কবিতা

  • জ্বরে থর থর !

    আমার নাতনিটির প্রচণ্ড জ্বরকতো যন্ত্রণাতে কাঁপে থর থর! ডাক্তারের কাছেও নিয়ে গেলেতার অধিক জ্বর ডাক্তার বলে! ঔষধ পথ্যও তখন আনা হলেরীতিমত সেবন যার নাহি চলে! নিয়ম মাফিক সেবন করে নাফলে দেহে শান্তি তো পায় না! জ্বরের সাথে সর্দি আর কাশিকষ্ট করছে দিবা আরো নিশি! অসুখে ভোগে তার স্বাস্থ্য হীনঅশান্তিতে চলছে ই রাত্র দিন! খেলা ধুলাতে…

  • অর্থের বড়াই !

    যে লোক করে অর্থের বড়াইকত আছে চলে তারে ডরাই! অহমিকায় থাকে কত চড়াইইজ্জত সম্মানও যায় ছাড়াই! কারো সাথে যদি সে বেড়ায়অহংকারও কতো যে ছড়ায়! সবাই জানি তা পতনের মূলশুরু হয়ে যায়ও কষ্টের শূল! সব হারায়ে সে করে হায় হায়অন্যের সহায়তা কম ই পায়! ঐশ্বর্য বিত্ত ও সম্পদের জোরকখনো চলে যায় কতোই দূর! আমরা আল্লাহর প্রসিদ্ধ…

  • সুরালো কথা !

    হৃদয়ে আমার কতোই ব্যথাছোট নাতনিটি কয়না কথা! অনেক ব্যস্ত সে যেনো থাকেআগ্রহী হই বুলি শুনি ফাঁকে! বাসার সবাই অপেক্ষায় রয়কতো সুরালো কথা যে কয়! মিষ্টি ও মধুর সুরের তার বাণীএকান্ত মনোযোগ দিয়ে শুনি! কথার ফাঁকে নাতনিটি কতোবাচন ভংগী আরো করে শতো! বাংলা ও ইংরেজি মিশ্রণ করেকথা বার্তায় যতো ই শুর ধরে! হাসির খোরাক যোগান দেয়অসুখ…

  • কে দিল মন্ত্রণা !

    তাকিয়েই আসমানের দিকেবলোতো সে কি আছে সুখেশতো দু:খ কষ্টে কেঁদেই মরিসে যেনো আমার পাশে নায়। বিধাতা আমাকে তুমি বলোকোথায় গেলেই তারে পাবোজ্বালা যন্ত্রনাগুলো আমাকে অন্তরের মধ্যে কত পোড়ায়। ভাবতে ভাবতেই তারে আমি চোখ বুঝে কতো জড়াই ধরিচোখ মেলেই তবে দেখি পরেসে বন্ধুটিই আমার বুকে নায়। অন্তরেতে যতো জ্বালা যন্ত্রণাজল দিলেও তা আর নিভেনাফুঁপে ও জোরে কতোই কাঁদিদূরে…

  • ফ্যাকাশে মুখ !

    আমি সন্ধ্যায় বাড়িরই বারান্দায় বসেএকদিন চিন্তা যা করেছিলাম শহরেরঅলি গলিতে অব্যাহত জীবন-সংগ্রামনিয়ে ওরা কতো ঘন বসতি ভাবে বাসকরে একে অন্যে সকলে মিলে মিশে ! হকারদের আরোও চিৎকার চেঁচামেচিপেয়েছিলাম যে শুনতে প্রত্যেকে হাঁকছাড়ছিল এরই মধ্যে দাঁড়িয়ে দৃষ্টিপাতকরে অনেক লোকের ভিড় শীঘ্র গিয়েদেখি সব বয়সের ছাড়াও আছে কচি! সেথায় যেন একটি শিশু উপস্থিত রয়একদম ঘেসে আমার কাছে…

  • স্বপ্ন আর অজুহাত

    স্বপ্নগুলো সত্যি করার পেছনে যদি ছুটে না চলেএখন থেকেই কেউ তা বাস্তবায়নের জন্যেও তবেএকদিন তাকে কাজ করতে হবে যেনো অন্যদেরঅধীনে তাদের স্বপ্নগুলোকেই সত্যি করার ছলে! সকলের স্বপ্ন আর তাদের মাঝে আছে অজুহাতপ্রতিবন্ধকতা মূল যে মুহূর্ত থেকেই অজুহাত বন্ধকরে কাজ শুরু করবে সে মুহূর্ত থেকে স্বপ্ন আরস্বপ্ন নয় সেটি বাস্তব রূপ নিতে কর দিনাতিপাত! অক্লান্ত শ্রমে…

  • প্রার্থনার বিকাশ !

    আল্লাহ নিষিদ্ধ করেছেন যে স্থানে থাকাসেখানে উপস্থিতি এবং যেখানে থাকতেআদেশ করেছেন সেখানে অনুপস্থিতিরবিষয়ে সাবধান করছেন নিজেকে রাখা! যে খারাপ কথা বলা থেকে বিরত থাকেমানুষের সম্পর্কে সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তাভুল প্রকাশ করবেন না কখনোই তারওতাই অন্যের পাপ প্রকাশ যেন বন্ধ রাখে! তাওহীদ হলো আল্লার একত্ববাদ প্রকাশসমস্ত দোয়া কান্নাকাটি সাহায্যে আবেদনসমস্ত আশা কল্যাণের আগমন ও সকলক্ষতি নিবারণের জন্যই প্রার্থনার…

  • স্বর্গের সাজ।

    অসত্যের ধনই কষ্টের মূল হয়ে দাঁড়ায়অস্থানে অসামাজিক কতোই আন্যায়েআরো অবিচারে এগিয়ে এসে অসংখ্যখরচ করে শান্তিকে ই সে দূরে তাড়ায়! জগতে সব চেয়ে বেশী ধন ঐশ্বর্য যারঅধিক ক্ষেত্রেই কত ক্ষমতা থাকে তারপ্রতিটি শাস্তিই সম্পূর্ণরূপে ন্যায়বিচারআল্লাহর কাছে পাবো সকলে সুবিচার! বিপদে পড়লেও সৎ লোক আবার উঠেঅসৎ পড়লে একেবারে তার ধ্বংস ঘটেযারা পৃথিবীতে করে যায় খোদার কাজআখেরাতেই পরিধান…

  • আশা নিয়ে চলো

    ভোরের মতো রং দেখা যায়আকাশে সূর্য ডোবার সময়ক্ষণিকের জন্য মানুষ আশাকরে কাল আবারও সকালহবে এ আশার সঞ্চার পায়। একটি বিশ্বাসই হলো আশাযা মানুষকে এমন অর্জনেরদিকে নিয়ে যায় আশা আরআত্মবিশ্বাস ছাড়া কিছুই যেঅসম্ভব যা সফলতার দিশা। লক্ষ্য অর্জনে বড় ক্ষেত্র শক্তিপৃথিবীতে আজ পর্যন্ত উন্নতিহয়েছে যতো বা যারা তাদেরশক্তি সবচেয়ে বেশী গুরুত্বেরঅবদান ইহাই হয় শ্রেষ্ঠ যুক্তি। আশা…

  • অপেক্ষা করো !

    যারা অপেক্ষা করে তারাই পায়কষ্ট সহিষ্ণু অধ্যবসায়ী সমাজেযতো লোক আছে সৃষ্টি কর্তারঅসীম দয়ার ফলেই মুক্তি পায়। যারা তাড়াহুড়া করে তারা ব্যর্থসময়ের কোন মূল্যায়ন করেনাশুধু পাই আর পাই কত যে খাইএ ধান্ধায় রয় লাভ হয় না স্বার্থ। মানুষ তার নিজের কাছে নির্ভুলকতো আছে মনের স্বাধীনতাতেজীবন যাপন করে ইচ্ছায় যতোধরে যার ফলশ্রুতিতে করে ভুল। ভুলকেও নির্ভুল ভেবে…