কবিতা

  • গরীব দুঃখী

    ভোরে দেখি এক ছেলে আদুল গায়ে,জুতা সেন্ডেল নেই তার কোন পায়ে।চোখে ও মুখে তার বিষন্নতার ছাপ ,মনে হলো হয়তো করেছে সে পাপ।বললাম কি হলো ?ছেলেটি তোমার!দেখালো সে ছিড়া , টুকরো জামার।পরে বললো যে তার, করুন ঘটনা!শুনে মনে হলো নয়তো ইহা রটনা।শুয়ে ছিলাম রাতে ঐ রাস্তার ধারে,সহসা দৌড় – ঝাপ এপারে ওপারে।জেগে দেখি মানুষের ই কোলাহল,বুঝে…

  • অপরূপ সৌন্দর্য

    প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ,মনোরমে নেই কোন ই বিরুপ।দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ,আমাদের এদেশ সুন্দর বেশ।চতুর্দিকে শুধু মোহনীয় সবুজ,মসজিদ মিনারে কতই গম্বুজ।পাহাড় পর্বত আর তরুলতা,একই রকম রঙ যেন যথাতথা।নেই লোভনীয় রুপের গৌরব,বিস্তৃত আছে ফুলের সৌরব।আমরা ভাগ্যবান যত স্বদেশী,মনোহরেই মুগ্ধ কতো বিদেশী।

  • মা জননী

    জন্মের পরেই মায়ের বুক,স্নেহ মমতার কিযে সুখ ।সোহাগ অনুরাগ করে কতই ,অসুখ অশান্তি থাকে যতই।স্নেহময়ী মা জননীর করুণা,সীমাহীন আনন্দ যার ধরেনা।আদর আহলাদ ভালো বাসা,সন্তানের প্রতি কত যে আশা।শৈশব বাল্য কৈশোর কাল,পেরিয়ে আসে যৌবন কাল।বিয়ে সাদী গড়ে মায়া জাল,অনেকেই সংসারে ধরে হাল।সন্তানের জীবন ধন্য হলে ,মা বাবার দুর্গতি যায় চলে।

  • কলরব

    রাত বাড়তেই হয় রাজধানী নীরব,মানুষের সংখ্যা কমে নেই কলরব।বিভিন্ন স্থানে শুধু দেখা যায় চোখে,ফুটপাতে আছে কতই কষ্টে দুঃখে।কেউবা একদম কোন বিছানা ছাড়া,অনেকের আছে আবার ছেঁড়া ফাড়া।গরীব দরিদ্র মানব হতভাগা যারা ,অগনিত আছে যে বসত ভিটা হারা।স্থান পেয়েছে অনেকে গাছের তলায়,বহুলোক শুয়েছে পরিত্যক্ত চালায়।দিনভর কাজ করে ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে ,সুখ আরাম ছাড়া , স্থান গেছে লয়ে।দালান…

  • চীর শত্রু

    অভ্যাসের দাস আমরা মানুষ,যদি মোদের না থাকে হুশ।আমাদের চীর শত্রু শয়তান,পথ ভ্রষ্ট করা তাদের ধ্যান।প্রতিনিয়ত কুমন্ত্রণাই দেয়,ছলনা কৌশলে ভূলিয়ে নেয়।কুসংগ সংশ্রবে থাকে যারা,খারাপ অভ্যাসে চলে তারা।কু অভ্যাসের পরিনাম মন্দ,তাদের মনে সদা নিরানন্দ।সৎ সংগে যাদের বাস,স্বর্গ পেতে তারাই পাশ।ভালো অভ্যাসের দাস যারা,জীবনে কল্যাণ পায় তারা।

  • ঈগল

    আকাশের রঙ কত নীল,জমিতে আছে খাল বিল।বিচরণ করে ঈগল পাখি,মহানন্দে শুর ধরে ডাকি।যত পাখি ঈগল ও বাজ,নিরীহ আক্রমণ ই কাজ ।তাদের শরীরে এত বল ,অন্য যেসব পাখিরা দুর্বল।দৃষ্টির তেজ যত না উজ্জ্বল ,প্রখরতা তত বেশী সমুজ্জ্বল।পাখি, খরগোশ ইঁদুর ধরে ,সাগর সমুদ্রের মাছ মারে ।

  • ঋতু বৈচিত্র

    গরমে লোকজন হতাশ,যদিবা না থাকে বাতাস।খাঁ খাঁ রোদে হাহাকার,মাঠ ঘাট যেন নিরাকার।উত্তপ্ত বালু রাশি পাথর,উত্তাপে লোকজন কাতর।বর্ষায় মোশল ধারে বৃষ্টি,চতুর্দিকে জলাশয় সৃষ্টি।চলাচলের হয় অসুবিধা,ছাতা ছড়া থাকেনা সুবিধা।শীতের আগমন যবে ঘটে,জামা পোশাক পরে বটে।কাঁথা কম্বল লেপের কদর,অনেকে পরে সুয়েটার চাদর।বয়ষ্ক দীন হীন গরীব যারা,বেশী কষ্টে থাকে শীতে তারা।শির শির শীতে কাপুনী ধরে,শীতের প্রকোপে অনেকে মরে।

  • কত যে স্নেহের ভাই বোন,তাদের শেষ হয় না গুণ।তারা এক রক্তের বাঁধন ,যা হয় না কখনো ছেদন।তুমি কেমন জানতে চাই ,হাসি মুখে যার উত্তর পাই।তাকিয়ে দেখি এক পলক,শরীরে কত খুশির জলক।চেহারায় মধুর হাসি তার ,দুঃখ কষ্ট লুকিয়ে রাখে যার।মনে থাকে না কোন কালিমা,অবয়বে দেখা যায় না ম্লানিমা।

  • চাঁদ তারা

     আকাশে  বিরাজমান  চাঁদ তারা ,   নিয়ম মাফিক তাদের চলাফেরা।   বাতাসের গতিবেগ হয় যদি শান্ত,  নদী  সাগরের পানি থাকে প্রশান্ত।  ঝড় তোফানের গতি হলে  প্রচন্ড, গাছ পালা ঘর বাড়ি করে লন্ডবন্ড।    সাগর মহা সাগর নদ নদীর  ঢেউ ,  দারে পাশে তখন যেন যায়না কেউ।  প্রতিনিয়ত হয় বিপদ সংকেত বাণী ,   উপকূল বাসী সহ সবে মোরা জানি।…