কবিতা

  • নীরব কান্না

    আমি তোমায় কতো যেনো স্নেহ করিঅন্তরের যতো আনন্দ থাকবো জারিআন্তরিক প্রিয় বন্ধু বলে রাখবো ধরি। তোমাকে আমার একমাত্র সাথী করেসারাটি জীবনই একান্তভাবে অন্তরেরযতো সুখ শান্তিতে চলবো হৃদয় ভরে। এক সাথে থাকবো বলে নিলাম মানিযেথায় থাকবে যতো স্মৃতি বিজড়িতমহব্বতে পরিপূর্ণ মোরা উভয়ে জানি। তবে আমি হব তোমার মনের আকাশঅন্তরের গভীরে লুকিয়ে থাকা বেদনানিরসনে থাকবো মৃদুমন্দ যত…

  • তুমি চীর মহান!

    কতো পশু পাখিই আছে তারা সবেঅসংখ্য আরো প্রহরে প্রহরে জাগেপ্রভাতে ব্যস্ত হয় কল কাকলি রবে। মানুষ হয়ে কেন তোর চেতন হলনাপরম প্রেমময় মেহেরবান সৃষ্টিকর্তাএমন দয়াল খোদার নামই নিলেনা। আকাশ ছাড়া দেখেনা রাত নিশিথেআমার কাঁদার ভেদের কথা আল্লাহছাড়া তো কেহো জানেনা পৃথিবীতে। ছন্দ লিপি কবিতা কাহিনী ও বাণীকারো কারো কাছে তা ইবাদততুল্যএ জন্য সৃষ্টি করেছেন সবাই…

  • রিপুর বশে চলে !

    আরবের লোকেরা নবি ও রাসুল এর শিক্ষা ভুলেমহানবি (স.)-এর আবির্ভাবের পূর্বে অসামাজিককার্যকলাপে লিপ্ত হয়েও রিপুর বশে জীবন চলে। আচার ব্যবহার চলা ফেরায় বর্বরতার উপমা রয়তাই বিরোধী কাজের জন্যে সে যুগকে আইয়্যামে জাহিলিয়্যাত বা অজ্ঞতার যুগ নামেতে ডাকা হয়। সামাজিক ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা রয় নি কোনোসুষ্ঠু ও সুন্দর ব্যবস্থা যেন কেমন করে হতে পারেএতে জানমাল ইজ্জতের…

  • শীতার্ত রাজপথ

    রাস্তার আনাচে কানাচে কত পড়ে থাকেখিদে নামক কোন এক দানবের কারণেঘুম নেই আর না খেয়ে সময় যায় ফাঁকে। কেউ বাস্তবে দেখেনি কখনোও সে দানবচলনা আজ দেখে আসি অন্য কিছু করেকেমন চলে ক্ষুধার জ্বালায় ওইসব মানব। আমরা একই সাথে আজ বের হয়ে আসিএকই রুটিন করা প্রতিটি দিনের কম্বলেরভিতর থেকে বেরিয়ে অবস্থা দেখতে মিশি। একদা শীতার্ত রাজ…

  • মনের বাগান

    পাতাগুলো কত সবুজ ছিলস্নেহের দিনগুলোতে আমরাদুজনার দুই গাছে ধীরে ধীরেআরোও বিবর্ণ রঙ ধরেছিল। তোমার মহব্বতের মত করেসবুজ সতেজ পাতাগুলোতেআমি বুঝি নি আগে স্নেহটুকুশেষে পর্যায়ক্রমে গেছে ঝরে। এখন পাতাগুলো বিবর্ণ নয়টুপ করে গাছের তলে ঝরেপড়েছে ঠিক তোর চেহারাটাআমার আখির আড়ালে রয়। গাছের ডালে যা নামবে বৃষ্টিআবার হয়ত মনের বাগানেফুল ফুটবে রঙিন স্বপ্ন নিয়েসবুজ পাতায় মন হবে…

  • বিনয়ের অবতার

    মনের মতোই বন্ধু যদি নাহি থাকো তুমিনিবিড় সম্পর্ক হৃদয়ের সাথে তাও জানি।রাত্রিগুলি মিশে গিয়ে স্তব্ধ করেই তোলেপরিপূর্ণ করে সকল দৃষ্টি অন্ধকার মিলে।কতো অন্তর শান্তি হয় আনন্দ মোহ ভরেশিরোনামেই নয় এসো পঙক্তির ভিতরে।বিনয়ের অবতারে তো তুমি চোখের মনিকতো যে তাল লয় ছন্দের সোনারি খনি।মোর মনপ্রান ভরে তোলে দারুন লেখায়একমাত্র নিরস বর্নহীনেও সাহস যোগায়।শতো লেখা নিয়েই যায়…

  • সুপারিশকারী

    রাসুল (স.) মানবতার শীর্ষে উপনীততোমার রূপে দূর হলো আঁধার যতো। সমারোহ সকল গুণেরই চরিত্র মহানবংশ ও তব উপরে হাজারো সালাম। কতো মহান যেন স্বভাব চরিত্র মধুরসব উম্মতের কাণ্ডারীও নবী বিভোর। রাসূলদের নেতা সব পথের দিশারীজিবরাইল আল্লাহর বিশ্বস্তে প্রসারি। সুপারিশকারী যা সৃষ্টলোকের যতোসরদারও পুনরুত্থান দিবসের ব্রতো। কেবলমাত্র হেদায়াতের ইমাম জানিসকলেই বিচার দিবসের নেতা মানি। ইঞ্জিলেতে ঘোষিত…

  • ক্ষণিকের জীবন

    সকলকে ভালবাসতে শিখবে যখনকল্যাণে কাজ করে যাবে জীবনেরপ্রান্তিলগ্নে গিয়ে ও দেখবে মানুষেরস্নেহের আকণ্ঠ ডুবে রয়েছো তখন। কতো বিচরণ করে সুখ শান্তি চেয়েবিশাল মহাজগতে মানুষ ক্ষণিকেরজীবন সুখময় করার জন্যে অত্যন্তকষ্টের পর সুখী হয় সফলতা পেয়ে। কতো উজ্জ্বল মুহূর্ত খুলে দেয় দ্বারআমাদের জীবনের সবচেয়ে যতোদুঃ সময়ের অন্ধকার যাতে কঠোরপরিশ্রম আর দু:খে সময় চলে যার। শতো যে মূল্যবান…

  • স্বরতন্ত্রি ছিঁড়েছি !

    তুষের আগুনে কবে থেকে জ্বলছিনিভে গেছি কতো জ্ব’লে জ্ব’লে তাদেখতে পাও নি তাই কষ্টেই বলছি! কবে থেকে যেনো দাঁড়িয়ে রয়েছিবাতি স্তম্ভের মতো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েপ্রতীক্ষারত অবস্থায় ভেঙে পড়েছি! আরোও অনেক সময় তো ডাকছিধৈর্য্য হারা হয়েছি ডাকতে ডাকতেঅন্তরের অজান্তে স্বরতন্ত্রি ছিঁড়েছি! স্নেহের দায় অকস্মাৎ বোবা হয়েছিবাক শক্তি হারিয়ে পাথরের মতোইকতো নিথর হয়ে এখন বসে গেছি! সেই কবে…

  • প্রেমময় খোদা

    সকাল থেকে বিকেল পর্যন্তনৌকা লঞ্চ জাহাজ স্টিমারসাইকেল রিকশা গাড়ী আরকত বাহনে যেখানে সেখানেভ্রমণ করে নাহি তার শুমার। কেউতো যাত্রা করে উপার্জনকরার জন্যে আর পড়াশোনাকরতে মসজিদ মাদ্রাসা স্কুলকলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সবারধান্দায় যত করে আনাগোনা। কতো যে উদ্দেশ্য নিয়ে যায়ব্যবসায়ী যাহা ব্যবসায় পায়আর চাকুরীজিবী যত আছেবেতন লাভ করে থাকে যেনসবাই তারা ভাল খাদ্য খায়। দিন শেষ হলেই বাড়ি…