পরকালে মুক্তি !

দিন ও রজনী একাধারে
কাজ কর্মের ফাঁক দেখে
নিয়ম আরো সময় মতো
স্রষ্টাকে ডাক বারেবারে।

আল্লাহ ছাড়া উপায় নাই
তাঁর দয়াতে খাবার খাই
সুন্দরভাবে জীবন চালাই
উভয় জাহানে শান্তি পাই।

খোদা তায়ালা মেহেরবান
তিনি অসীম অনুগ্রহ করে
মোদের নাযাত করেন দান
সকলে গাই তাঁর গুনগান।

আমরা সবাই সৃষ্টির সেরা
উপাসনায় সময় নিষ্ঠ যারা
ইবাদত বন্দেগীতে ইহ আর
পরকালে মুক্তি পাবে তারা!

Similar Posts

  • বিজয় উৎসব

    খুব ভোরে উঠে প্রস্তুতি নিয়ে বের হয়ে চলেচলার পথে কতো বন্ধু বান্ধব পরিচিত আরঅপিরিচিত অনেকের সাথেই সাক্ষাৎ মিলে। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান সম্পাদনের লক্ষ্যেছোট বড় আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবাই খুশিতেসাজ সজ্জায় সজ্জিত হয় দেখা যায় সচক্ষে। সৃষ্টি হয় এক মনোরম আনন্দ ঘন পরিবেশপ্রতিটি জনগণের একমাত্র লক্ষ্য শুধু সবাইগন্তব্যে পৌঁছে অনুষ্ঠানের যা করবে উন্মেষ। শীতের প্রচুর ঠান্ডা…

  • বেশী হলে বিপদ

    বেশি কথায়ও বিপদ বেশিকম কথায়ই কাজ আদায়হলে কোন প্রয়োজন নেইঅতিরিক্ত বলে হতে দোষী। শুধু শুধু কথা বলে ই যায়বহু লোক থাকেন খারাপস্বভাব বৈ কিছু নয় কারণতারা মনে শান্তি নাহি পায়। একদিন জবাব দিতে হবেকথার যাহা মানুষের মনেকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়তাহা জিজ্ঞাসা করে নিবে! পরনিন্দা তো খারাপ স্বভাববাজে মানুষের লক্ষণ কোনমার্জিত ভদ্র মানুষ নিন্দা নাকরায় দিতে…

  • ভোরের শহর

    সাত সকালে বৃষ্টি হচ্ছে গুঁড়ি গুঁড়িথেমে থেমে কখনও অজর ধারায়এমন বয়েছে যেন নেই তার জুড়ি। প্রথম হতেই যেন ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টিদোকান পাঠ আর বাসাবাড়ি থেকেলোক জনে বাহিরে দিয়েছেন দৃষ্টি। আকাশে ঘন কালো মেঘেরা ভেসেবেড়াচ্ছে সিলেট শহরের নামাজীরাপাড়া মহল্লার মসজিদে চলে গেছে। আরাম প্রিয় সবে সুবিধা নেই ফাঁকেশহরের অধিকাংশই কত যেন আছেফজরের নামাজ পড়েও ঘুমে থাকে।…

  • অপার মায়া

    মাগো তুমি করলে মানুষআমার কণ্ঠে দিলি ভাষাতোমার সকল স্বপ্ন রেখেপ্রথম আলোতেই আসা। কান্নায় যত কাঁদতে শিখিআনন্দ উল্লাস করে হাসাযাঁর দয়াতেও অনন্তকালভরে অপার মায়ায় তাসা। সব স্থানেই রঙের ফানুসপিতল তামা যতো কাঁসাতুমি যে মোর অমূল্য ধনকতো সোনার খনি খাসা। আমার সমস্ত জনম ভরেমাগো দিও বাঁচার আশাজীবন ভর মাকে জানাইযত আন্তরিক ভালবাসা।

  • মানিক জ্বলে

    আমরা সব বাংলা মায়ের ছেলেআমাদের জীবন কত ধন্য হলোআর জন্ম বাংলা মায়ের কোলে। বাংলা মাতার মধুর মুখের হাসিপ্রাণের চেয়ে যতো ভালোবাসিমায়ের কোমল হাসিই পূর্ণ শশী। অসংখ্য রত্ন আর মানিক জ্বলেতুলনা মায়ের ধরণীতে না মিলেমা সুশোভিত ফলে আরো ফুলে। আরো তো গাছে গাছে মিষ্ট ফলমাঠে মাঠে ফলে সোনার ফসলকতো যেন আছে সুশীতল জল। পুকুর নদীনালা তো…

  • বাড়ির পথে যাত্রা

    কত দিন পরে যেন দেখা হল বন্ধুর সাথেকুশল বিনিময় হলো মিলিয়ে হাতে হাতে।ছাত্র জীবনে ছিলাম একে অন্যের সাথীপড়া লেখায় বিদ্যালয়ে ছিল প্রচুর খ্যাতি।শিক্ষক মহোদয়গণ কতযে স্নেহ করতেনব্ল্যাক বোর্ডে অনেক অংক যা লেখাতেন।হোম ওয়ার্কে ইংরেজি ২য়/ অংক দিতেনপরের দিন টিকই আদায়ও করে নিতেন।স্কুল ছুটির পর মোরা একত্রে বের হতামবাড়ি যাওয়ার পথে সব রওয়ানা দিতাম।সকল বাড়ি পৌঁছেই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *