জীবন সায়াহ্নে !

কতো ছিলো শক্তিশালী বীর
যাদের গায়ের জোর ঐশ্বর্যে
ঘর বাড়ি পাড়া পড়শী আর
সমাজের অধিক মানুষ যত
অত্যাচারে থাকতো অস্থির!

তর্জন গর্জনের কি যেন সুর
কাজে অকাজে কোন কারণ
ব্যতীত কতো সময় অসময়ে
যথায় তথায় সুশীল সমাজে
চলতো ওদের যত গণ্ডগোল!

খাম খেয়ালী ইচ্ছেমতো চলা
মানুষকে অত্যাচার কখনোই
এত অধিক করতো যে সন্ত্রস্ত
হয়ে ওদের আক্রমণের জন্য
অনেকের বন্ধ হত কথা বলা!

অবশেষে সব কিছু চলে যায়
গায়ের জোর সহায় সম্পদের
যতো বড়াই পর্যায়ক্রমে লোপ
পেয়ে ওদের জীবন সায়াহ্নেই
পরে কোনো উপায় নাহি পায়!

Similar Posts

  • ভীত সন্ত্রস্ত কতো !

    হে শক্তিশালী দাপট বান বীরতোমার মত আরো জগৎ হতেঅসংখ্য অগনিত কতো যেনোবিদায় নেয়ার মুহুর্তেও তাদেরসকল প্রকার গতি হয়েছে ধীর! পৃথিবীতেই গতিশীল শক্তি ধরযে বা যারা ছিলো কোন সময়কেহইতো চিরস্থায়ী থাকে নাইবাহাদুরি আরোও বীরত্ব থেমেকমেছে শক্তি এবং গলার স্বর ! ঐ বীরদের ভয়ে থাকত কতোসমাজেই বীরত্বপনা বাহাদুরিরপ্রভাবে নিরীহ এবং গরীব দু:খীঅসহায় শতো মানুষ ভীত আরসন্ত্রস্ত অবস্থায়ই…

  • অগ্নি শিখা

    শুষ্ক বালি ডাল – পালা ক্লান্ত চাতক মাখছে রোদতপ্ত বাতাস আগুন হাওয়া একটানা বিরক্তিবোধ। আগুনের শিখায় জ্বলে পুড়ে ছাই যখনি হয়ে যাইপ্রচুর বৃষ্টিতে শরীর ভিজিয়ে দিলে কত শান্তি পাই। উষ্ণতা যেনো বাসা বেঁধেছে সারাটা শরীর জুড়েভরা গ্রীষ্মে গলছি আমি প্রতিনিয়ত যাচ্ছি পুড়ে। তপ্ত গ্রীষ্মে কবিতাগুলোর হারিয়েছে যেনো সুরউষ্ণ বাতাস জানিয়ে গেলো বর্ষাটি অনেক দুর। গরম…

  • তাদের কতো সুর

    আজি হতে বছর আগেশুরু হয় মোর কবিতা ওContent লেখা খোদারকৃপায় যত আছে ভাগে। লিখেই যাচ্ছি অনবরতশিশু কিশোর ছোট বড়যুবক যুবতীদের প্রসঙ্গেপ্রতিদিন যতো অবিরত। ভালো খারাপ আর মন্দসুন্দর ও অসুন্দর কত কিঅসংখ্য উদ্দেশ্যেই লিখেথাকি আনন্দ বা নিরানন্দ। বাটপার যত ধোকাবাজচিটার আরো ধান্দাবাজতারাও গড়ে যায় সমাজথাকে বড় সুর আওয়াজ। নীরব সহজ আর সরলকথা বার্তা চলাফেরাতেকরে তারাই নমনীয়ভাবসহজে…

  • শীতের রাত

    ঋতু চলছে যখন শীতের , ছেঁড়া কাঁথা গায়ে গীতের।সুর লহরীতে মুখরিত মুখ,বুঝবেনা যেন আছে দুঃখ। ঢাকায় বাংলা একাডেমী,টান্ডার তীব্রতাও কমেনি।উদ্যানের দেয়ালের সাথে, কয়েক জন শীতের রাতে।সবাই আগুনের নেয় তাপ, পাশে নেই তাদের মা বাপ।নেশা দ্রব্য কেউ পান করে, অকালে ই তারা যায় মরে।অনেকেই থাকে ফুট পাথে, আলাপ হলে তাদের সাথে। জানা যায় আরো বেশ তত্ত্ব, যত কিছু বলছে হবে সত্য।

  • উচাটন !

    তোমার সুখ ও সাচ্ছন্দ্য কইসকাল দুপুর বিকেল সন্ধায়দল বেঁধে ছিল হৈ হৈ রৈ রৈ! হয়ে গেছে কতো বিষন্ন মনআনন্দ আর উল্লাসহীন তনপ্রাণে চলছে অধিক উচাটন! কখন কার ললাটে কি ঘটেকেবলমাত্র বিশ্ব নিয়ন্তা সবজানেন শেষে কি বা জোটে! ঐশ্বর্য বিত্তের যতো না বড়াইধ্বংস হতেও পারে ক্রমান্বয়েএজন্য করোনা চড়াই উৎরাই !

  • দুঃখ দিও না !

    সাথী তুমি কার মন্ত্রণা পেলেআবারো এখানে কেন এলে। প্রথম ফাগুনে যা নবীন বেশেধনীরে তো ভালোবেসে হেসে। যাদের আছে বেশ টাকাকড়িমেলায় যায় তারা তাড়াতাড়ি। গরিব দু:খীদের মাথায় বাড়িবাড়িতে বসেনা পাকের হাড়ি। ঘর বাড়িতেই যার খাবার নাইমেহমান আসে মেয়ের জামাই। যতো মেলা আছে করি মানাএভাবে তুই আর আসিছ না। গরিবদের আর দুঃখ দিছ নাজ্বালা যন্ত্রণা আর বাড়াছ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *