জীবন সায়াহ্নে !

কতো ছিলো শক্তিশালী বীর
যাদের গায়ের জোর ঐশ্বর্যে
ঘর বাড়ি পাড়া পড়শী আর
সমাজের অধিক মানুষ যত
অত্যাচারে থাকতো অস্থির!

তর্জন গর্জনের কি যেন সুর
কাজে অকাজে কোন কারণ
ব্যতীত কতো সময় অসময়ে
যথায় তথায় সুশীল সমাজে
চলতো ওদের যত গণ্ডগোল!

খাম খেয়ালী ইচ্ছেমতো চলা
মানুষকে অত্যাচার কখনোই
এত অধিক করতো যে সন্ত্রস্ত
হয়ে ওদের আক্রমণের জন্য
অনেকের বন্ধ হত কথা বলা!

অবশেষে সব কিছু চলে যায়
গায়ের জোর সহায় সম্পদের
যতো বড়াই পর্যায়ক্রমে লোপ
পেয়ে ওদের জীবন সায়াহ্নেই
পরে কোনো উপায় নাহি পায়!

Similar Posts

  • সম্মান বাড়ে !

    তোমরা এক সাথে যাবে কোথায়একত্র হয়ে বন্ধুরা সব সাজগুজেপ্রস্তুতি নিয়ে যে চলে এসে গেছোসাথে কত কিছু আরোও থাকছেআমাকে যেন নিয়ে যাও সেথায়। ওরা বললো কোনো অসুবিধা নাইআমরা সুদুরে ইসলামি সম্মেলনেযোগ দিতে মিলেমিশে চলতে যাইযতো বন্ধুদের সাথেই সাক্ষাৎ হবেতুমিও যদি চাও যেতে পারো ভাই! কত মাঠ ঘাট পেরিয়ে যাত্রা করিপ্রথমে পায়ে হেঁটে অনেক দূরেররাস্তা পাড়ি দেই…

  • এতিম

    এতিম আর হতভাগা যারাঅসহায় এবং দুর্ভাগা তারা! কষ্টের জীবন চলে কতোদুঃখ ভোগ করে শত শত! দুর্গতি ও দুর্দশায় যত পড়েজীবন যুদ্ধেতো তারা লড়ে! অনাহারে ও অর্ধাহারে রয়ক্ষুধার জ্বালা যত তারা সয়! আনন্দ নেই খেলতে যায়নাবন্ধু বান্ধব ও যথেষ্ট পায়না! অনাদর অবহেলা অশান্তিঅন্তরে ও থাকেনা প্রশান্তি! তাদের মালামাল স্পর্শ নিষিদ্ধউল্লেখও রয়েছে যার প্রশিদ্ধ! এতিমদের ধন গ্রাস…

  • ডিজিটাল ব্যবসায়ী !

    দশ বছর আগে কেমিক্যাল দেওয়া হতো না ফলেএখন অসাধু ব্যবসায়ী যত আছে ‘দশে মিলে করিকাজ হারিজিতি নাহি লাজ ‘এমন ভাবে তারা সবজোট বেধেঁ কেমিক্যাল মিশ্রিত করে যাচ্ছে মিলে! এনালগ সিস্টেম ও ডিজিটালে রূপান্তর করেছেএক্ষেত্রে ছোট-বড় জেল জরিমনা -শাস্তির পরওজরিমানার টাকা তাই ‘উসুল’ করার মাত্রা আরোবাড়িয়ে দিয়েতো মুনাফার আধুনিক পথ ধরেছে। দলে দলে যোগ দিচ্ছে আর…

  • বার্ধক্যের জ্বালা !

    কতো মূল্যবান সময় পেরিয়ে যায়খেয়ালে বেখেয়ালে বা অবহেলায়শৈশব- কৈশোর-যৌবন ফুরিয়ে ওবার্ধক্য জমে থাকে যত অবেলায়! কত সাধ – আহ্লাদ মনের কোনে রয়ক্রমে অস্পষ্ট হতে হতে অদৃশ্য হয়েরঙিন দুনিয়ার যতো তামাশা সমাপ্তআর বাঁচার আশাটি নিভে শেষ হয়! খুব ঘনো কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়েদাওয়ায় বসে বসে ঝিমায় দু:খ কষ্টশরীরের ভাঁজে তার কখন যে বাসাবেঁধেছে ক্রমান্বয়ে নিস্তেজ হয়…

  • চলার পথে

    চলার পথে একদা দেখা মিলে তারকতো পুরনো দিনের আন্তরিকতায়ভরপুর আরো বেশী যাতায়াত যার। হঠাৎ দু’জনেরই মোলাকাতের পরেউভয়ে কোলাকুলি করে গল্প গুজবকরতে করতেই গেলো অনেক দূরে। শেষে আরো এক বন্ধুর দেখা মিলেসে অন্য আরেকজন উভয়ের বেশীঘনিষ্ট এবং পরে একত্রে ফুর্তি চলে। তারা সকলে একটি রেস্তোরাঁয় যায়অনেক আনন্দ উল্লাস প্রফুল্লে তারাসময় অতিক্রম করেই চা নাস্তা খায়।

  • ব্যবস্থা পত্র

    কোথায় ছুটে চলছো ভাইতোমার গতিবেগের তেজদেখে বুঝা যাচ্ছে অন্তরেআরাম আয়েশ শান্তি নাই। তাৎক্ষণিক আমাকে বলেআজ দু’ দিন হয়ে গেলোএকমাত্র আদরের বোনেরখুবই অসুখে অশান্তি চলে। ভীষণ কষ্টে চিৎকার করেজ্বালা যন্ত্রণা ও শত দু:খেকান্না কাটির দায় অশ্রুতেভিজে বুক ভাসলো পরে। আমিও সহযোগীতা করিউভয়ে মিলে গাড়ী দিয়েবোনটিকে এক ডাক্তারেরশরনাপন্ন করার পথ ধরি। চিকিৎসকের সাক্ষাৎ হলেযে ব্যবস্থা পত্র লিখে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *