আত্মা বিমূঢ় !

বর্তমান যুগে অনেক আপদ রয় গােপন
ঝঞা আহবান করে তার স্বভাব কোপন।

প্রাক্তন জাতির সভানুষ্ঠান রয় লক্ষ্যহীন
তরুণ জীবন সবুজ শাখা যে রস বিহীন।

প্রকাশ্য চমক মােদের আত্মাবিমূঢ় করে
বাজনা-যন্ত্রগুলো আমাদের বেসুর ধরে।

অন্তর থেকে বহ্নি প্রাচীন যত হরণ যার
অগ্নি-জ্যোতিঃ ‘লা-ইলাহা’র হারায় তার।

মানব জীবন-গঠন বিকল যবে মুহ্যমান
জাতির সত্তাও উত্তোলব করে শক্তিমান।

পিতার রাস্তায় চলাচল করো ঐক্য মত
অনুকরণ জাতির যতো শক্তি আর পথ।

হেমন্ত ঋতুতে দুর্ভাগা ফল ও পুষ্প-হারা
বসন্ত কালের আশায় তরু উচিত ছাড়া।

সিন্ধু হারিয়েই বেশী লোকসান বের কর
ক্ষীণ জল প্রবাহ সংকির্ণ নদী রক্ষা সার।

হয়তো পুনঃ শৈল-প্লাবন বহিবে জোরে
ঢেউ সমেত ঝড়ের মুখে ফেলবে তােরে।

তীক্ষ্ম-দৃষ্টি অন্তর যদি থাকেই অঙ্গে তব
ইস্রাঈল জাতির নিদর্শনেতে শিক্ষা নিব।

উষ্ণ ও শীতল বহমান কালের লক্ষ্য যত
সূক্ষ্মময় প্রাণের দুঃখই গভীর লক্ষ্য তত।

ধীর গতিতে রক্ত বহমান যে শিরায় যার
কত দেউলের পাষাণ রেখা ললাটে তার।

Similar Posts

  • মেহেদি রাঙা হাত

    কোরান-শ্লেট-আর হাতে চকখড়িনিয়েই পাটশালা ও মক্তবের পথেচলেছে শিশুরা চুলে বেনী বেঁধে ইকাঁচা আম পাড়তে কিশোরীরা যেদূরন্ত চড়ে গাছে পায়ে দিয়ে বেড়ি। মেহেদি রাঙা হাতে ই নকসি পিঠাখাঁজ কাটতে কাটতে যে যুবতীরাঘোমটার ফাঁকে চায় প্রণয় চোখেপ্রিয়তমার দিকে যে নারীরা লাছিসুতার পরিয়েছে চরকা ইয়া মোটা। আবর্জনা চিটাধান উড়ানোর কুলোবাতাসের বিপরিতেই ধরেছে ধানেরনকসি কাঁথা সেলাইয়েরও পেতেছেপাটি উঠানে সারি…

  • শান্তি যদি চাও

    ইহকাল পরকালে চাও শান্তি যদিসময়নিষ্ট ও কর্তব্য পরায়ণে চলেআল্লাহর উপাসনা করো নিরবধি। নেই কোন অবকাশ থেমে থাকারজীবন চলার পথে বাঁধা আসতেইপারে চেষ্টায় থাক সব দূরে রাখার। বাঁধা আসলেও আবার শুরু করোসত্যনিষ্ঠ ভাবে থাক আর আল্লাহতায়ালার রাস্তায় চলার পথ ধরো! কষ্ট বিনা সুখ লাভ করা শত কঠিনসময়ের মূল্যায়নে কাজ করো আরদিন যাপন করতে থাক করে রুটিন।…

  • ব্যাথার জ্বালা !

    কতো শতো লোক কষ্টে আছেকেহো জানে না তাদের ভাগ্যেকি বা যায় ঘটে আর সুখ শান্তিঅনেকের বেশ দূরে চলে গেছে! অনেকে ব্যাধি যাতনায় ভোগেদুর্বিষহ অবস্থা আর কত যেনব্যাথা যন্ত্রণার মধ্যে যত সময়অতিক্রম করছে কঠিন রোগে! কষ্ট সহ্য করে সবে চলতে হয়জীবনে যার যতো কিছুই ঘটেসব কিন্তু আল্লাহর আদেশেরফলে যা সকলের ললাটে রয়! সৃষ্টি কর্তা অসংখ্য মেহেরবানতাঁর…

  • গুরুজনকে মানো

    তোমাকে বলেছিলাম যেয়না এখনখুব তাড়াতাড়ি করে প্রস্তুতি নিয়ে ইবাইক দ্বারা যাত্রা তুমি করলে তখন! কতো আশ্চর্য তোমার সিদ্ধান্ত নেয়াআকাশে তো মেঘলা গুড় গুড় শব্দএকটু পরে আরম্ভ হলো বৃষ্টি দেয়া! পোষাক পরিচ্ছদ একে বারে ভিজেআরো জড়ো সড়ো হয়ে গেছো কতঠান্ডায় এখন তুমি ভোগছো নিজে! আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসের বৃষ্টির পানিশারিরীক অসুস্থতা যত অশান্তি সৃষ্টিকরে ও আনে…

  • হে বীর

    অধিক শক্তিশালী হে পূর্বের বীরএখন তোমার সব ই হয়েছে ধীর!কত দাপট আরো বাহাদুরি ছিলোএগুলো ও তোমার কোথায় গেল?ঔদ্ধত্য বীরত্বের ই কত ছিল ভাবলোকজন তোমাকে ডাকত সাব।সামাজিক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গেলেসাংস্কৃতিক যত বা খেলাধুলা হলেযেথায় উপস্তিত থাকতে মান ছিলসবইতো যা ছিল এগুলো কে নিল?বাহাদুরের বাহাদুরি স্থায়ী যেন নয়ধনীর সম্পদ কতো ক্ষনস্থায়ী হয়।গায়ের শক্তি সম্পত্তি আল্লার দানতিনিই রাখেন…

  • যতো সদাশয় !

    হে খোদা তায়ালা কত দয়াময়তোমার অসীম করুণার ফলেপৃথিবীতে অবস্থানকারী সকলবেঁচে আছে তুমি যত সদাশয়! অপার মহিমায় রেখেছ খাবারধরণীতে আগমনের পূর্ব থেকেসুবিন্যস্ত সুন্দরভাবে যেন খিদেঅবস্থায় কেহো রয় না আবার! অনন্ত অসীম গুনের নেই শেষসর্বস্তরের জীবের জন্যে কতোসুবিধা প্রস্তুত ও সংস্থান করেছসকলে ভোগছে কতো যে বেশ! খোদা পাক দয়া করছেন কতোঅসংখ্য অগনিত দয়াবান তাঁরইকৃপার ফলে অফুরন্ত সুখ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *