অভিলাষ

যাকে স্নেহ করি সে মূল্য দেয় না যদি
এমন কি যতো অবহেলা ধারণা করি
সেটাও সহ্য করে নিতে হবো নিরবধি!

কিন্তু যার আন্তরিকতা পেয়েছি বেশী
এ জন্যে বিশ্বাস করেছি সেথায় ত্রুটি
ভেংগে যাওয়াটাই হয়েছে অভিলাষী।

সে ভেবেছে যেনো তাকে হঠাৎ করে
এমনি সহজে দেখা মিলেছে সেজন্য
কতো তপস্যাও করেছি জীবন ভরে।

কতো আরাধনার ফলে সাক্ষাৎ হলো
তাই তো আমার নিকট থেকে বিদায়
নিয়ে যাবার সব সুযোগ লোপ পেলো।

বিদায়ের কর্তা সেও নাহি এখন আর
আমাকে ত্যাগ করার মালিকানা তো
সেদিন থেকে চলে গেছে সবটুকু যার।

স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছুটে যদি না চল তুমি
অন্যদের অধীনে কর্ম করে যেতে হবে
কবে যে শান্তি পাবে জানেন অন্তর্যামী!

Similar Posts

  • লিলিপুট

    বক্সে কুকুর ছিল লিলিপুটগায়ের ও রঙ যার ফুট ফুট।সহসা বক্স থেকে বের হলেবিড়ালেরা ভোঁ দৌড়ে চলে!পরে ওদের মিল হয়েই যায়একসঙ্গে খেলেও খাদ্য খায়!কুকুরটি ছিল কত যে সুন্দরযাতায়াত তার ছিল অভ্যন্তর।এইটুকুন বলে নাম দিল পলসে ই ওকে দিত আহার জল!ছোট্ট কুকুরটি তাকিয়ে থাকেশুধু কৌতূহলও দৌড়ে ফাঁকে।কুকুরগুলোর মেক্সিকান বংশছড়িয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ।লিলিপুটের নাকে আগে শুঁকেপরিচিত কেউ হলে…

  • দূরের পথ

    আমরা সকলে চড়ে দোলনা,আনন্দের থাকবেনা তুলনা।দৌড় ঝাঁপ করে যাব কত,হেলে দূলে যার তার মত।সকলেই সায়াহ্নের আগে,মিলে মিশে সব অনুরাগে।ফিরে যাব যার তার বাড়ি,বহুদূরের পথ দিয়ে পাড়ি।

  • রথ মেলা

    কয়েকজন বন্ধু মিলে ছোটবেলাঅনেক দূরেই ছিল একটি মেলা।সেথায় জমে হরেক রকম খেলাকাহারো ছিলনা কোন অবহেলা।আরোও ছিল সেথায় বার্ষিক রথযার ছিল নির্দিষ্ট কত সুন্দর পথ।বিকেল বেলা চলে সকল যুগপৎওদের যেতে ছিলনা কোন দ্বিমত।গল্প গুজবে ও খুশিতে তারা চলেচলার পথে রসের যত কথা বলে।পায়ে হেটে হেটেও যত লোক যায়আনন্দ উল্লাস আরো শান্তি পায়।দোকান থেকে কিছু কিনেও খায়মনের…

  • দু’টি সম্পদ 

    চোখ  দুটো  আছে যার সবই দেখে  চোখে তার! যার নেই কো এক চোখ  তার থাকেতো শত দুঃখ! থাকে যদি  কারো উভয়  চলা  ফেরা  করে নির্ভয়। এ ধরায় জন্মান্ধ যে লোক  তার তো  নেই  কোন সুখ! পছন্দ অপছন্দের বিষয়  যা পায় সব আনন্দে সয়! সুন্দর অসুন্দর ও ভালো  ফর্সা ময়লা আর কালো।  কোন কিছু পেলেই হলো …

  • মহানবী(সঃ)

    যত প্রাণী নিজেদের দুঃখ-কষ্টের কথা,উল্লেখ করতে পারে না তারা যথাতথা।ওরা বাকহীন জীব-জন্তু পশু-পাখি,ঘুরে ফিরে অনেক দূরে ডাকি ডাকি।রাহমাতুল্লিল আলামিন নবী করিম,মানুষের জন্য তিনিই অসীম রহিম।প্রাণীদের সাথে কিরূপ আচরণ হবে,সে সম্পর্কে অজ্ঞ ছিল জাহেলী যুগে।পশুর সাথে নির্দয়ে করত যে ব্যবহার,পর্যাপ্তভাবে ওদেরকে দিত না আহার।জীবিত উটের কুঁজ এবং দুম্বার গোস্ত,লোকজনে কেটে খেতেই থাকত ব্যস্ত।নবীজি নির্দয় এ ব্যবহার…

  • পশুবৃত্তি

    সর্ব নিকৃষ্টতম আচরণ হচ্ছে ধোঁকামানুষের আচরণের পশুবৃত্তির মধ্যেযা অনেকগুলো কত পাশবিক হলেএকজন মানুষ অন্য জনকে কুবুদ্ধিদিয়ে তৎক্ষনাৎ বানিয়ে নেয় বোকা। বেশ যন্ত্রণার মধ্যেও জীবন কাটায়একজন ধোকাবাজ মানুষ বরাবরকৃতকর্মের জন্যে সে পুরো নিশ্চিতযে অসহনীয় দু:খ কষ্ট সম্পুর্ণরুপেভোগার কারণ জেনেই স্বার্থ মিটায়। বিশ্বে বিশ্বাসের ভিত যত গভীর হয়মানুষ কোন সময় যথেষ্ট স্বার্থ সিদ্ধিঅর্জন করে অবিশ্বাসের জন্য কেহকিছু…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *