কি যাতনা !

বসে আছি মনে নিয়ে ব্যথা
আমার ছোট নাতনিটি দূরে
তাই স্মরণ পড়ে তার কথা।

দেশে থাকতে সে ছিল সংগী
তার বড় বোনের সাথে খেলা
ধুলায় করতো কতো যে ভঙ্গী।

একজন নাস্তা করতো যখন
অন্যজন না থাকলে অনেক
সময় গন্ডগোল বাধত তখন।

মায়া মমতায় বিজড়িত যতো
তাই কোনো বোন তফাৎ হলে
তাদের মধ্যে যা অশান্তি হতো!

স্বদেশে আমরাও যারা আছি
ছোট নাতনিটির জন্য সকল
তার বিরহ যন্ত্রণাতে ভোগছি!

সৃষ্টি কর্তার নিকট প্রার্থনা করি
নাতনিদের সহ সকলকে ভালো
রাখার তরে মোরা তাঁকে স্মরি!

Similar Posts

  • প্রাক্তন

    রাস্তা ঘাটে গরুর গাড়ি,জমি জমায় হাল।বর্ষায় চলে রংবেরঙের,ডিঙি নৌকার পাল।আগের যুগের মাটির কলস,মাটির কলসির জল।ঘরের শোভা রঙিন শিখা,কই যে গেল বল!শকুনদেরে যায় না দেখা ,বিরল দেখি কাক!রাতের বেলা শিয়ালদের,যথায় তথায় ডাক।পুরাতন শিল আর পাটা,কষ্টের ভাটা ঝাল।এখন নাই কাঠের ঢেঁকি,ঢেঁকির ছাঁটা চাল।প্রাচীন কালের পালকি চলার,নাই রে কোন সুর।ঠেলার গাড়ি হারিয়ে গেল,হায়রে! গেল যে কত দূর।না ঘুমিয়ে…

  • কতো সমাদর !

    পথে ঘাটে কতো ধান্দাবাজদল বেঁধে তারা কখনো চলেমাথায় থাকে কি সুন্দর তাজ! কথা বার্তায় পটু আরো সুন্দরসাধু বেশে তারা করে চলাচলমাঝে মধ্যে দেখায় যা সমাদর! কখন যে কাকে কেমনে পটায়এ চিন্তা ফিকির থাকে মাথায়সুবিধা পেলে কত কি না ঘটায়! তাদের যতো চালাকি বুঝা দায়সতর্কতা অবলম্বন করে চললেআল্লার সাহায্যে শত মুক্তি পায়!

  • ভীরু মরোমরো

    যায় না এক দু মিনিটে এমন নিয়ম জানা লেখাতেমন কতো যেন বর্ণচোরা অনেক আছে দেখা। অসংখ্য গদ্য আরো পদ্য দিয়ে সবার হৃদয় ভরোও ভাই আমরা যেন হেঁজিপেঁজি ভীরু মরোমরো। এতো ঢং ঢাং সবই ছেড়ে দিয়ে পদ্য লেখো কবিনির্বিঘ্নে গদ্য আর পদ্য দিয়ে আঁকো মনের ছবি। যদি কভু কাটেই ছড়া কোনো আনাড়ীদের দলআজ বুঝাবো মজা তাদের…

  • কাঁদে মনপাখি

    দারিদ্রে পড়ে কাঁদে মনপাখি আমারদিন রজনীতেই ভাবতেছি অনিবার। ভাবলে লাভ নেই চার দিকে অভাবঅভাব অনটনে টিক রয় না স্বভাব। কার কাছে দুঃখের কথা বলব আরসব স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত দুঃখ শুনে কার। এ দেশটাতে অসতের মাত্রা বেড়েছেসত্যের আরো অভাব যতো পড়েছে। আকাল পড়ল আমাদের মানবতাররক্ষক ভক্ষক নেইতো আমানতদার। আলিম উলামা কত বলেন ঘুষ খেলেদুনিয়া আখেরাতে যত…

  • শীতের ডাক

    ষড় ঋতুরই স্বদেশমোদের বাংলাদেশ।গরমের শেষ হাঁকঠান্ডার প্রথম ডাক।হেমন্তের শেষ যাত্রাশীতের কঠিন মাত্রা।ঠান্ডার সময় আসেপৌষ ও মাঘ মাসে।আরম্ভে কতই শীতশিশুরা ও গায় গীত।সময় যত বয়ে যায়গরম কাপড় লাগায়।শিশু কিশোর যুবকযতই তাদের দোসর।প্রকোপতা বাড়ে যতলেপ বস্ত্র লাগে তত।বয়ষ্কদের কতই কষ্টপরে হয় জীবন নষ্ট।হাত পা ঠান্ডায় ধরেতীব্র শীতে কত মরে।

  • বিদ্যার্জন

    বাল্যকালে রত যেই বিদ্যার সেবায়,চীর দিন সুখে সেই জীবন কাটায়।অবহেলা করি বিদ্যা নাহি শিখে যেই,মূর্খ হয়ে চীর দিন দূঃখ পায় সেই।তাই বলে শিশুগণ বিদ্যা শিক্ষা কর,আল্লাহ পাকের নাম নিয়ে জীবন গড়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *