ফুর্তির আমেজ

কতো লোক চলে মাঠে
আগে পিছেই ছুটে যায়
অন্তরে ফুর্তির আমেজ
দর্শকবৃন্দ বসেছে তটে।

খেলার পূর্বে ঘটনা ঘটে
বেশী লোকের সমাগমে
গোলমাল টেলাটেলিতে
ঝামেলা হয়ে যায় বটে।

শিশুদের কান্না হয় শুরু
যুবক কিশোর বয়ষ্ক যত
চিৎকার করতে তারা রয়
শিশুদের শান্তি দেন গুরু।

পরিস্থিতি অনুকূলে আসে
কত গ্যালারিতে যায় আর
খেলোয়াড়রা অগ্রসর হয়ে
মাঠেতে প্রবেশ করে মিশে।

খেলাটির শুরু হওয়ার পরে
দর্শকবৃন্দ সকল বিমুগ্ধ হয়ে
নিরবে ও নিবৃত্তে ভোগ করে
আর খুশীর সীমা নাহি ধরে।

Similar Posts

  • শুরগুল

    পাশের বাড়িরই কলিমতার বন্ধুর নাম ডালিম।সর্বদা যে একত্রে চলেসুখ দুঃখের কথা বলে।বিকেলেও মাঠে খেলেঅপুকে সে দেয় ফেলে।অপু তার খেলার সাথীকখনো হয় হাতাহাতি।নিমন্ত্রনে ও সকল যায়কত কিছু সেথায় খায়।দাওয়াত বিয়েরই ছিলবন্ধু বান্ধব কতই পেল।বিয়েতে অসীম শুরগুলমস্ত বড়ো আর হুলস্থুল।কেউ যে হাটাহাটি করেকেউবা সুন্দর গল্প ধরে।জামাই বাবু বসে আছেআত্নীয় বসেছেন পাশে।বিয়ের আসর যা গরমহৈ হুল্লোড়ের নাই শরম।মেহমানদের…

  • উদয়ন

    গ্রীষ্মের বিচ্ছেদ-জ্বালায় পুড়ছে মনদগ্ধ হচ্ছে মনন অনাথ সেই ছেলেরশুনলো পরে খুরের শব্দ উপত্যকারমাটির উপর ফিরে তাকাতে দেখতেপেলো তার ই দিকে এক অশ্বারোহীআসছে যেথা আর নাহি লোকজন। তার ভাব ও পোশাক আশাক দেখেমনে হচ্ছে যুবক বেশ অভিজাত ওচতুর কাছে পৌঁছে সে ঘোড়ার পীঠথেকে নেমে এগিয়ে এল মিষ্টি আরকোমল স্বরে সম্বোধন করলো এমনকরে কেউই সম্বোধন করেনি তাকে।…

  • দারিদ্র্য পীড়িত

    বাংলাদেশ দারিদ্র্য পীড়িত ,অপুষ্টি রোগে কত জড়িত।ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পরিচিত,শিশুরাই শীর্ষে আলোচিত।গরীবও দুঃখী অনেক হয়,যা মোটেই কাঙ্ক্ষিত নয়।বেড়ে চলেছে যে নগরায়ন,দ্রুত চলেছে তা বাস্তবায়ন।দুর্যোগে ও কাজের সন্ধান,শহরে করেছে যেন সংস্থান।গ্রামের যত যে এসে শহরে,সুবিধায় কত আছে বন্দরে।সত্যনিষ্ট ভাবে কাজে যারা,স্রষ্টার দয়ায় সুখ পায় তারা।

  • সীমাহীন ভয়

    সীমাহীন ভয় কখনো হয়বন্ধুত্বের রূপালী সম্পর্কওস্নেহের সোনালী বন্ধন সবশুকনো শাখার মত ফেটেফেটে ভেঙে যেন নাহি রয়। ঘুম হতে উঠে চোখ খুলবেকতো কথা বলা বলি হবেপক্ষে বিপক্ষে রসালো মৃদুতিক্ত কঠিন হাসি কান্না ওভালো মন্দ কতই দেখবে। হাত করবে কত যেন কাজআঙুল লিখবে দুনিয়ার যাহিসাব নিকাশ ঘটনা রটনাযুদ্ধ বিদ্রোহ লড়াইয়ের মতআয় ও উন্নতির কত সাজ। ফুলের মতই…

  • কেঁদো না কবর পাশে দাঁড়িয়ে

    রোদন করো না আমার কবর পাশেই দাঁড়িয়েআমি এখনো কবরে কোনও না ঘুমিয়ে আছিবারন করি তোরা কান্না করোনা হাত ঝাড়িয়ে। আমি তীর বেগে ই ধেয়ে চলে যেন অযুত বায়ুএকটি চকমকি হিরা শিশির বিন্দুর বুকে জমেথাকা আছরে পড়া সুর্য পাকা ধানের যত আয়ু। কলরব সৃষ্টি করি ভোরেরই নিঝুমতা ভেঙে নেইতোমার প্রেরণা সদা যোগাই সকল কাজে আমিশান্তনার পাখী…

  • লেলিহান শিখা !

    ফজরের নামাজ সম্পন্ন হলেকয়েকজন রাস্তাতে পায়চারিকরতে তখন তারা সব একত্রহয়েই যাত্রা আরম্ভ করে চলে। অদূরে দেখল জ্বলছে আগুনবাড়ি ঘরের কতো লোক জনআগুন নিভানোর জন্য আসেতখন বেড়ে যায় প্রায় দ্বিগুণ। সময় আরো যত এগিয়ে যায়বাতাসের গতির তালে তালেঅগ্নির লেলিহান বেড়ে গেলেউপস্থিত সবাই কত কষ্ট পায়। পরে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেঅত্যধিক পানি ছাড়ার জন্যেআগুনের আধিক্য কমে থাকেএতে সবার…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *