বিলুপ্ত !

বন জংগলের পশু -পাখি যতো
নির্যাতনের ভয়ে থাকতো কতো।

শক্তি বাহাদুরি চলে যেতে থাকে
অত্যাচারী সকলেই স্মরণ রাখে।

ঐ বীরদের অবস্থা কি যে হলো
সব বাহাদুরি লোপ পেয়ে গেল।

তর্জন গর্জনে কাপতো জংগল
তাদের এখন হয়েছে অমংগল।

বীরত্ব বাহাদুরিও স্থিতিশীল নয়
পর্যায়ক্রমে সব কিছুর ক্ষয় হয়।

গায়ের জোর শক্তি আর বড়াই
বিলুপ্ত হয়ে যায় চড়াই উৎরাই।

পৃথিবীতে যতো বাহাদুরের দল
ধ্বংস হয়েছে তাদের শক্তি বল।

বীরত্বের দাপট কতো যে ছিলো
সময়ের বিবর্তনে বিদায় নিলো।

Similar Posts

  • সঠিক মূল্যায়ন

    আমাদের দেশে কত বিচিত্র কিছু হয়প্রায় সব খ্যাতিমানদের একটা সময়পর কোন কারণে মাথায় তোলে লয়। মানুষ থেকে ক্রমে প্রথমেই মহামানবপরে দেবতাও বানিয়ে ফেলে তাঁদেরহয় ত পরিশেষে আরো বানায় দানব। হীনম্মন্যতায় দুর্বল বলে তারা ভোগেসেই হীনম্মন্যতা লুকোনোরও জন্যইদেবতার প্রয়োজনে সব তারা ত্যাগে। একটা সময় পর্যন্ত এ রকম যেন ছিলকেউ তা নিয়ে ত মাথা ঘামায় নি কিন্তুআজকের…

  • প্রস্থান !

    চীর স্মরণযোগ্য আজকের এ দিনসহকর্মী জনাব মোঃ মমিনুল হকের বিদায়ী অনুষ্ঠানে ছোট্ট এক কবিতাআমি আবৃত্তি করে যাব সরেজমিন! বিদায়ের ব্যথাতে চোখে আসে জলঅদ্যকার আমার বিদায়ী আন্তরিকসহকর্মীর সাথে অসংখ্য ও অগনিতকত দিন কাটলো সিলেটের কর্মস্থল! সুখ ও দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতামউভয়ের ব্যক্তিগত পারিবারিক আরো অফিসিয়ালি বিষয় পরস্পরের মধ্যে তাতে কতো যেন সহযোগিতা পেতাম! আগামীতে হয়তোবা দূরে…

  • নেই কোন হুশ

    কত যে আজব মানুষঅনেকের কাজ কর্মেনেই তাদের কোন হুশ। ভূল ভ্রান্তি এবং ত্রুটিসর্বদা করছেই তারাধরে একত্রে জুটি। পরিবর্তন হয়েছে আরতার সংখ্যা অসীম যেনতুলনা কোন নেই যার। যদি বলে জানোয়ারক্ষোভ দুঃখ এবং রাগেবেগে নিবেই তলোয়ার। সিংহ বললে খুশি হয়জয় আনন্দ গৌরবেফুর্তি কত করতে রয়। বাঘের বাচ্চা যদি বলেফলে কিযে মহা খুশিবীরদর্পে গর্বভরে চলে।

  • দেশ প্রেম

    কতো লোক নিজেকে সুখী ভাবেতারা জানে কারো কাছেতে কিছুপ্রত্যাশা করলে দু:খ বেড়েই রবে। জীবনে অশান্তি ও কষ্ট কতো মনেআল্লাহর উপর ভরসা রেখে শতোচেষ্টায় রয় সুখ কেমন করে আনে৷ প্রাপ্তি প্রত্যাশার পার্থক্য হল দুঃখনিজের প্রত্যাশাটা একটু কমিয়েফেললে উপস্থিত হয়ে থাকে সুখ। পকেটে ভর্তি কারো রয় যদি টাকাঅনেক কাজ কর্মের সুযোগ থাকেটাকা না থাকলে গুণীও হয় বোকা।…

  • বাতাসের পরশ !

    মনোমুগ্ধকর দুপুর আজ কত স্নিগ্ধজানালার পাশেতে দাড়িয়ে বাইরেরপরিবেশ ভোগ করে হলাম যত মুগ্ধ! বন্ধু হাত দুটিও দিয়েছিলো বাড়িয়েমেঘলা আকাশের দিকে ই তাকিয়েআনন্দঘন মুহূর্ত যায়নি সে ছাড়িয়ে! বৃষ্টির ফোঁটা পড়েছিল তার দু’ হাতেটিপটিপ করেই আমিও এসেছিলামভিজবো বলে ঐ বৃষ্টিতে এক সাথে! যদিও বা স্নিগ্ধ শীতের চাদর হতামআমার স্নেহাস্পদ মানুষটাকেই সবসময় বুকের মধ্যে জড়িয়ে রাখতাম! যদি খা…

  • অন্তর জ্বলে

    বড় নাতনীটি যাবে নানারবাড়ীসময় মত মামা আসবেন নিতেতাই ঘুম থেকে উঠে তাড়াতাড়ি। ঐ দিন কর্মস্থলে আমি ছিলামনাতনীটির যাত্রার প্রাক্ষালে যেহঠাৎ করে তার ফোন পেলাম। ফোন রিসিভের এক মূহুর্ত পরসালাম দিয়ে সে বলে দাদা ভাইমোরা যাচ্ছি শত খুশি ছিল স্বর। খোদা হাফিজ তখন বলি আমিছহি ছালামতে সবাই সেথা যাওপৌঁছেই কিন্তু ফোন দিবে তুমি ! আমার ছোট্রো…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *