স্বপ্ন আর অজুহাত

স্বপ্নগুলো সত্যি করার পেছনে যদি ছুটে না চলে
এখন থেকেই কেউ তা বাস্তবায়নের জন্যেও তবে
একদিন তাকে কাজ করতে হবে যেনো অন্যদের
অধীনে তাদের স্বপ্নগুলোকেই সত্যি করার ছলে!

সকলের স্বপ্ন আর তাদের মাঝে আছে অজুহাত
প্রতিবন্ধকতা মূল যে মুহূর্ত থেকেই অজুহাত বন্ধ
করে কাজ শুরু করবে সে মুহূর্ত থেকে স্বপ্ন আর
স্বপ্ন নয় সেটি বাস্তব রূপ নিতে কর দিনাতিপাত!

অক্লান্ত শ্রমে যখন ব্যর্থতার তিক্ত স্বাদ পেতে হয়
লক্ষ্যের পেছনে তাতে দুঃখের কিছুই নেই কঠোর
পরিশ্রমের ভেতর দিয়ে হয়ে উঠে যতো শক্তিশালী
অভিজ্ঞ ও দক্ষ ইহাই তো সত্যিকারের বিজয় রয়!

মেধার ঘাটতি অনেকের মধ্যে তো থাকতে পারে
তোমার চেয়ে বেশি পরিশ্রম অন্য কেউ করবে তা
হতে দেওয়া যায় না-পরিশ্রম দিয়ে মেধার ঘাটতি
অবশ্যই পুষিয়েও নেওয়া যায় সম্পুর্ন রূপে সেরে!

একটা গল্প থাকতে পারে প্রত্যেকের জীবন চলার
অতীতে ফিরে গিয়ে গল্পের শুরু কখনো পরিবর্তন
করা সম্ভব নয় কিন্তু কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তো
গল্পের শেষ চেষ্টাতে করতে পারো সাজিয়ে তুলার!

Similar Posts

  • সংবরণ

    ধপ করে জ্বলে উঠে আগুন যেমন।খপ করে হয়ে পড়ে রাগও তেমন। না চাপিলে আগুন বিপদ বড় হয়। রাগ না থামিলে,জ্ঞান বুদ্ধি নাহি রয়। ধীর স্থির সিদ্ধান্ত, কল্যাণকর হয়। রাগান্বিত হয়ে নিলে বিপদযুক্ত হয়। ধৈর্যের ফল ভাল সর্বজনে কয়। উড়নচন্ডি হেঁয়ালিতে জুট ঝামেলা রয়।

  • স্রষ্টার সন্তোষ্টি

    আল্লাহর রাস্তায় ধন সম্পদ যারা ব্যয় করেএকটি বীজের মত তাদের উদাহরণ যা হতেশীষ সাতটি জন্মায় প্রত্যেকটি শীষে একশকরে রয় দানা দাতার মালও এমন হয় পরে। নিজের সম্পদ ব্যয় করে প্রকাশ করেনা যাঁরাআর সে অনুগ্রহের কথাটি গোপন রাখে এবংকষ্ট দেয় না তাদেরই জন্যে সৃষ্টি কর্তার কাছেপুরস্কার রয় এতে আশংকা যেন করেনা তাঁরা। আল্লাহর পথে খরচ ইনফাক…

  • যৌতুক কলঙ্ক !

    বাংলাদেশের জন্যে যৌতুক প্রথাকলঙ্ক উপমহাদেশে শুরু থেকেইযৌতুকের প্রচলন ছিল যথাতথা। ভারত মহাদেশ হতে এর প্রচলনমূলত: বাংলাদেশে চলে আসছেএর বিরুদ্ধেও হচ্ছে আনদোলন। শারীরিক মানসিক নির্যাতন চলেপুরুষদের যৌতুকের দাবিতে এরফলে নারীদেরই শান্তি নাহি মিলে। মোটা অংকের টাকাও দাবি করেপুরুষরা বিবাহের পূর্বে আর পরেযা চলছে গ্রাম ও শহরাঞ্চল ধরে। যদিচো যৌতুক দিতে অক্ষম হয়নারী কিংবা নারীর পরিবার তবেঅমানবিক…

  • মৌ মৌ গন্দ

    দূরের অতিথিরা সাজগুজ করে,নিমন্ত্রণে একত্রে এসেছেন পরে।সকলে মোরা এক সাথে বসলাম,অনেক স্বাদের কত কিছু খেলাম।সব কিছু আর লেখা যায়না ছন্দে,চতুর্দিক বিস্তৃত হল মৌ মৌ গন্দে।পানাহার করে কতই স্বাদ পেলাম,পরে আমরা গল্প গুজবে গেলাম।পাড়া পড়শী সহ কত লোক জন,বন্ধু বান্ধব আরো অনেক সু জন।জড়া-জড়ি ও কোলা-কুলি করে,আনন্দ খুশিতে অনুষ্ঠানটি ভরে।আতিথিয়-তায় সকল যে মশগুল,ছিলনা যেথায়ও অন্য শোরগোল।

  • হাসায় – কাঁদায় !

    আধুনিক যুগের মেশিন আছেসকল লোকের মায়েরই কাছেকেউরে হাসায় কেউরে কাঁদায়আর কলের পুতুল কলে নাচে! যেমন চুম্বকের ন্যায় আকর্ষণকতো পুরুষের ধন করে হরণকেউবা যে অকস্মাৎ হয় মরনশীত আর গরম করে নিয়ন্ত্রণ! খোদাপাক স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টিধারাএই দুনিয়াটাতে আসিল যারামায়ের গর্ভেতে সকলতো গড়াএতেও দ্বিমত নেই নিরব সাড়া! যার অন্তরে যত রয়েছে শান্তিআছে যে তার সঠিক ভাবমূর্তিচলেছে দূরে যেনো…

  • গরমের তীব্রতা !

    গরমের অতিরিক্ত তাপঘরে বাহিরে কত মানুষঅসহ্য যন্ত্রণাতে ভোগেঅনেকে আরো বলছেকি উষ্ণতা বাপরে বাপ! অস্বাভাবিক তেজ যারমাঠে ঘাটে ক্ষেতে আরখামারে দারুণ কষ্ট সহ্যকরে নির্ধারিত অবস্থানদখল করছে যার তার। দুর্ভোগের কতো জ্বালাপ্রখর রোদের তীব্রতায়মাথার ঘাম পায়ে ফেলেঅসহনীয় যাতনা ভোগকরছে কাজে নেই হেলা। অসহায় দিন মজুর যতঅসহনীয় দুর্গতি আরোব্যথা বেদনায় জর্জরিতহয়ে অনেক লোক কিন্তুশোকে দু:খে আছে শত!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *