বিশেষজ্ঞ

    

খোদা জগত সৃষ্টি করে
পৃথিবীর উপাদান সব
দিলেন তাদের পরে।

এই ধরণী বিচিত্র কত
প্রতিদিনই আবিষ্কার
হচ্ছে নতুন অনেক যত,

উদ্ভাবন যত যে তথ্য
হোক,কোরআনে তা
পুর্বেই প্রকাশিত সত্য।

রহস্যঘেরা প্রতি পাতা
হজম করেছেন নবী, যা
ধরেনাই অনেক খাতা।

তিনি কোরআন বিশেষজ্ঞ
মহামানব মুহাম্মদ সাঃ
সব বিষয়ে ছিলেন বিজ্ঞ।

Similar Posts

  • জ্যোতি

    জীবনের সব চেয়ে ছোট ছোট জিনিসমন দিয়ে সকলে উপভোগ করে গেলেযতো স্মৃতি অনেক সুন্দর হয়ে দাঁড়াবেআর উৎফুল্ল গর্বে মন ভরে যাবে চলে। মানুষ আসে আবার ফেরত চলেও যায়সেই আসা যাওয়ার মধ্যে সুখ দু:খ ভরেমহৎ কাজে সুনাম আর খারাপে দুর্নামেকত স্মৃতি বিজড়িত রয় জীবনের তরে। যখন খারাপ যত স্মৃতি সকলকে বিরক্তআর অপবাদ প্রকাশ করতেই শুরু করেতখন…

  • জলে ভেসে যায়

    কতো ভরা নদী দু”কুল ছেপেআজকে যেনো গেছে ক্ষেপে। ভাসায়ে নিয়ে যায় বাড়ি ঘরবেশী জলে হেরে আপন পর। বহু অতল তলে বানের জলেযায় না দেখা তার দুটি কূলে। জল-স্রোতে ভাঙে বসত বাড়িকত অজানা পথে দিল পাড়ি। তারা জমায় পাড়ি নিঃস্ব হয়েদু:খ ও কষ্ট বেড়ে জীবন বয়ে। উজান ভেঙে পলি গাঁয়ে জমেভূমি উর্বরতায় হাসে পরে দমে। আকাশ…

  • প্রতারক নিকৃষ্ট

    প্রতারক ব্যক্তি সমাজে নিকৃষ্ট চরমধোকা বা প্রতারণায় দুনিয়াতে আরপরকালেই রয়েছে তার ক্ষতি পরম! ধোকা দিতে তাদের নেই কোন শরমনির্বিচারে চালিয়ে যাচ্ছে ধান্দাবাজীচাল চলন কথা বার্তায় আরো গরম। সমাজের অবহেলিত করে না স্মরণতার কৃতকর্ম অবিশ্বাসের মূল কারণবিত্তশালী হলেও কেউ করেনা বরণ! মানসিক কলংকেরও পরিচায়ক হয়তার প্রতারণায় সবার বিশ্বাসী ত নয়আল্লাহ থেকেও কত দূরে সরেই রয়! মানুষের…

  • বিত্ত – বৈভব

    কতো দু:খ-কষ্টে পালন করেসন্তানদের সুন্দর ভাবেই গড়েতুলতে বিদ্যা শিক্ষা অর্জনেরলক্ষ্যে ভালো ছাত্র ছাত্রীরুপেগঠনে যত কষ্টের কাজ সারে। তাঁরা মাথার ঘর্ম পায়ে ফেলেসন্তানদের সুখ সমৃদ্ধির জন্যকতো মনঃকষ্ট বেদনা দুর্ভোগদুর্গতির ফলে দেহের চর্মটিওওঁদের যে মলিন করে তোলে। মাতা পিতা সর্বস্ব ওদের তরেমুক্তহস্তে বিলিয়ে দিতে পারেকখনো কোনভাবে সামান্যওকার্পণ্যের মনোভাব না রেখেউন্নতির লক্ষ্যেতে খরচ করে। স্নেহের বাছাধন তাঁদের যতোসুখ…

  • অমূল্য রতন

    শুধু সন্তানদের জন্য চিন্তা থাকে সদাএমন দরদি মা ও বাবা যাদের ছেড়েচির দিনের জন্যও চলে গেছেন তারাবোঝেন অমূল্য সম্পদ দিলেন খোদা! শখ আহলাদ তাঁদের প্রত্যাশা কতোস্বপ্ন স্বাদকে বিসর্জন দিয়েছেন তাঁরাকেবলমাত্র আমাদের জন্যে দিন রাতকিছু না খেয়ে আদর করেছেন শতো! যেদিন হতে পৃথিবী ছেড়ে গেলেন চলেসেদিন থেকে মনে হয় কী যেনো হেরেগেল বুকটা হঠাৎ কেঁপেই ওঠে…

  • সুর লহরী

    গুন গুন শুরে গান গেয়ে যায়অংগভংগী সুরের তালে তালেহেলে দুলে মনে যা শান্তি পায়। সুর লহরী মনোহর যেন কতোঅস্পষ্ট হলেও ভংগিমায় বুঝাযায় তাহা মনোমুগ্ধকর শতো। একটু পরে তাকে দেখা গেলোতার বন্ধু বান্ধবদের সাথে একবস্তিতে গিয়ে সে মিলিত হলো। সবে মিলে জুরে সুরে করে শুরুগানে গানেই চমৎকার পরিবেশসৃষ্টি করে নির্দেশনায় ছিল গুরু। বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে চলছিল গাননৃত্যের…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *