কবরে শায়িত !

বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুমিয়েছিল দুই ভাই
প্রতিরাতের মতো হঠাৎ দাউ দাউ করে
জ্বলে ওঠে আগুন সব পুড়ে হলো ছাই!

সন্তানদেরকে বাঁচাতে শতো চেষ্টা করে
ওদের অসহায় মা বাবার আহাজারিও
কান্নাকাটিতেই বাতাস ভারী হলো পরে !

বুঝে ওঠার আগে পুড়ে শেষ হয়ে যায়
চোখের সামনে সেই আগুনে ঘুমন্ত দুই
শিশু সন্তানকে পুড়তে দেখে বাবা মায়!

স্নেহের সন্তানদের পুড়ে ছাই হতে দেখে
পাগলপ্রায় দুই শিশুর বাবা মা বারবার
জ্ঞান হারিয়ে কথা বলা বন্ধ হলো মুখে !

রাতে আগুন লেগে মারা যায় দুই ছেলে
প্রতিবেশী ও উপস্থিত সবার সহায়তায়
অবশেষে উভয়ের অগ্নিদগ্ধ লাশ মিলে !

পরের দিন সন্ধ্যার দিকে জানাজা শেষে
দুই ভাইকে কবরে শায়িত করা হলে পরে
সকলে এ ঘটনার জন্য দৃর্বৃত্তদের দোষে !

Similar Posts

  • গরীব দুঃখী

    ভোরে দেখি এক ছেলে আদুল গায়ে,জুতা সেন্ডেল নেই তার কোন পায়ে।চোখে ও মুখে তার বিষন্নতার ছাপ ,মনে হলো হয়তো করেছে সে পাপ।বললাম কি হলো ?ছেলেটি তোমার!দেখালো সে ছিড়া , টুকরো জামার।পরে বললো যে তার, করুন ঘটনা!শুনে মনে হলো নয়তো ইহা রটনা।শুয়ে ছিলাম রাতে ঐ রাস্তার ধারে,সহসা দৌড় – ঝাপ এপারে ওপারে।জেগে দেখি মানুষের ই কোলাহল,বুঝে…

  • আরো চাই আরো চাই

    পৃথিবীতে হায়! কেহ শান্তি নাইযার আছে অঢেল সম্পদ আরটাকা পয়সা দালান অট্রালিকাযত বেশী তার আরো কত চাই। দোকান পাঠ বাজার যত হাটেব্যবসা বাণিজ্য করছে সকলেআরো শত চাকরি বাকরি করেজল স্থল নদী সমুদ্র খেয়া ঘাটে। সকলে শুধু যেন পাওয়ার দায়রাত পোহালেই সকাল সন্ধ্যায়কিভাবে কোথায় কেমনই করেসর্বক্ষণ রয় ধান্ধা কত যে পায়।

  • স্বার্থে আত্মহারা

    গরীবের শোনে না কেউ দুঃখের কথানমুনা বুঝেছি যে অরণ্যে রোদন বৃথা। গরীব বাঁচার রাস্তা নেই কোন ব্যবস্থাসবও হারিয়ে চৌদিকে পড়েছে খাস্তা। মজা মারে সুবিধাবাদি যত ধনী যারাকেবল আছে ব্যক্তি স্বার্থে আত্মহারা। নিশাতে বিভোর গরিবের রক্ত খেয়েচলে শুধুই লোভ-লালসা বুকে নিয়ে। কত যেনো ভিড় জমায় শকুনের দলেকখনো মাংস খাওয়ার সুযোগ পেলে। আমরা ঘুরলাম কত না ধোকায়…

  • জনাকীর্ণ

    পদ্ম ফুলে পুকুর পূর্ণমাঠ ঘাটও জনাকীর্ণকত যে কৌতুহলপূর্ণপার্থক্য রয়না ধর্মবর্ণ। বাজারে মানুষ কতোআনা গুনা রয় শতোআরো যত সমারোহেরেস্তোরাঁ আলাপ রত। শহরে রয় কতো বাসআনন্দে ছাড়ে নিশ্বাসশান্তিময় যতো উল্লাসআধুনিক শত নিবাস। ভক্ত ভক্তিতে ভরপুরউপাসনালয় অল্প দূরসমাগম হয় কত মধুরঅলসতা যায় বহুদূর! ইবাদত উপাসনা করেআল্লাহ তায়ালা আরোরাসুল করিম( স. ) এরনির্দেশ মতো চলে পরে!

  • জ্বরে থর থর !

    আমার নাতনিটির প্রচণ্ড জ্বরকতো যন্ত্রণাতে কাঁপে থর থর! ডাক্তারের কাছেও নিয়ে গেলেতার অধিক জ্বর ডাক্তার বলে! ঔষধ পথ্যও তখন আনা হলেরীতিমত সেবন যার নাহি চলে! নিয়ম মাফিক সেবন করে নাফলে দেহে শান্তি তো পায় না! জ্বরের সাথে সর্দি আর কাশিকষ্ট করছে দিবা আরো নিশি! অসুখে ভোগে তার স্বাস্থ্য হীনঅশান্তিতে চলছে ই রাত্র দিন! খেলা ধুলাতে…

  • এলো নাজাতের মাস

    বছর পর আবার এলোপবিত্র মাস রমজান,মুসলমান রোজা পেলোদিনে বন্ধ খানা পান। ফজরের আজান হয়মাগরিবের ধ্বনি বয়,খাদ্যের ডাক জারি রয়শুরু করো তবে কয়। মন্দ কাজ করো ত্যাগযত আছো রোজাদার,সব শেষে পূণ্যের ভাগআছে বুঝ যার তার। ফরজ রোজা রাখ সবেপুরো রমজান মাস,খোদার আদেশ পালন হবেকরো নাজাতের আশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *