জাগরণ

একদা সকল ছিলাম মাটি জলে
যেথায় প্রত্যেক মুহূর্ত পক্ষাঘাতে
মরে যেতে যেতে জাগরণ হয়েও
একত্রে চলাচল হতো সবে মিলে।

সেই জাগরণ পলেই ভেসে যেতো
গুল্ম নক্ষত্র তিথিও আয়ন মণ্ডল
ভেঙে নীলাভ বিপুল আলো এসে
অদৃশ্য নাচের টানেই ভরে দিতো।

কেউ অন্য কারো তাকাত না মুখে
এক খণ্ড শুয়ে থাকতো বিপরীতে
আরেক খণ্ডের এ রকম ভুল ছিল
লাঞ্ছনায় পড়ে থাকতো রাজপথে।

ফুটে উঠতো সূর্যমুখী ফুল ভোরে
সারাদিন জাগরণ থেকে ধ্বংসের
দিকে মুখ রেখে বলে যেতো মনে
রেখ আমরাও ছিলাম পৃথিবীতে।

Similar Posts

  • স্বর্ণালী দিন

    জীবনেরতো শ্রেষ্ঠ সময় ই হল ছাত্রজীবনসাংসারিক জটিলতাও জীবনের বাস্তবিকখুঁটিনাটি থেকে চিত্তকে চিন্তামুক্ত রেখে এছাত্র জীবন সঠিক ভাবে কাজে লাগালেপরবর্তী সারা জীবনেই সবে করে উন্নয়ন। বাতাসের মতোই এই নির্মল স্নিগ্ধ ও স্বচ্ছস্কুল লাইফেই কাটানো সময় গুলো প্রায়অধিকাংশ মানুষের কাছেই সব থেকেওআনন্দ ঘন মুহূর্ত এবং এর যথাযথভাবেবাস্তবায়নে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হবে মুক্ত। বিদ্যালয় অঙ্গাঙ্গি ভাবেও আছে ই…

  • জগৎময় !

    একটু আধটু করে সময় বয়এরই মধ্যে অনেক কিছু ঘটেগিয়ে অবশেষে দু:খ দুর্ভোগঅশান্তি কত কিছু লেগে রয়। জীবন যুদ্ধে জয়ী হয় তারামূল্যবান মুহুর্তগুলোর সঠিকমূল্যায়ন করে নিষ্ঠার সহিতকাজ কর্মে লিপ্ত থাকে যারা। তারা জীবনে শ্রেষ্ঠ মানুষ হয়নিজের পরিবারের প্রতিবেশীদেশ ও জাতীর কল্যাণে মহৎকাজে নিযুক্ত রয় জগৎ ময়!

  • কঠিন সময় !

    বর্তমান সময় কতোই কঠিনচলতে হবে তো করে রুটিন! কতো যে চলে হেলা ফেলায়সুখ আরো শান্তি দূরে পালায়! যতো লোক সঠিক পথে চলেজীবনে কতোও শান্তি মিলে! দুর্ভোগ আর দুর্গতি দূরে যায়তাদের জীবনে সমৃদ্ধি পায়! অনেকেও চলে নিয়ম মেনেভাগ্যে ওদের প্রশান্তি আনে! সৎ আরো সঠিক চলে যারামান সম্মান লাভ করে তারা! সময়ের কাজ সময়েই করেতারাই পরিবারের হাল…

  • জুটে অর্ধচন্দ্র

    কতো পুরানো দিনের কথাদশ বছরের একটি ছেলেস্বপ্ন ছিলো যার জাহাজেরনাবিক হয়ে দূর দূরান্তে সেআনন্দে ঘুরবেই যথাতথা ! তাকে বেশ কাছেই টানতোনীল জলোরাশি সমুদ্রেরওজন্মের পূর্বে তার বাবা আরমা দশ বছর বয়সেতে মারাগেলে চাচার কাছেই থাকত ! জুটেনি অর্ধচন্দ্র ব্যতীত যারবাবা জন্মের পূর্বেই আর মাদশ বছর বয়সে মারা গেলেতখন চাচার কাছেই আশ্রয়নিলে শতো কষ্ট ঘটলো তার !…

  • শীতের রাত

    ঋতু চলছে যখন শীতের , ছেঁড়া কাঁথা গায়ে গীতের।সুর লহরীতে মুখরিত মুখ,বুঝবেনা যেন আছে দুঃখ। ঢাকায় বাংলা একাডেমী,টান্ডার তীব্রতাও কমেনি।উদ্যানের দেয়ালের সাথে, কয়েক জন শীতের রাতে।সবাই আগুনের নেয় তাপ, পাশে নেই তাদের মা বাপ।নেশা দ্রব্য কেউ পান করে, অকালে ই তারা যায় মরে।অনেকেই থাকে ফুট পাথে, আলাপ হলে তাদের সাথে। জানা যায় আরো বেশ তত্ত্ব, যত কিছু বলছে হবে সত্য।

  • ক্ষুধায় কাতর !

    অনাথ হতভাগা একটি ছেলেজন্মের ছয় মাস আগেই তারবাবা আর পাঁচ বছরের শেষেমা পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেআত্নীয়ের বাড়ীতে স্থান মিলে! অভাবে তাঁদেরও যত কষ্ট হতছেলেটি সকাল হলেই পাশেরএক মাঠে ছাগল চরাতে যেতবিকেলে বাড়ীতে ফিরার পরেহাত ও মুখ ধোয়ে সেরে নিতো! চিন্তার জগতে হারিয়ে যেতোকখনো ফুলের দ্রুত – বৃদ্ধি ওপ্রজাপতির ডানা -মেলা এসবভাবতে অবশেষে সারা দিনেরক্লান্তি ও…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *