আকাঙ্খা

জীবন অল্প দুশ্চিন্তা দিবে
যদিচ এর থেকে প্রত্যাশা
কম করতে পারো তাহলে
দু:খ কষ্ট শতো দূরে নিবে।

প্রত্যাশা করার চেয়ে ভাল
কোনো কিছু ঘটার জন্যে
চমৎকৃত হয়ে যাওয়া এতে
দুঃখ গিয়ে জ্বলবে আলো।

ভরসা পুরোদমে কমে যায়
যখন জনৈক একুশ বছরে
উপনীত হলো তারপর হতে
সবই কিন্তু উপরিলাভ পায়।

প্রত্যয় প্রাপ্তির পার্থক্য দুঃখ
এজন্যেই নিজের আকাঙ্খা
একটু কমিয়ে নিলে দেখবেন
দুঃখ চলে গিয়ে আসবে সুখ।

Similar Posts

  • অবুঝ মন !

    সুবাসিত হাজারো ফুলেরি মালায়রেখেছি সাজিয়ে মোর অবুঝ মনকাছে আসো যদি তবে ই তোমারসাথে সাজাবো এক সুন্দর জীবন। আমাদের চোখ ভরা থাকবে স্বপ্নরইবে আরো যত বুক ভরা আশাতৈরী করবো তুমি এলে পৃথিবীরসেরা অকৃত্রিম একটি ভালবাসা। জীবনের জন্য আরো রঙিন স্বপ্নশিল্পীরও শতো কষ্টের রঙের ছবিচাঁদের আলো তুমি যেনো আমারসকাল বেলার আকাশেরও রবি। জলে ভরপুর গভীর নদীর মাঝেতুমিতো…

  • পরিত্রাণ

    অবিরাম বৃষ্টির জল,মাট ঘাট হয়েছে তল।গাছ পালা তরুলতা ,ভেসে গেছে যথাতথা।পশু-পাখির ভেঙ্গে আবাসন,হলো তারা সহ নির্বাসন।অথই পানির স্রোতের জুর,চুরমার হলো নদীর কূল।হিংস্র পশু বনের বীর ,তাদের গতি হয়েছে ধীর।সর্বত্রই জীবন মরণ খেলা,কাহারো নেই, কোন অবহেলা।বিপদ সংকুল পরিবেশ,অসংখ্য প্রাণীর নিঃশেষ।শ্রষ্টার কাছে জিবীত প্রাণ,কায়মনে প্রার্থনায় হবে ত্রাণ।

  • শুধু তুমি এলে না !

    হে অন্তরঙ্গ বন্ধু আগামী দিন এসোপ্রাক্তন পরিচিতদের সঙ্গেও মিশো! অনেক কথা ছিল তবু বলা হলো নাকতো বন্ধু বান্ধব এল তুমি এলে না! তোকে খুঁজেছি যতই না পেয়ে দেখাএতো লোক কেনো তবু আজ একা! রাস্তার ঠিকানা নাকি খুঁজে পেলে নাসকল এসেছে কেবল তুমি এলে না! যে ই আসে তাকে তো রাখা যাবে নামরীচিকা দূরে তাকে কাছে…

  • কতো জঘন্য !

    শত্রু সৃষ্টি হয় দুনিয়াবি অথবা দ্বিনির দায়ফলে উভয়ের মধ্যে কেউ শান্তি নাহি পায়। কোনো অবস্থাতেই সীমা লঙ্ঘন যে না হয়লঙ্ঘন হলেতা খোদার অপছন্দ বর্ননা রয়। সীমা লঙ্ঘন করা কোন অবস্থাতে নয় ঠিকযার উল্লেখ রয়েছে কোরান করিমে সঠিক। কারো সঙ্গে কতো মনোমালিন্য হতে পারেযার সৃষ্টি হয় দ্বিনি বা দুনিয়াবি কারণ ধরে। সীমা লঙ্ঘন হলে বিপরীত হতেই…

  • স্মরণ করি তোমাকে

    কষ্ট সহ্য করে যে মানুষটি সন্তানের জন্ম দেনতিনিই মা দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ কষ্টেরতীব্রতা অসয্য জ্বালা যন্ত্রণাও বহন করে নেন! কেঁদেছিলাম অঝোরে সেদিন শুধুআওয়াজ কোনো ফোটেনি তখনস্নেহ ভালোবাসায় দিলেন দুধ মধু! যে মায়ের নাড়ী ছেঁড়া ধন আমিসে মাকে সৃষ্টিকর্তা নিয়ে গেলেনভাগ্যে কি যে জানেন অন্তর্যামি! বাঘের থাবা থেকে বাঁচতে হরিণ ছানা যেমনদৌড়িয়ে মায়ের…

  • পাগলের খেলা

    একদিন দুপুর বেলাদেখি পাগলের খেলা।পাথরে পাথরে ঘষেদৌড়ে লাফায় বসে।কখনো হয় বিভোরপাশে কয়েক কুকুর।পাগলা কি যেন খায়কুকুর ভিড় জমায়।ওদেরকে কত দেয়নিজের মুখেও নেয়।ছিড়া ব্যাগ যত ঝাড়েওরা লেজ তত নাড়ে।কুকুরগুলো এত ভক্ততাদের চোখ ও শিক্ত।লাঠিটি হাতে উঠায়কুকুর লেজ গুটায়।খাবার লয় কুড়িয়েকুকুর দেয় তাড়িয়ে।এভাবেই চলতে রয়ওরা তার তাড়া শয়।সে কাছে নেয় ডেকেআসে যে ওরা হেঁকে।কখনো কুলে তুলেমাথায় হাত…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *