অফুরন্ত দয়া

পথিক ছুটে চলছে বেগে কতো
অবিরত তার চলার গতি যেথা
নেই কোনো বাধা বিপত্তি শতো
রাস্তা ঘাট পেরিয়ে যাচ্ছে যতো।

হঠাৎ করে চলার গতিটি থেমে
চতুর্দিক থেকে তাকে আক্রমণ
করতে ঘিরেই ফেলে উপায়ন্তর
না দেখে তবে জলে যায় নেমে।

কতো চিৎকার করে তারা বলে
আজ আর কোনোও রক্ষা নেই
আরো কয়েক জন সংগী এসে
তৎক্ষনাৎ তাদের সাথেই মিলে।

শত অনুনয় বিনয় করতে থাকে
আরো বলে কি হয়েছে আমিতো
কখনো কোনো অপরাধ করিনি
এর পরেও ক্ষমা করো আমাকে।

দু’জন লোক উপস্থিত হয়ে গেল
ঐ পথিকের অন্তরে সাহস পেল
তারা দু’জন তাদের ভাষ্যও নিল
পরক্ষণে সব মিমাংসা করে দিল।

বিপদগ্রস্থের জন্যে আল্লাহ সহায়
তাঁর সাহায্য অফুরন্ত থাকে কেউ
যদি কখনো নিরুপায় হয়ে ডাকে
সৃষ্টিকর্তা দেন তবে মুক্তির উপায়!

Similar Posts

  • নির্যাতন

    সেদিন দেখিলাম যে রেলেগরীব বলে একজন ছেলেলাট বাহাদুর সাহেব তারেআচমকা তখন জোর করেনিচে তাকে দিলেন ফেলে!খুব কষ্টে চোখ দুটি দিয়েএসে গেল যেন তার জলএ রকম করেই সর্বদা কি?খোদার পৃথিবীটাতে ভরেমার খেয়ে যাবে যত দুর্বল!সবলদের নির্মম অত্যাচারেনিপিড়ন নির্যাতন অনাচারেঅসহায় দুঃখী সব নির্বিচারেপরিত্রাণ পাচ্ছে না সুবিচারে।

  • আশরাফুল মাখলুকাত

    দয়াময় সৃষ্টিকর্তা আমাদের যিনি,রহমান ও রহিম সকলের ই তিনি।আল্লাহ তায়ালা আমাদের তো রব,তাঁর কৃপার ফলে বেচে আছি সব।আমরা খোদারই শ্রেষ্ঠ যত জাতি,চেষ্টা করতে হবে রাখতেও খ্যাতি।আমাদের তিনি দিয়েছেন যে প্রাণ,ইমান আমলে সবে পাব কত ত্রাণ।আমল আখলাকও যাদের ভালো,সর্বদা তারাই জেলেছেন যে আলো।আশরাফুল মাখলুকাত যত মানব,পথ ভ্রষ্ট করতে আছে দেও দানব।প্রকৃত আমলদার যারাই ইহকালে,নেক আমলে শান্তি…

  • পাগলের খেলা

    একদিন দুপুর বেলাদেখি পাগলের খেলা।পাথরে পাথরে ঘষেদৌড়ে লাফায় বসে।কখনো হয় বিভোরপাশে কয়েক কুকুর।পাগলা কি যেন খায়কুকুর ভিড় জমায়।ওদেরকে কত দেয়নিজের মুখেও নেয়।ছিড়া ব্যাগ যত ঝাড়েওরা লেজ তত নাড়ে।কুকুরগুলো এত ভক্ততাদের চোখ ও শিক্ত।লাঠিটি হাতে উঠায়কুকুর লেজ গুটায়।খাবার লয় কুড়িয়েকুকুর দেয় তাড়িয়ে।এভাবেই চলতে রয়ওরা তার তাড়া শয়।সে কাছে নেয় ডেকেআসে যে ওরা হেঁকে।কখনো কুলে তুলেমাথায় হাত…

  • এবারের ঈদ

    এবারের ঈদ উল আযহা ভিন্ন ছিলসমস্ত রাত অবধি বিরতিহীন অঝরধারায় ঝরো ঝরো একটানা বৃষ্টিতেগ্রামে গঞ্জে শহরে পানি লোকালয়েঢুকে অসংখ্য সুখ শান্তি কেড়ে নিল। ঈদের সকালের পানি চলাচল দৃশ্যপুকুর ডুবাঝিল খালবিল নদীনালাচতুর্দিকে থৈথৈ ছিলো কেবল পানিআরো পানি এরি মধ্যে পোষা প্রাণীশ্রোতের জন্য মূহুর্তে হয় যা অদৃশ্য। বাসা হতে বের হয়ে মসজিদে যেতেপাড়ার রাস্তার যতো বৃষ্টির পানি…

  • যার জ্বালা সে ই জানে

    অসংখ্য মানুষ তাদের নিজ যন্ত্রণায় ভোগেকেউ সাময়িক অনেকেও ভোগে যুগে যুগে!শারীরিক অসুস্থ অসংখ্য ও অগনিত লোকতাদের রয়েছে অসহনীয় কষ্ট আরো দুঃখ!রোগ শুকের অশান্তিও জ্বালাতন সহ্য করেওদের অসুখের তীব্র যন্ত্রণার সীমা না ধরে!সীমাহীন অসুখ বিসুখ আরো দুর্দশা যাদেরশরীর অশান্তি এবং দুর্বিষহ অবস্থা তাদের!মানষিক ব্যাধিতে আরোও জর্জরিত যারাবিকারগ্রস্ত অস্বাভাবিক ভাবেই চলে তারা!ওদের আচার আচরণেই রয় ব্যতিক্রম যতঅনুভূতি…

  • ভালো থেকো

    কি গভীর সম্পর্ক ছিলোএখন ঐসব কই গেলো। চলা চলেও ছিলাম উভয়দিন রজনী কাটত নির্ভয়। নিবিড় সম্পর্কের ফলেকতো দিন এভাবে চলে। সম্পর্কের অবনতি হলোসুখ প্রশান্তি দূরে গেলো। ভেঙে দিলো আমার মনএকত্রে থাকতাম দু’জন। বর্তমানে শুধু একা থাকিনিজেরে আয়নায় দেখি। খুলে দেখি উভয় চোখপ্রকাশ করে যতো দু:খ। রক্ত জমে হয়েছে কালোতবুও তুমি থাকো ভালো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *