কবিতা

  • হিজরি নববর্ষ

    সুখ সমৃদ্ধি নতুন বছরে হোক ভরাসবার জীবনে চলে আসুক আলোদুঃখ-কষ্ট দুর্ভোগ থাকুক দূরে সরা। মেঘের ঝড়ো হাওয়াতে ভেসে যায়বছর শেষে নতুন বছরের আগমননতুন আলোকিত স্বপ্ন নিয়ে আয়। নতুন বছর হোক সুখ-শান্তির দ্বারাঅজস্র অঢেল স্নেহের বন্ধনে আরসহানুভূতি পূর্ণ হউক অন্তরে সারা। আসছে কোন ভেলা খুশীতে ভেসেনব বর্ষের উপস্থিতি প্রকৃতির মাঝেতাই তো মন সেজেছে রঙিন বেশে। নিয়ে আসুক নববর্ষ…

  • কোলাহল

    কৌশোর বয়সী একটি ছেলেঅভাব অনটনে সংসার চলেপর্যাপ্ত খানা খাদ্য নাহি মিলে। দু:খ দুর্গতি সর্বদা লেগে যায়খাবার দাবার যোগাড়ের দায়হাটে যাবার বেলা সাথী পায়। গন্তব্য স্থানে উপস্থিতির পরেওরা দেখে একটি স্থান ঘিরেকত লোক যেথা ফুর্তি করে। বহু দূরের একটি গায়ক দলতাদের দেখতে কত জনবলদর্শকবৃব্দের ছিল কোলাহল। শেষে ঐ ছেলে কিনলো জামউপার্জন করতে বাড়িয়ে দামবিক্রির ভিড়ে চললো…

  • নিষ্কৃতি মিলে

    বিত্ত বৈভব ও খ্যাতি পরিপূর্ণ যাঁদেরসমাজের সকল স্থানে অধিক সুনামমান সম্মান ও ইজ্জত আছে তাঁদের। ব্যক্তি সমাজ গোষ্ঠী নির্দেশ মত চলেছোট বড়ো যুবক আবাল বৃদ্ধ বনিতাসর্ব স্তরে তাদেরকে দু:খে কষ্টে মিলে। অনাথ এতিম আর নি:স্ব আছে যারাযতো অভাব অনটন দুর্ভোগ ও কষ্টেসব সময় সাহায্য সহায়তা পায় তারা। আল্লাহ তায়ালার মেহেরবানীর ফলেপৃথিবীতে যত অসহায় নিরাশ্রয় আরঅন্ন…

  • হায়রে নিয়তি !

    হায়রে নিয়তির এমন খেলাপৃথিবীতে আছে কত লোকতাদের জীবনে যতো অভাবঅনটন সব সময় রয় খাবারদাবার জুটেনি অনেক বেলা! কার ভাগ্যে কি তা বুঝা দায়সৃষ্টি কুলের সেরা জীব কিন্তুপোশাক খাদ্য বাসস্থান এরমধ্যে কিছুই না থাকায় তারাপ্রতিনিয়তই কতো কষ্ট পায়! কত অভাব অনটন লেগে রয়সকাল থেকে শুরু করে প্রতিদিন দ্বারে দ্বারে ঘুরতেই থাকেযদিচ সহানুভূতির ফলে যতোমিলে সামান্য হলেও…

  • সর্ব শ্রেষ্ঠ

    সৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ জীব কতোঅনাদর অবহেলায় আছেরাস্তা ঘাট আর যথা তথায়জীবন যাপন করছে শতো। অনেক দু:খ কষ্টে সময় যায়খেয়ে না খেয়ে আবার কোনকোন দিন কারো সহানুভূতিপেয়ে যাহা কিছু খেতে পায়। তারা সাহায্যের প্রতিক্ষায় রয়কতো কাকুতি মিনতির পরেইকেহ সহানুভূতি স্বরূপ কখনোকিছু দান করলে যা খুশী হয়। চাওয়ার পরিমাণ অল্পই থাকেহৃদয়বান ব্যক্তিবর্গের সাহায্যসহানুভূতির মাধ্যমে সৃষ্টি কর্তাআল্লাহ তায়ালা বাঁচিয়ে…

  • জীবন্মৃত !

    চতুর্দিকে অথৈ জলদৈনন্দিন যতো নিত্যপ্রয়োজনীয় যা ছিলভেসেই গেলো গভীরপানিতে করে টলমল। কতো তলিয়েও যায়ভারী জিনিসপত্র সবচোখের নিমিষে ডুবেগেলে শেষে মানুষেরমনে যা অশান্তি পায়! পানির যা স্রোত ছিলশক্তিশালী স্রোতেরইটানে কতো কোলেরশিশু আর বয়ষ্কদেরজলে ভাসিয়ে নিলো! সকল তলিয়ে গেছেঅনেকের পরিবারেহয়তোবা দু’একজনব্যতীত অন্যান্য যতজলে ভাসিয়ে নিছে! জীবন্মৃত কত লোকসব হারায়ে যে বেঁচেআছে চোখে ও মুখেকেবল হতাশার চিহ্নঅন্তরে অসংখ্য…

  • জীর্ণ কুটির !

    আশে পাশেই কতো অসহায় লোকআমরা প্রতিদিন দেখতে পাই তৃপ্তিমত খাদ্য না পেয়ে যারা মানবেতরজীবন যাপন অতিক্রম করে যাচ্ছেতাদের মনে রয় শতো অশান্তি দু:খ। আরো কতো কিছুরই অভাব থাকেপরনের বস্ত্র মাথা গুজানোর ব্যবস্থাকোনোটাই তাদের সুষ্ঠু সঠিকভাবেনা থাকায় তারা ছিন্ন পোশাক পরেজীর্ণ কুটিরে মস্তকটি গুটায়ে রাখে। শ্রেষ্ঠ জাতি তারা আমাদেরই মতোসময়ের বিবর্তনে বা ভাগ্যের নির্মমপরিহাসে এহেন কঠিন…

  • বসুমতী

    বন্যায় কবলিত আছে যারাআল্লাহ পাকের কাছে মোরাসকলে দোয়া করি এ বিপদথেকে যেন উদ্ধার হয় তারা। আমাদের কর্তব্য হলো ভাইতাদের জন্য সাধ্যমত যতোসাহায্য করতে পারি সকলেআপ্রাণ প্রচেষ্টা করে ই যাই। সৃষ্টির সর্ব শ্রেষ্ঠ মানুষ মোরাঅন্যের দু:খ কষ্ট ও দুর্ভোগেসাহায্যের হাত বাড়ালে তবেপরিবর্তন হয়ে যাবে বসুন্ধরা। আমরা সব তো উন্নত জাতিসত্যনিষ্ঠ আর সঠিক রাস্তায়চলাচল করে সমাজে অর্জনকরতে…

  • প্রাঞ্জল হাসি

    প্রয়োজনে নিজেকে কঠোর করেসমালোচনাকে স্বাগত জানাবারসাহস রেখে চলাফেরা করো পরে। জীবন মানেই ব্যর্থতা আর হতাশাএজন্য মন মানসিকতা যতো পারশক্ত করো কাজে দূর হবে নিরাশা। নিজের প্রতি বিশ্বাস অগাধ রাখোযোগ্যতার ওপর ভরসা ও শক্তিতেবিনয়ী হয়ে পরিশ্রম করতে থাকো। তবে কখনোই অতিরিক্ত খরচ নয়সাশ্রয়ী হয়ে জীবন অতিক্রম যারাকরে সুখে শান্তিতে আজীবন রয়। আমরা অনেক সময় যাই যে…

  • বিকশিত

    পিতৃহীন বা অভিভাবকহীন অসহায়শিশুরাই মূলত অনাথ ইয়াতিম শিশুজ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত হওয়ার প্রাক্ষালেযারা পিতৃ স্নেহো হতে বঞ্চিত হয়েছেঅন্যের আদর ও যত্নো তাদের সহায়। অনাথ এতিমদের পুরো দায়িত্ব নিলেআর পরিশেষে তাদের প্রতি উদারতাদেখিয়ে আল্লাহর সন্তোষ্টি উপার্জনেরলক্ষ্যে দায়িত্ব পালন করে গেলে পরেইবাদতের মধ্যে শামিলের নেকি মিলে। ইয়াতিম মিসকিনদের প্রসঙ্গেই মিলেমহান আল্লাহর বাণী,” তুমি কি এমনলোক চিন যে দ্বীনকে অস্বীকার…