খুশির জুয়ার !

পড়ন্ত দুপুরে মনটি অশান্ত
খেলতে গিয়ে হয়েছে ক্লান্ত
ভাল খেলায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
সুনাম খ্যাতি বিস্তৃত প্রশান্ত!

আগামীতে খেলতে অস্থির
তারা যাবে করলো মনস্থির
একান্তে সিদ্ধান্ত নিল সুস্থির
কোন কারণ নেই অসস্থির!

অপেক্ষার দিন কাছে এলো
কয়েকজন ও মিলিত হলো
নামি দামিরা পরামর্শ নিলো
নির্দিষ্ট দিনে খেলতে গেলো।

খেলা শুরু হল সময় মতো
ফুটবল খেলা সুন্দর কতো
দর্শক ছিলো অসংখ্য যতো
আনন্দ উল্লাস করল শতো!

খেলাতে ওদের ই হলো জয়
ফুর্তির মাত্রার ও জুয়ার বয়
উপস্থিতি সবাই আনন্দ ময়
সকল অবারিত খুশিতে রয়!

Similar Posts

  • গ্রামে হানা দেয়

    খাল পার হয়ে গ্রামে এসেও হানা দেয়কেঁদো বাঘ ওত পেতে থাকে দু’একটাকখনও বা গাঁয়ের মানুষের প্রাণ নেয়। তাদের কী আর এসবে ভয় পেলে চলেযাদের নিত্য যাওয়া আসা অবশ্য তাতেওদেরকে খুব ঘাবড়াবার মত নয় বলে। গোল পাতা মধু ভেঙেই দিন চলে ওদেরমাছ আর বনের কাঠ চাষ আবাদ খেতেসারা বছরে সে একবার পরিশ্রম যাদের। তার উপর যদি…

  • জাগরণ

    একদা সকল ছিলাম মাটি জলেযেথায় প্রত্যেক মুহূর্ত পক্ষাঘাতেমরে যেতে যেতে জাগরণ হয়েওএকত্রে চলাচল হতো সবে মিলে। সেই জাগরণ পলেই ভেসে যেতোগুল্ম নক্ষত্র তিথিও আয়ন মণ্ডলভেঙে নীলাভ বিপুল আলো এসেঅদৃশ্য নাচের টানেই ভরে দিতো। কেউ অন্য কারো তাকাত না মুখেএক খণ্ড শুয়ে থাকতো বিপরীতেআরেক খণ্ডের এ রকম ভুল ছিললাঞ্ছনায় পড়ে থাকতো রাজপথে। ফুটে উঠতো সূর্যমুখী ফুল ভোরেসারাদিন…

  • তাওয়াককুল

    কারো যদি অস্বস্তি মিলেইবাদত বন্দেগীতে রতোথেকে সৃষ্টি কর্তার উপরেসম্পুর্ণ ভরসায় যাও চলে। দুশ্চিন্তা পেরেশানিই সবএকমাত্র আল্লাহ পাকেরউপর পূর্ণ তাওয়াককুলকরলে দূর করবেন রব! আমাদের স্রষ্টা মেহেরবানঅভাব অনটন দু:খ ব্যথানিজ দয়ায় দূর করে দেনচলো সকলে গাই গুনগান! তাঁর গুণ কীর্তনে হন খুশীসৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবেআরাধনা উপাসনার দ্বারাপ্রার্থনাও করি যেন বেশী!

  • ঈদের প্রতীক্ষার

    সর্বাধিক মহিমান্বিতসাওয়াবে ভর্তি মাসপবিত্র রামাদ্বানে যেনআমরাই গৌরবান্বিত! চন্দ্র বর্ষের দশম মাসযার সূচনা দিনের মধ্যদিয়েই মাহে সাওয়ালেরআগমনে মোদের আশ। সাওয়ালের বাঁকা চাঁদবয়ে আনে মুসলমানেরআনন্দ উৎসবের যতমিষ্টান্নের অফুরন্ত স্বাদ! আর মহা গুচ্ছ স্লোগানখুশির বার্তা ঈদ ঈদ ঈদ!এসো হে! মোবারক ঈদ!অন্তরে দেয় শত যোগান! তুমি আসবেই বলে ঈদপ্রতিক্ষায়ও সময় কাটেতীর্তের কাকের মতোফলে চোখে নেই নিদ। মাস চলে পবিত্র…

  • কৌশলে সহজ হয়

    জীবন যেন এক যন্ত্র বিশ্বায়নের এ যুগেকাজ আর চিন্তায় জীবনে যে অস্থিরতানিয়ে মানুষ সারাক্ষণ-ই কীসের পেছনেছুটছে জীবনকে দিন দিন যেনো ব্যস্ততাঅসহনীয় ও কঠিন করে সকলে ভোগে। জীবন কখনও যা উঠছে অসহনীয় হয়েপারিবারিক সামাজিক আর কর্মস্থলেরইপ্রভাবে তবে জীবনের এ ব্যস্ততা ছাড়তেনাহি পারলেও কৌশলে জীবনকে সহজকরে তুলতে হবে একে সহজভাবে নিয়ে। পরিবর্তন আনতে তো কৌশলী হতে হবেসে…

  • মনোরম দীপালি

    সব প্রদীপের শরীরেসম্পূর্ণরপ তেল ভরেযা সাবধানতার সঙ্গেসলতেতে শেষে অগ্নিদেয় সকলেই ধরিয়ে। জ্বলতে জ্বলতে পরেক্ষণিকের জন্য কেউঅনুভব করে না তাঁরজ্বলুনীকে এরই মধ্যেযতো প্রয়োজন সারে। সলতে যত হউক ছাইকেবল মাত্র আলোকবা প্রদীপ ঝলসে রয়আমাদের অনেকে ইশতো উপকারও পাই। ইহা কি পারে না হতেএমনভাবে কাউকে ইজ্বলতে পুড়তে ঝলসেযেতে অথবা উজ্জ্বলহয় স্বাভাবিক গতিতে। আর যদি জ্বলতে হয়তবে তো সবাই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *