কবিতা

  • কেঁদো না কবর পাশে দাঁড়িয়ে

    রোদন করো না আমার কবর পাশেই দাঁড়িয়েআমি এখনো কবরে কোনও না ঘুমিয়ে আছিবারন করি তোরা কান্না করোনা হাত ঝাড়িয়ে। আমি তীর বেগে ই ধেয়ে চলে যেন অযুত বায়ুএকটি চকমকি হিরা শিশির বিন্দুর বুকে জমেথাকা আছরে পড়া সুর্য পাকা ধানের যত আয়ু। কলরব সৃষ্টি করি ভোরেরই নিঝুমতা ভেঙে নেইতোমার প্রেরণা সদা যোগাই সকল কাজে আমিশান্তনার পাখী…

  • মনে রেখো

    আমি চলে গেলেই তুমি মনে রেখোসে চলে গেছে বহুদূরে নীরব দেশেতার আচরণে কষ্ট পেয়েও থাকলেক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে তাকে দেখো। আমায় তুমি রাখতে পারবে না যবেআমি অর্ধেক পথে যাওয়ার মতোইযদিও থাকি চলাফেরা ও আচরণেকষ্ট দিলে তো ক্ষমা করে দিও তবে। তাই স্মরণ রেখো তুমি আমার কথাশিশু কালে এক সাথে খেলা ধূলায়ব্যস্ত আর বিদ্যালয় থেকে এসে…

  • মহব্বত

    সময় আসবে যখনই আনন্দের সাথেআপনি নিজেকে আগমন অভিবাদনজানাবেন আপনার নিজের দরজায়আপনার নিজের আয়নার মধ্য হতে। একে অন্যকে স্বাগত জানিয়ে হাসবেকুশল বিনিময় শেষে ফুর্তি আমোদেআরোও আনন্দ উল্লাস করে খাবারদাবারের ব্যস্ততায় সবাই মগ্ন থাকবে। কতো যে ভালো বাসবে তুমি আবারঅপরিচিতকে যে তোমার স্বভাবেরইছিল সেই সংকুচতা ব্যতীত দ্ব্যর্থহীনকন্ঠে বলবে দাও মাংস রুটি খাবার। আপনার হৃদয় খানিও ফিরিয়ে দিনযে…

  • অতিষ্ঠ মানুষ

    প্রখর রোদের তাপে যত অতিষ্ঠ মানুষআরাম আয়েসের জন্যে ই খুঁজে ধূসরছায়া যেথায় টাই নিবে কিন্তু তাও যদিনাহি জোটে তবে তাদের থাকে না হুশ। মহান হৃদয়ের কাছেই যেন সে মনে হয়একজন প্রভূ ছাড়া আর কেউ তো নয়তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয় দাওনা তবেইঅমরত্ব যদিচ তোমার মধ্যে প্রভূত্ব রয়। হাসি মুখে তখন তোমার চাওয়াটা দিলেধনী পুরুষদের মতো চিন্তা…

  • মানুষ ক্রমে বৃদ্ধ হচ্ছে

    পর্যায় ক্রমে সব মানুষ বৃদ্ধ হচ্ছেবৃদ্ধ হওয়া রূপের গৌরব হারাতেচোখের দীপ্তি লোপও সৌন্দর্যেরজন্যতো পুষ্পস্তবক ত্যাগ করছেযাবতীয় সকল যে বিদায় নিচ্ছে ! আমাদের ই অনুভব করছে শক্তিএকের পর আরেক কমতে থাকেসুন্দর প্রস্ফুটিত পুষ্প গুলো একসময় ঝরে যায় আরো ধরণীতেইবিরাজমান সব কিছু হয় নিশক্তি ! এই যে কত আরো বিস্তৃত নাহি রয়যৌবনে মোরা যা স্বপ্ন দেখেছিলামতা হবেনা…

  • ঝটপট গ্রাস করে

    স্রোতে স্রোতে নদীর যত ঢেউহঠাৎ ওঠে জেগে তো ঝাপটেপড়ে কতো ভেজা ভেজা মাটিবালু কাঁকর পাথর সহ আরোসিমেন্টের শক্ত বাঁধেরই ওপরকিছু দিয়ে তাকে বেঁধে কেউ। আটকেতো রেখেছিল সকলেলাফিয়ে লাফিয়ে নেচে নেচেউল্লসিত উচ্চ স্বরে চারিদিকেপাড়ায় পাড়ায় অলি গলিতেঘরে আঙিনায় কামরায় আরবাগিচায় সর্বস্থানে ঢুকে পড়ে। কত ঝটপট গ্রাস করে ফেলেকোনো জিনিসই পায়না ছাড়াতার হাত হতে বাসন কোসনঅলঙ্কার কাপড়…

  • ভালো থেকো বাবা

    বাবা শুধু যেনো মানুষ আর একটি সম্পর্কের নাম নয়যাঁর মধ্যে জড়িয়ে বিশালত্বের যত মায়াবী প্রকাশ রয়। বাবা নামটা উচ্চারিত হলে শ্রদ্ধা কৃতজ্ঞতা কত জাগেযে কোনো সন্তানের হৃদয়ে আসে এর অনুভব আগে। বিকেলের বটগাছের ছায়ার চেয়ে বড়ো বাবার ছায়াসন্তানকে কষ্ট থেকে সামলে রাখেন দিয়ে মোহ মায়া! যাঁর বাবা নেই সে-ই বোঝে তার জন্য প্রয়োজন কতসে মাঝি…

  • মা বাবা হারা ছেলে

    দিনরাত কাটে রাজধানীর হাতির ঝিলেবিষণ্ন মনে আছে বসে মাবাবা হারা একছেলে বিকেলে কৃষ্ণচূড়া গাছের উপরেচোখ আটকে যায় উড়ন্ত কাক ও চিলে। গাছের ছায়ায়ও এক ঘুমন্ত শিশু ছিলমাছি কয়েকটা তার ঠোঁটে নাকে মুখেবারবার বসে উৎপাত করছে সে ঘুমেরমধ্যেই হাত ও পা নাড়া চাড়া করে নিল। শিশুটিও তাড়ানোর চেষ্টা করছে মাছিআরও কয়েকটি শিশু আশ পাশে ব্যস্তদৌড়ঝাঁপে কিন্তু…

  • রৌদ্র ছায়ার চিত্র

    হাজারো রঙ এক রঙে বাস করেহালকা গাঢ় মধ্যম স্বচ্ছ চকমকেঝলমলে আলোকোজ্জ্বল রেশমীসুরমাই নেকাব ঢাকা মিশেল ধরে। কানামাছি খেলা রৌদ্রছায়ার চিত্রঅনন্য হয়েই উড়তে থাকা অথবাজাহাজের গম্ভীর যেন নোঙর যারওপর দিয়ে ঢেউ বয়ে যায় বিচিত্র। তারপরও যার ওপর শান্তির ছায়াছেয়ে থাকে তার তলদেশে পাহাড়ীঝর্ণার গতি চঞ্চলতা অনুসন্ধানেরজ্বলন্ত শিখা কামনার উন্মত্ত মায়া। অসংখ্য তরঙ্গ ভিন্ন রকম ছোট বড়যখন…

  • অভিমানী তুমি

    স্নেহ আর আদর করতে হবে না আমাকেমাঝে মাঝে গভীর আবেগেও কোলাকুলিআরো আমার জন্য রাত জাগা পাখি হতেহবে না অন্যদের মত বারন করি তোমাকে। কতো ভাল লাগলো আজ সকাল বেলায়নির্মল নীল এই আকাশ অসহ্য সুন্দর যেনগুণীর কণ্ঠে অবাধ ও উন্মুক্ত দিগন্ত থেকেদিগন্তে আকাশের দিকের তো সূর্য হেলায়। চারদিক সবুজ পাহাড়ে আঁকা বাঁকা আছেকুয়াশায় ধোঁয়াটে মাঝখানেই চিল্কা…