কবিতা

  • অন্ধকার জগৎ !

    নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে কতো চলে গেছেযাঁরা চিরকালের জন্যে ইহজগৎ হতেবিদায় নিছে কেউ তো জানেনা কোনঅবস্থায় কেমনে তারা সেখানে আছে! কবর হল যেথা পরকালের প্রথম ঘাঁটিযে ব্যক্তি ভালো আমল করবে আল্লারসঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য প্রস্তুতি নেবেকবর তার জন্য সুখ ও আনন্দের মাটি! খারাপ আমল করে গেলে কোন ব্যক্তিসে আল্লার নৈকট্যের ক্ষেত্রে ত্রুটি করেকবর তার জন্য ভীতি…

  • স্মৃতির পাতা

    কতোই অদ্ভুত মোদের জীবনযেথায় কেউ আসে কেউ যায়থাকে জীবনের পুরো অধ্যায়কেউবা থাকে স্মৃতির পাতায়। রাখেনি খসেও যাওয়া পালকপাখিরা তাদের বাসার ভেতরলোকেরা ভুল স্মৃতি গুলোকেবুকে রেখে বাড়ায় যত পুলক। মানুষ যখনি তারা হেঁটেও চলেস্মৃতির সরণি বেয়ে ভালোমন্দকতো কি যেন মনে পড়ে থাকেতখন হাসিয়ে বা কাঁদিয়ে তুলে। বিরক্ত করেই যদি কাউকে কবেখারাপ স্মৃতি নিজের সব ভালোস্মৃতির সাথে…

  • যুগান্তর

    মনীষীরা শোনাতে চেয়েছেন বাণীযুগ যুগ ধরে মানুষকে অভিজ্ঞতাপ্রকাশ করেছেন তাঁরা যে ছিলেনপৃথিবীর সর্বোচ্চ জ্ঞানী এবং গুনি। তাই নানাভাবে উদ্দীপ্ত হয়ে মানুষনিজের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতেসকলকে সময়ের যথাযথ মূল্যায়নশেষে চলতেই হবে করে যতো হুঁশ। সাফলতা অর্জন করা নয় অসম্ভবপৃথিবীতে বেশিরভাগ লোক নিজেজানেনা অন্তরে কি আছে লুকানোতার দ্বারা কত কি যে অর্জন সম্ভব। আরো যেথায় কতো কিছুর অভাবচেষ্টা…

  • ঘুরে আসি

    চলোনা ঘুরে আসি ভাইকতটি দিন চলে গেলোবাল্য বন্ধুটির দেখা নাই। সে কত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলসময়ের ব্যবধান আরোব্যস্ততায় সব চলে গেল। অনেক পূর্বে বিকেল বেলাউভয়ে চলা ফেরার রাস্তায়আনন্দে ভোগ করি মেলা। সেথা কত কেনাকাটা করিলোকের ভিড়ে মোরা তখনচলি একে অন্যের হাত ধরি। আনন্দ উল্লাসে সময় যায়রঙ বেরংগের খেলা দেখেঅন্তরটি কতো শান্তি পায় !

  • অবহেলা

    দু:খ দুর্ভোগের সংসার যারজ্বালা যন্ত্রণাতে কত ভোগেশতো কষ্টের জীবনটি তার। সকাল দুপুর বিকেল বেলাঅধিক পরিশ্রম করে আরকাজে কর্মে নেই অবহেলা। কখনোই করেনা হেলাফেলাআয়ের ধান্দায় রয় কিভাবেসে তাড়াবে অভাবের জ্বালা! কঠিন পরিশ্রমে অভ্যস্ত যারাসত্য আরো নিষ্ঠাবান হলে ইআল্লার দয়ায় সুখী হয় তারা! খোদার কৃপাতে কতো রহমতউপাসনা আরাধনায় লাভ হয়আর্থিক মানষিক সব বরকত!

  • ফুর্তির আমেজ

    কতো লোক চলে মাঠেআগে পিছেই ছুটে যায়অন্তরে ফুর্তির আমেজদর্শকবৃন্দ বসেছে তটে। খেলার পূর্বে ঘটনা ঘটেবেশী লোকের সমাগমেগোলমাল টেলাটেলিতেঝামেলা হয়ে যায় বটে। শিশুদের কান্না হয় শুরুযুবক কিশোর বয়ষ্ক যতচিৎকার করতে তারা রয়শিশুদের শান্তি দেন গুরু। পরিস্থিতি অনুকূলে আসেকত গ্যালারিতে যায় আরখেলোয়াড়রা অগ্রসর হয়েমাঠেতে প্রবেশ করে মিশে। খেলাটির শুরু হওয়ার পরেদর্শকবৃন্দ সকল বিমুগ্ধ হয়েনিরবে ও নিবৃত্তে ভোগ…

  • অবিরাম সাধনা

    তুমি যদি হাসাতে না পারোকখনো যেন কারেআপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকআনন্দ দিতে তারে। কেঁদে কষ্ট আরো দু:খ পেলেধরণীর কোন মানুষ ,দুর্ভোগ দুর্গতির মুক্তিতে তারচলতে হয় করে হুঁশ। কতো অবিরাম সাধনা করেসকলে রেহাই পেতে ,ঐকান্তিক প্রচেষ্টাতে থাকেউদ্ধার মিলেই যাতে। অনন্ত অসীম দয়াময় খোদামুক্তি চাই মোরা সদা ,ইবাদতে তাঁর রহমতের ফলেউদ্ধার পাবো সর্বদা !

  • বিরহের অশ্রু

    তোমারই বিরহ কষ্টের অশ্রুকত যেন গড়ায় চোখে ,সে কষ্ট আরো শত ভয়ংকরবুঝে যারা থাকে দু:খে! কখনো কেউ যদি পর দুঃখেনাহি হতে পারে সে দুঃখিত,সৃষ্টি কুলের শ্রেষ্ঠ জাতি নামকখনো যে না হওয়া উচিত। দুঃখ এড়াবার জন্যে যে আশামিটেনা অনেকের জীবনে ,ধৈর্যের যত বাঁধ না ভেঙে তারসহ্যের বল যেন পায় মনে! অসংখ্য অগনিত মানুষ ধরণীহতে চীর তরে…

  • শীতার্ত সকাল

    মুখ দেখে বুঝতে পারিনি কষ্টে ভরা মনসর্বদা কতো ফুর্তি আমোদ আনন্দ আরউল্লাসে হেসে খেলেই কেটে দেয় জীবন। চলার পথেও শীতের সকালে হল দেখাতার চাহনি আরো হতাশার করুন ছাপদেখে জিজ্ঞাস্যে কয় ভাগ্যের যত লেখা! সে এক হতভাগাও অনাথ এতিম ছেলেঅনেক ছোট কালে মা হারায়ে একমাত্রপিতার মায়া মহব্বতে তার জীবন চলে! আরোও কিছু দিন পরে পিতা যায়…

  • নীল আকাশের নীচে

    পাখিগুলো নীল আকাশে উড়ছে একা একাপৃথিবীতে পাইনি আজো আপন কারো দেখা। পৃথিবীর সকল স্বার্থপর কঠিন তাদের মনধরণীর বুকে কেউ আরো নেই তো আপন। হে আকাশ তুমি কতো নীল সমুদ্রের আবছায়াইচ্ছে করে তোমাকে ছুঁতে প্রজাপতির যা মায়া! অনেক বেশী যদি সৌন্দর্য খুঁজে পেতে চাওআকাশের দিকে তবে তুমি একবার তাকাও! সৌন্দর্য আরো আলো খুঁজে পাবে প্রচুর সেথাদেখতে…