কবিতা

  • কতো জিনিয়াস!

    যারা বিড়ালের ভয় দেখিয়ে বাচ্চাদের ঘুম পাড়ায়সিংহের সাথে লড়াই করা অনেক দূরেতে তাড়ায়। ডুবে যাওয়ার ভয়ে তারা সন্তানকে নামায় না জলেআটলান্টিক পাড়ি দিতেও পারবে না সে এর ফলে। আবেগ ও বিবেক দুটো পুরোপুরি জিনিস যে ভিন্নআবেগ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সকল স্বার্থ করে ছিন্ন। বিবেক মানুষকে শিখায় ভালো মন্দ বাছাই করতেমানুষ পারে বিবেকের জন্য কল্যাণের রাস্তা ধরতে।…

  • স্মরণীয় যতো !

    যে স্মৃতিগুলো জমিয়ে রাখিসুখের মনে করে সে গুলোইআমাদের আনন্দের হিসেবেখুব বেশি স্মরণ রয় কখনোএর ক্ষতি ভোগ করে থাকি! যারা মূলত ভাল বাসতে চায়তাদের ভাগ্যে আর কখনোইজুটে না সত্যিকারের কোনওভাল বাসা শেষে কেবল মাত্রসারা পৃথিবীর অবহেলা পায়! জীবনের শিক্ষাটা যত সেরাপ্রত্যেক মানুষের যত নিখুঁতসুষ্ঠু ও সঠিকভাবেই গ্রহণেরজন্যই কারো কাছে একবারঠকে যাওয়াও ভালো মোরা! পরিস্থিতির স্বীকার হতে হয় আর এতে…

  • অশান্তি দূরে যায় !

    আধারের পর আলো আসে কান্নার পর হাসিদুঃখের পরে সুখ আসে জীবন হয়ে যায় সুখী! শুন্যতায় ভরপুর আমাদের এ জগত সংসারদুঃখ সে তো শাশ্বত শূন্যের কতোই হাহাকার! ঝরে যাওয়া পাতা জানে স্মৃতির বাঁচার মানেঅন্যরা ঝরে যাবে সে মোটেই তা নাহি জানে! পরিস্থিতির স্বীকার হলে কতো কষ্ট পেতে হয়বাস্তবতা কতোই যে কঠিন অধিক স্মরণ রয়! চোখের দু’ফোটা জ্বল…

  • পাখির কলকাকলি !

    রোদ ঝলমল করে হাসবে যতদিনপাখির কলকাকলি গাছের পাতায়হাওয়ার দোলায় ঝির ঝির করেওশব্দ শুনবোই আরো অগনিত দিন। জীবনটা কেবলমাত্র তোমারই তরেতুমি কী হবে কী করবে অন্যরা এরব্যাপারে পরামর্শ দিবে কিন্তু তাদেরইচ্ছা চাপিয়ে যেনো দিতে না পারে! জানতে চাইবেই না ব্যর্থতার কারণকেন অথবা কার কারণে ই হয়েছেতুমি ব্যর্থ হলে তার যন্ত্রণা তোমাকেএকদম একাকী করতে হবে ধারণ। কখনো…

  • তোমার করুণাকামী !

    তোমাকে চিনতে করব না যেনো কখনো ভুলকারণ একমাত্র তুমি হলে আমার জীবনের ওপ্রথমে আসা স্নেহো মমতায় ফোটা পদ্ম ফুল! তুমি অন্ধকার ঘরের প্রদীপ শিখার ই আলোআমার কুশল মংগল ও কল্যাণ প্রার্থীই ছাড়াকিভাবে আমার জীবনে আমি থাকব ভালো! চাঁদের মিষ্টি আলো দূর আকাশে কতো দেখিআন্তরিক বন্ধু তুমি তোমায় কতো স্নেহ মায়াদিয়ে ভালো বাসি আলোকে এর সাক্ষী…

  • চড়াই উৎরাই !

    কেউ করোনা কোন বড়াইপৃথিবীতে কত লোক ছিলটিকে রয় নি চড়াই উৎরাই! কাহারও প্রচুর ছিল সম্পদসময়ের বিবর্তনে তার সবইগেছে থাকে নি তা নিরাপদ! আরো ছিলো যতো মহাবীরশক্তি ক্ষমতা কতো ই দাপটলোপ পেয়ে হয়ে গেল ধীর! ঐশ্বর্য বিত্ত আর ধন সম্পদযথাযথ ব্যবহার না করাতেকত লোকের হয়েছে বিপদ! আল্লাহ পাক অসীম রহমানতাঁর উপাসনা বন্দেগী করেইহ পরকালে পাব পরিত্রাণ!

  • কতো জঘন্য !

    শত্রু সৃষ্টি হয় দুনিয়াবি অথবা দ্বিনির দায়ফলে উভয়ের মধ্যে কেউ শান্তি নাহি পায়। কোনো অবস্থাতেই সীমা লঙ্ঘন যে না হয়লঙ্ঘন হলেতা খোদার অপছন্দ বর্ননা রয়। সীমা লঙ্ঘন করা কোন অবস্থাতে নয় ঠিকযার উল্লেখ রয়েছে কোরান করিমে সঠিক। কারো সঙ্গে কতো মনোমালিন্য হতে পারেযার সৃষ্টি হয় দ্বিনি বা দুনিয়াবি কারণ ধরে। সীমা লঙ্ঘন হলে বিপরীত হতেই…

  • কি বা আসে যায় ?

    তুমি কিন্তু নদীর ন্যায় একটি মাত্র কূলসৌন্দর্যে প্রস্ফুটিত শিউলি বকুল ফুল। সকাল বেলার রবি আর চাঁদের আলোদূর হয়ে যায় ঘোর অন্দকার ও কালো। পূর্ব আকাশের সূর্য কতোই দেয় আলোতোমার সাক্ষাৎ হলে মনে লাগে ভালো। আশাতেই বাঁধি বুক তোমার অপেক্ষায়আমায় নিয়ে ভাবলে কি বা আসে যায়। জীবন আমার ধন্য হয় বন্ধুর দেখা হলেসুখ প্রশান্তি আরো কতো…

  • হৈহৈ রৈরৈ !

    খোকা-খুকু সকলে জানে ছন্দমিলে মিশে করে কতো আনন্দ। ছোটদের থাকে যত মিলজোলসামান্যতে লাগে শত গণ্ডগোল। ঘুমের আগে বাবুদের থাকে হৈচৈখেলা ধুলায় আরোও করে রৈরৈ। খেলাতে তাদের যতো তাড়াহুড়াহেরে গেলে মন থাকে ছানাবড়া। দোলনা ও মায়ের কোলে শান্তিবঞ্চিত হলে তাদের রয় অশান্তি! শৃঙ্খলাতে সেনাপতি সোলজারমাথায় থাকেই বিষম গোল যার! কতো রোগে ভোগে বৃদ্ধ রামানন্দদূরে চলে যায়…

  • সুখ সমৃদ্ধি হয় !

    পরের ব্যথায় দু:খ যদি নাহি পাও কখনমানব কুলেতে জন্ম হবে অসারও তখন! জীবন অস্থায়ী কেউ টিকে নি চীর কালখোদার কাজ যত কর সুস্থ থাকতে হাল! হযরত আদম (আ.) মোদের পিতা আদিকখনো লোভ করেননিতো ক্ষমতার গদি! যত ওলি নবী আউলিয়ারা গেছেন চলেএকই বাক্য তাঁরাও সকলে গেছেন বলে! আল্লার পথে চলতে আদেশ করেন তাঁরাতাঁর হুকুম মেনে চললে…