জলাবদ্ধ শহর !

০৬ অক্টোবর , ২০২৩ রোজ শুক্রবার
সকাল ৬টা থেকে পরের সকাল ৬ টা
পর্যন্ত সিলেট নগরীতেই ৩৫৭ দশমিক
৮ মিলিমিটার রেকর্ডও করা হয় যার।

শনিবার সকাল ৬টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত
আরও ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত করা
হয়েছে রেকর্ড নগরীর প্রায় সব ওয়ার্ড
জলাবদ্ধ হলে মানুষ হয় ক্লান্ত ও শ্রান্ত।

সকাল ৯টার দিকেই বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যায়
ফলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির দিকে
বৃষ্টিপাত ০৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত
৪ দশমিক ০২ মিলিমিটার রেকর্ড পায়।

নগরীর অধিকাংশ বাড়িতে পানি ঢুকে
নগরীতেই উজানের পানি প্রবাহিত হয়
আর তা সুরমা নদী দিয়ে নিচে নামতে
দ্রুত পারে না ফলে সবে ভোগে শোকে।

সিলেট শহরকে বন্যা হতে বাঁচাতে হবে
এজন্য অবিলম্বে সুরমা নদী খনন করা
হলে ঘন ঘন ঘটে যাওয়া বন্যার এ হেন
কবল থেকে বেঁচে থাকতে পারবে সবে।

Similar Posts

  • কলির যুগ !

    নিত্য নতুন কতো কিছু দেখিআজগুবি আরোও যত লিখি! পূর্বে অস্তিত্বই ছিলো না কোনপ্রতিনিয়ত এখন চলছে যেন! কতো কিছু আর লিখে যাবোজানিনা কবে যে শান্তি পাবো! পথে ঘাটে যতো বাসা বাড়িতেমোটর সাইকেল আর গাড়িতে! পরনের প্যান্ট কত তালি মারাখাম-খেয়ালী মতো চলে তারা! কেউ হাঁটুর উপরে প্যান্ট পরেছতর ঢাকে না গর্ববোধ করে! এখন যেনো চলছে কলির যুগকবে…

  • দূর কর যত দু:খ !

    কতো মানুষ পথে – ঘাটে রয়অভাব-অনটন ক্লেশ দুর্ভোগনিপিড়ন নির্যাতন যতো সয়। তাদের নির্ধারিত আবাস নাইআরো চিন্তায় থাকে কোথায়খাবার জোগাড় করতে যাই। দিন রাত পেটের ধান্দা করেরাত পোহালে খাদ্য জোগাড়করতে হন্যে হয়ে তারা ঘুরে। শতো পেরেশানিতে ঘাম ঝরেকোন দিন কাজের বিনিময়েআয় করে সদায় নিয়ে ফিরে। আল্লাহ পাক প্রদান করেন সুখতাঁর অসীম দয়ার ফলে যেনোতাদের দূর করে…

  • স্বার্থে আত্মহারা

    গরীবের শোনে না কেউ দুঃখের কথানমুনা বুঝেছি যে অরণ্যে রোদন বৃথা। গরীব বাঁচার রাস্তা নেই কোন ব্যবস্থাসবও হারিয়ে চৌদিকে পড়েছে খাস্তা। মজা মারে সুবিধাবাদি যত ধনী যারাকেবল আছে ব্যক্তি স্বার্থে আত্মহারা। নিশাতে বিভোর গরিবের রক্ত খেয়েচলে শুধুই লোভ-লালসা বুকে নিয়ে। কত যেনো ভিড় জমায় শকুনের দলেকখনো মাংস খাওয়ার সুযোগ পেলে। আমরা ঘুরলাম কত না ধোকায়…

  • নিশি কালে

    কেউ চলছে নিশি বেলাবাসা বাড়ি আরো যতোপ্রতিবেশী সবাই ঘুমিয়েরয় তার যে কত জ্বালা! তাকে ডাক দিলেই পরেগতিবেগ থামিয়ে দাঁড়ায়তার যাত্রার কথাটি বলেচোখে কতো পানি জ্বরে! একমাত্র ছেলে তার মা’রশতো দুর্ভোগের সংসারেসে হাল ধরে পরের বাড়িশ্রমিক মজুরের কর্ম যার। রাতে বস্তিতে আগুন লাগেছেলেটি খবর পেয়ে গিয়েদেখে ওদের বসত ভিটাওপুড়ে যায় সব আগে বাগে। তার মায়ের দায়…

  • কতো সমাদর !

    পথে ঘাটে কতো ধান্দাবাজদল বেঁধে তারা কখনো চলেমাথায় থাকে কি সুন্দর তাজ! কথা বার্তায় পটু আরো সুন্দরসাধু বেশে তারা করে চলাচলমাঝে মধ্যে দেখায় যা সমাদর! কখন যে কাকে কেমনে পটায়এ চিন্তা ফিকির থাকে মাথায়সুবিধা পেলে কত কি না ঘটায়! তাদের যতো চালাকি বুঝা দায়সতর্কতা অবলম্বন করে চললেআল্লার সাহায্যে শত মুক্তি পায়!

  • স্বার্থপর

    জীবনে আমরা অনেকে স্বার্থপরসত্য কথা বলেও মতের বিপরীতহলে পরে তবেই আপন হয় পর। এ ধরায় কত কার থেকেই বেশি যেভাবে হউক আয়ত্ত করে নিবেভোগ দখলে অধিক হলেই খুশি।  কত অতিরিক্ত আসলো তা লক্ষ্য হারাম হালাল কোন ভ্রুক্ষেপ নেই  যা পাবে হজম করতে আরো দক্ষ। রাস্তা ঘাট বাজার হাট সর্ব স্থানেসুযোগ পেলেই তারা আত্নসাথে ব্যস্ত থাকে যেন অভ্যাসের টানে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *