয়ে তয় সবার সাথে মিশে।…

  • বাল্য বন্ধু

        বাল্য কালের বন্ধুদের সাথে,    সেদিন দেখা হল চলার পথে।     আমরাত সখ্যায় ছিলাম চার,    গল্প করে রাস্তাটি হলাম পার।    অভিজাত রেস্তোরাঁয় গেলাম,    হরেক রকমের খাদ্য পেলাম।    রুচি মতে ভূরি-ভোজন সেরে,    খাবারের  বিল পরিশোধ করে।    চললাম নিয়ে সিএনজি ভাড়া ,     সেদিন মোদের ছিল না তাড়া।  সরকারি মাঠে চলছিল বই মেলা,  সেথায় করেনি কেউ কোন হেলা।  ঘুরে ঘুরে…

  • জীবন সায়াহ্নে !

    কতো ছিলো শক্তিশালী বীরযাদের গায়ের জোর ঐশ্বর্যেঘর বাড়ি পাড়া পড়শী আরসমাজের অধিক মানুষ যতঅত্যাচারে থাকতো অস্থির! তর্জন গর্জনের কি যেন সুরকাজে অকাজে কোন কারণব্যতীত কতো সময় অসময়েযথায় তথায় সুশীল সমাজেচলতো ওদের যত গণ্ডগোল! খাম খেয়ালী ইচ্ছেমতো চলামানুষকে অত্যাচার কখনোইএত অধিক করতো যে সন্ত্রস্তহয়ে ওদের আক্রমণের জন্যঅনেকের বন্ধ হত কথা বলা! অবশেষে সব কিছু চলে যায়গায়ের…

  • সকাল সন্ধ্যা

    সময় হয়ে গেলেই ফিরেসারা দিনই সকলে ঘুরে। সকাল থেকে ও সন্ধ্যায়চলাফেরা থাকে ধান্ধায়। বহু লোকের ফল মন্দাক্ষতিগ্রস্থদের যত ধান্ধা! ঘুরে ফিরে অনেক দূরে সংগ্রহ করে নেয় জুড়ে। কেউ হালাল চিন্তা করেবাকী সবে ধার না ধারে!পেট পুরে খেলেই হলো চিন্তা নাই গোল্লায় গেল!আরোও যারা সত্যনিষ্ঠকখনও করেনা অনিষ্ঠ!তাঁদের উপার্জনও শ্রেষ্ঠ লোকজন থাকে সন্তুষ্ট! তাঁরা হালাল যতই খায়মনে প্রানে শান্তিও পায়!খেয়াল খুশিতে যে চলে আত্মা অশান্তিতে জ্বলে!আল্লার…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *