• প্রাক্তন

    রাস্তা ঘাটে গরুর গাড়ি,জমি জমায় হাল।বর্ষায় চলে রংবেরঙের,ডিঙি নৌকার পাল।আগের যুগের মাটির কলস,মাটির কলসির জল।ঘরের শোভা রঙিন শিখা,কই যে গেল বল!শকুনদেরে যায় না দেখা ,বিরল দেখি কাক!রাতের বেলা শিয়ালদের,যথায় তথায় ডাক।পুরাতন শিল আর পাটা,কষ্টের ভাটা ঝাল।এখন নাই কাঠের ঢেঁকি,ঢেঁকির ছাঁটা চাল।প্রাচীন কালের পালকি চলার,নাই রে কোন সুর।ঠেলার গাড়ি হারিয়ে গেল,হায়রে! গেল যে কত দূর।না ঘুমিয়ে…

  • ঢল

    দূর্যোগ দূর্ভোগের এসে যায় বণ্যা,হায় হায় রব জুড়ে শুরু হল কান্না।দূর্গত দূর্গতির রোষানলে যারা,সহযোগীতার কেহ পায়নিগো তারা।মানব দানব আরো কত পশু-পাখি,অসংখ্য অগনিত ঢলে গেছে ভাষি।একই সাথে সকলের বিপদ এসে যায়,আল্লার মেহেরবানীতে শেষে রক্ষা পায়।

  • তফাৎ

    দেখতে সুঠাম দেহ,কথায় চমক মোহ।চলনে খাতির জমায়,কেইবা তারে থামায়।হউক সে গন্ড মূর্খ,কেহই জোড়েনা তর্ক।জোরে সুরে বুলি তার,যুক্তি তর্ক করলে মার।দাপটের বাহাদুরি যার,তাদের গর্জনই সার।বিজ্ঞ জ্ঞানী গুনি যারা,সসম্মানে চুপ থাকে তারা।মূর্খরা সমাজ করছে ধ্বংস,কোন উন্নতি করেনি বংশ।সুশিক্ষায় শিক্ষিত জন,অনুসরণে উন্নতি হয় মন ।

  • নশ্বর পৃথিবী

    আমরা মানব জাতি সাম্যের,চলতে পারিবনা বৈসম্যের।সাম্যের গাহি মোরা মিলে গান,নেইকো মোদের কোন পিছু টান।আমরা সৃষ্টির জীব সেরা,পৃথিবী জুড়ে আছে ঘেরা।নেই জাত ভেদাভেদ গোত্র,মিলেমিশে আছি হয়ে মিত্র।এ ধরায় কেহ আসেনিহয়ে চীরন্জীব,সীমিত সময় শেষ হলেইনিভে যাবে প্রদীপ।একান্তে মোরা সকলের তরে,জনহিতার্থে যাব কাজ করে।স্থায়ী হয়ে ওঠেনি কেউ বেড়ে,সব ই যেতে হবে ধরণী ছেড়ে।

  • বিদ্যার্জন

    বাল্যকালে রত যেই বিদ্যার সেবায়,চীর দিন সুখে সেই জীবন কাটায়।অবহেলা করি বিদ্যা নাহি শিখে যেই,মূর্খ হয়ে চীর দিন দূঃখ পায় সেই।তাই বলে শিশুগণ বিদ্যা শিক্ষা কর,আল্লাহ পাকের নাম নিয়ে জীবন গড়।

  • মূল্যায়ন

    মানবের দু:খ কষ্টে গলেনা যার মন,অন্যদের বিলায় না তার কোন ধন।হতে পারেন তিনি অসীম ধনবান,মূল্যবান সম্পদের অধিক যত্নবান।সহায় সম্পত্তির পাহারাদার মাত্র,অকাতরে হকদারদের দেও সর্বত্র।সম্পত্তি সকলের দেখে রাখতে হয়,এ জগতে কেহইতো চীর স্থায়ী নয়।সম্পদের কাফফারা করতে পরিশোধ,বিত্তবানদের কাছে থাকলো অনুরোধ।পৃথিবীর অনেক কিছুর মালিক নকল,বিদায়ের প্রাক্ষালে রেখে যাবেন সকল।

  • সমাদর

    জ্ঞানীদের মুখের সুন্দর উক্তি,মূর্খদেরকে যোগান দেয় শক্তি।পথহারাদের দিশারী আলোর,বিতাড়িত করে সব কালোর।দূর হয়ে যায় মনের কালিমা,উদ্ভূদ্ধ মনে শুরু করে তালিমা।আহরন হতে থাকে জ্ঞান গরিমা,উপকৃত লব্দজ্ঞানে গরীব ধনীরা।নিগৃহিত ছিল যারা সাধনায় উন্নত,অলস সকলই তারা সদা অবনত।উদ্ভূত পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষ্যে,একনিষ্ঠ কাজ কর সহায়তার পক্ষে।

  • তাপদাহ

    বইতেছে কত প্রখর রোদ,অতিরিক্ত গরমের ক্রোধ।প্রচণ্ড রোদের তীব্রতায়,তাপদাহের অতিষ্টতায়।রাস্তা – ঘাট মাঠ পথ প্রান্তর,খা খা রোদে হয় তেপান্তর।উত্তপ্ত বালুকনা ঝিলমিল,আলোয় হাসে খিলখিল।কুল কায়েনাত যত মাখলুকাত,কষ্টে কাটছে সবার দিনাতিপাত।আল্লাহ তুমি অশেষ মেহেরবান,তাপদাহ থেকে কর পরিত্রাণ।

  • শৈশব

    হাঁটি হাঁটি পা পা করে,কোথাও কিছু না ধরে।চলতে শিখেছি আমি,ফেলে যেওনা তুমি।পারবেনা যেতে একা,গেলে হতে পার বোকা।আমি কিন্তু বুঝতে পারি,করবনা মোরা মারামারি।চলবো হাতে ধরাধরি,করতে যাবনা জুরাজুরি।থাকবো করে গলাগলি,উড়াবোনা ধুলোবালি।একত্রে চলবে খাওয়া,থাকবেনা বেশী চাওয়া।মিলেমিশে মোরা পড়ব,সুন্দর জীবন গড়ব । তাপদাহবইতেছে কত প্রখর রোদ,অতিরিক্ত গরমের ক্রোধ।প্রচণ্ড রোদের তীব্রতায়,তাপদাহের অতিষ্টতায়।রাস্তা – ঘাট মাঠ পথ প্রান্তর,খা খা রোদে হয়…