হৈহৈ রৈরৈ !

খোকা-খুকু সকলে জানে ছন্দ
মিলে মিশে করে কতো আনন্দ।

ছোটদের থাকে যত মিলজোল
সামান্যতে লাগে শত গণ্ডগোল।

ঘুমের আগে বাবুদের থাকে হৈচৈ
খেলা ধুলায় আরোও করে রৈরৈ।

খেলাতে তাদের যতো তাড়াহুড়া
হেরে গেলে মন থাকে ছানাবড়া।

দোলনা ও মায়ের কোলে শান্তি
বঞ্চিত হলে তাদের রয় অশান্তি!

শৃঙ্খলাতে সেনাপতি সোলজার
মাথায় থাকেই বিষম গোল যার!

কতো রোগে ভোগে বৃদ্ধ রামানন্দ
দূরে চলে যায় তার ফুর্তি আনন্দ!

Similar Posts

  • জান্নাতের সোপান !

    বিধবা ও এতিমদের করো না অবহেলাঅভাবের ভয়ে তাদেরকে পরিবার এবংসমাজ থেকে ই আলাদা করে না দেখেকেউ যেন কখনো করোনা হেলা ফেলা! জান্নাতে যাওয়ার সোপান বানিয়ে দেনমহান আল্লাহ তাদের সাময়িক বিপদেরকারণে যারা পুনর্বাসনে সচেষ্ট হয় তারাঅফুরন্ত যা কল্যাণ উপার্জন করে নেন! যে ভরণ-পোষণের ব্যাপারে চেষ্টা করেবিধবা ও মিসকিনদের রাসুল(সা.)তারপ্রসংগে বলেছেন সে আল্লাহ তায়ালাররাস্তায় জিহাদকারীর মর্যাদা পাবে…

  • সীমাহীন ভয়

    সীমাহীন ভয় কখনো হয়বন্ধুত্বের রূপালী সম্পর্কওস্নেহের সোনালী বন্ধন সবশুকনো শাখার মত ফেটেফেটে ভেঙে যেন নাহি রয়। ঘুম হতে উঠে চোখ খুলবেকতো কথা বলা বলি হবেপক্ষে বিপক্ষে রসালো মৃদুতিক্ত কঠিন হাসি কান্না ওভালো মন্দ কতই দেখবে। হাত করবে কত যেন কাজআঙুল লিখবে দুনিয়ার যাহিসাব নিকাশ ঘটনা রটনাযুদ্ধ বিদ্রোহ লড়াইয়ের মতআয় ও উন্নতির কত সাজ। ফুলের মতই…

  • ভালো থেকো বাবা

    বাবা শুধু যেনো মানুষ আর একটি সম্পর্কের নাম নয়যাঁর মধ্যে জড়িয়ে বিশালত্বের যত মায়াবী প্রকাশ রয়। বাবা নামটা উচ্চারিত হলে শ্রদ্ধা কৃতজ্ঞতা কত জাগেযে কোনো সন্তানের হৃদয়ে আসে এর অনুভব আগে। বিকেলের বটগাছের ছায়ার চেয়ে বড়ো বাবার ছায়াসন্তানকে কষ্ট থেকে সামলে রাখেন দিয়ে মোহ মায়া! যাঁর বাবা নেই সে-ই বোঝে তার জন্য প্রয়োজন কতসে মাঝি…

  • আমাবস্যা

    আমাবস্যারা ঘনো কালো রাতেতাদেরও মনের দরোজা খোলেতখনো যতো ব্যাথারো পেয়ালাদুঃখ ও অশ্রুজলে লেগে থাকে। চিলে কোঠায় আমি একা থাকিসর্বস্থান হয়ে যায় একদম ফাঁকামধ্যরাতে ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দেওসময় চলে কত কি থাকে বাকী। টিক টিক করে যখন ঘড়ি চলেতখনতো আমি একা জেগে রইহারানো যতো স্মৃতিগুলি খোঁজেব্যর্থ হয়ে হিসাবেরই খাতা মেলে। শূন্যতা আমায় কুড়ে কুড়ে খায়অন্তরংগ একটা বন্ধু…

  • অগ্নি শিখা

    শুষ্ক বালি ডাল – পালা ক্লান্ত চাতক মাখছে রোদতপ্ত বাতাস আগুন হাওয়া একটানা বিরক্তিবোধ। আগুনের শিখায় জ্বলে পুড়ে ছাই যখনি হয়ে যাইপ্রচুর বৃষ্টিতে শরীর ভিজিয়ে দিলে কত শান্তি পাই। উষ্ণতা যেনো বাসা বেঁধেছে সারাটা শরীর জুড়েভরা গ্রীষ্মে গলছি আমি প্রতিনিয়ত যাচ্ছি পুড়ে। তপ্ত গ্রীষ্মে কবিতাগুলোর হারিয়েছে যেনো সুরউষ্ণ বাতাস জানিয়ে গেলো বর্ষাটি অনেক দুর। গরম…

  • আমার মা

    অনেক দিন প্রতিক্ষার পরেযেদিন এসেছিলাম এই ভবেশত কষ্টতে চোখ বুঝে দুখেঅসংখ্য গোলাপের যত হাসিফুটেছিল মোর মায়ের মুখে! স্বার্থক হয়েছিল মায়ের কষ্টআমি পৃথিবীতে আসার পরেপ্রথমেতো দেখি তোমার মুখযা দেখে আমি পাই সুখ তুমিআমার জান্নাত আমি কত তুষ্ট! শুধু ধু ধু করে না থাকলে তুমিজন্মের পর কেঁদে উঠি আমিআমার ভাষাই না বুঝেও তুমিকান্না থামাও করিয়ে দুগ্ধ পানতুমি…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *