কাঁদালে

খুশিতে ভাসালে ও একটু কাঁদালে
সে আলোয় হাসালে বহু দিন পরে
বাজিয়ে বাঁশি কোন স্নেহে বাঁধালে।

জ্যোৎস্না হয়ে তুমি দাওনা যে ধরা
বাঁচবেনা কোন দিন তোমায় ছাড়া
কতো যেনো যন্ত্রণাতেও যায় মারা।

রাতের যত মনোরম চাঁদের আলো
সে স্তব্ধ সময়ের প্রকৃতিতে তেমনই
তোমার কথা লাগে অত্যন্ত ভালো।

তারার সকাশে তুমি যে চাঁদ অনন্যা
রাতের আকাশে আলোতে তোমার
আঁধার আলোকিত চারদিকে বন্যা।

হাসালে আলোয় আনন্দে ভাসালে
বহুদিন পরে আসি একটু কাঁদালে
প্রাণে বাজিয়ে বাঁশি স্নেহে বাঁধালে।

Similar Posts

  • সত্যের জয় হয়

    বহুল প্রচলিত প্রবাদও আছেসত্য মুক্তি দেয় ও মিথ্যা ধ্বংসকরে যেই ব্যক্তি মিথ্যার ওপরঅটল তার ভিত্তি এত নড়বড়েযে তা যে কোনোও সময় তারওপর পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সত্যের ওপর অটল থাকবে যেআল্লাহ সত্যবাদীর সঙ্গে থাকেনআর মিথ্যা বাদীর সঙ্গে শয়তানশেষ পর্যন্ত থাকে না শয়তানেরস্বভাব তো এটাই প্ররোচনা দিয়েবিপদের সময় কেটেই পড়ে সে। জান্নাতে যাবে নাতো নেশাখোরযতক্ষণ পর্যন্ত তওবা…

  • মধুর সমীরণ

    যতন করেও রেখেছো যেখানে এ মনসেখানে আমায় রেখো সারাটি জীবন। সারাক্ষণ তুমি ছাড়া অন্তরে থাকে ভয়মোর বুকের মাঝেতে নিরাপধ আশ্রয়। গাছের ডালে কোকিল বসে গান গায়হৃদয় মোর তার সাথে কত শান্তি পায়। মন মাতানো আজকের মধুর সমীরণেএসো বন্ধু এ লগনে থাকো জুড়ে মনে। সুখের সাথী তুমি যে আমার মনে রাগসুখ দু:খের আরো সমান সমান ভাগ।…

  • জাগো বীর শন্তানেরা !

    আকাশের সৌন্দর্যে রয় তাঁরা সারি সারিচাঁদ ও সূর্যে উজ্জ্বল হয় মোদের ঘরবাড়ি। মোদের বিধির রীতি নীতি কি করিব হায় ভালবাসি যত যারে সে যে ততো কাদাঁয়! বাস করে এ জগতে কতো সোনার তরুণনির্ধিধায় তারা অন্য দলকে করে যে খুন! নাদুস নুদুস রুপেরও সোনার নওজোয়ানঅল্প বয়সে বিড়ি সিগারেটে যা মারে টান! আদরে বিজড়িত আমাদের সোনার ছাত্রবই পুস্তক…

  • দৈন্যের নিগ্রহ !

    ধনী-গরিবের মাঝে একটা দূরত্ব তৈরি হয়পুঁজিপতিরা নিজের সঞ্চয়ের ভাণ্ডারকেইভারি করতে অধীনস্থদের ওপর অশালীনআচরণ শোষণ-নির্যাতন করতে কখনোইকরে না দ্বিধাবোধ যা সমাজে প্রচলন রয়। সম্পদ আহরণ যে কোনোও প্রকারে চায়একক মালিকানার একচেটিয়া প্রভাবেওপুঞ্জীভূতকরণ পুঁজিবাদীরা কোনো রকমএমন দৃষ্টি ভঙ্গির কারণে রাতারাতি তারাসম্পদের পাহাড় গড়ার যত সুযোগ পায়। সমাজের অন্যান্য মানুষ ফল ভোগ করেমানব গোষ্ঠীর বিশাল অংশকে সমাজেরঅর্থনৈতিক দৈন্য…

  • গ্রীষ্মের খরতাপ

    চোখ ধাঁধিয়ে দেয় রোদ ঝলমল,তাপে পুড়িয়ে পড়ে ঘাম টলমল।অসয্য গরমে জনপদ আর ঘাট,বেশী গরম আছে খেলারও মাঠ।গ্রীষ্মের খর তাপে অতিষ্ঠ লোক,গরমের উষ্মতার বেদনাও দুঃখ।একদিকে কঠিন তাপেরই জ্বালা,লোড শেডিংয়ের আরো কত খেলা।একটু পর পর যায় আসে বিদ্যুৎ,কে বলে কার কাছে তাদের দুঃখ।সকল স্থানে সর্বোচ্চ গরমের তাপ,মাঠে যত আছে বলে পাব কি মাফ।দীর্ঘ দিন পর্যন্ত খরতাপ কত…

  • স্বার্থে আত্মহারা

    গরীবের শোনে না কেউ দুঃখের কথানমুনা বুঝেছি যে অরণ্যে রোদন বৃথা। গরীব বাঁচার রাস্তা নেই কোন ব্যবস্থাসবও হারিয়ে চৌদিকে পড়েছে খাস্তা। মজা মারে সুবিধাবাদি যত ধনী যারাকেবল আছে ব্যক্তি স্বার্থে আত্মহারা। নিশাতে বিভোর গরিবের রক্ত খেয়েচলে শুধুই লোভ-লালসা বুকে নিয়ে। কত যেনো ভিড় জমায় শকুনের দলেকখনো মাংস খাওয়ার সুযোগ পেলে। আমরা ঘুরলাম কত না ধোকায়…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *