অভিজ্ঞান

প্রকৃতিতে নেই- কোন ক্ষমা
কাঁদাবে কোনোও এক দিন
পরকে কাঁদায়ে হাসো কেন
বাজাবে প্রতিশোধেরি বীন।

বহু কিছু শেখা যেতে পারে
এই প্রকৃতিটির নিকট হতে
সব চেয়ে বড় শিক্ষক হলো
অদ্ভুত অজ্ঞো কাহিনী মতে ।

প্রকৃতি মোদের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক
এ পাঠশালায় অধ্যয়ন করে
সব সময়ে এক চোখ খোলা
রেখে চলে যেতে থেক পরে।

প্রকৃতিটার মাধ্যমেই আমরা
শেখার যাত্রা শুরু করি যদি
সে সুন্দরভাবে সব সমস্যার
সমাধান শিখাবে নিরোবধি।

এ যেনো একটি বড়ো ভাষা
তার বর্ণনার অভিজ্ঞান হলো
জীবনের অমূল্য অধ্যাত্মিক
এক অধ্যায় সৃষ্টি করে দিলো।

Similar Posts

  • রৌদ্র ছায়ার চিত্র

    হাজারো রঙ এক রঙে বাস করেহালকা গাঢ় মধ্যম স্বচ্ছ চকমকেঝলমলে আলোকোজ্জ্বল রেশমীসুরমাই নেকাব ঢাকা মিশেল ধরে। কানামাছি খেলা রৌদ্রছায়ার চিত্রঅনন্য হয়েই উড়তে থাকা অথবাজাহাজের গম্ভীর যেন নোঙর যারওপর দিয়ে ঢেউ বয়ে যায় বিচিত্র। তারপরও যার ওপর শান্তির ছায়াছেয়ে থাকে তার তলদেশে পাহাড়ীঝর্ণার গতি চঞ্চলতা অনুসন্ধানেরজ্বলন্ত শিখা কামনার উন্মত্ত মায়া। অসংখ্য তরঙ্গ ভিন্ন রকম ছোট বড়যখন…

  • ঘুরে আসি

    চলোনা ঘুরে আসি ভাইকতটি দিন চলে গেলোবাল্য বন্ধুটির দেখা নাই। সে কত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলসময়ের ব্যবধান আরোব্যস্ততায় সব চলে গেল। অনেক পূর্বে বিকেল বেলাউভয়ে চলা ফেরার রাস্তায়আনন্দে ভোগ করি মেলা। সেথা কত কেনাকাটা করিলোকের ভিড়ে মোরা তখনচলি একে অন্যের হাত ধরি। আনন্দ উল্লাসে সময় যায়রঙ বেরংগের খেলা দেখেঅন্তরটি কতো শান্তি পায় !

  • শান্তির তরে

    জগতে আরাম আনতে করতে হয় কষ্টসঠিক ভাবে না চললেই জীবন রয় নষ্ট।সকলের সুখের জন্যই মোরা পথ চলিআরাম আয়েশের তরে কত কিছু বলি।আমরা মানুষ যত সকল জাতিরই শ্রেষ্ঠখোদা তায়ালা যাহা দেন থাকো সন্তোষ্ট।আলসেমিতে যতো মানুষ সুখী নাহি হয়তাদের চলা ফেরায় কত দুঃখ কষ্ট রয়।এবাদত বন্দেগিতে অন্তর আরাম পায়এর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে কতই চায়।সৃষ্টি কর্তার করুনার ফলেই…

  • বিষণ্ণ মুহূর্ত

    কখনো রাত্রির ভিতরে এসেআরো যায় যদি রাত্রি মিশে। জেগে ওঠেই অন্ধকার থেকেআলোতে সমস্ত মুখটি দেখে। মুছে যায়তো মুখরতা তোমারএজন্য ভেসে যায় সব আমার। প্রতিটি মুহূর্ত যদি নিয়ে আসেবিষণ্ণ অতীত বিন্দু ভরে রসে। কথা যদি কখনোই থেমে যায়থামাটা যদি চোখের দৃষ্টি পায়। প্রত্যেক শরীর যতো কথা বলেমনের গভীরে কতো যেন চলে। রাতে রাত্রি মিশে যাওয়া ভালোঅন্ধকারেতে…

  • কোকিলের বাসা

    কাল বৈশাখী ঝড় হলো সবেমাত্র শেষ,কাটে নাই প্রচন্ড গরমের এখন ও রেশ।তরুলতা গাছ বৃক্ষ আছে যেথায় যত,ফুল ফুটে সৌরভ ছড়ায় যেন শত শত।জারুলের ডালে বসে কত যে দোয়েল,দূর থেকে ডাকছে অনেকটি কোয়েল।কৃষ্ণচূড়ায় শালিকের আরো কত দল,মিলেমিশে থাকে তাই আছে ওদের বল।শিমুল গাছ জুড়ে আছে কত যে ভ্রমর,সুযোগ পেলে মারে তারা শতই কামড়।কোথাও দেখি আমরা মৌমাছিদের…

  • কত দুর্বল

    জন্মের পরে প্রথমে ভূমিতে পড়েচিৎকার আরো কান্নাকাটি করে।শক্তি সামর্থহীন যে অনেক ছিলমায়ের সহায়তায় জীবনও পেল!অসুখ হলেও সে বলতে না পারেতীব্র যন্ত্রণা হলে কান্না যতই ধরে!একমাত্র সাহায্যকারী মা ই প্রধানজগতে টিকে থাকা তাঁর অবদান।খাদ্যের প্রয়োজনও বুঝতে পারেসোনামণি বলেই খাদ্য দেয় তারে।আদরের বাছাধনের কি যে মায়াস্নেহ মমতা দিয়ে করে তারে দয়া!শিশুর নিকট থেকে আড়াল হলেকখনো চিৎকার করে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *