জীবনটাই রসাতলে

কেবল ইচ্ছে আছে শুধু
কোন উপায় নাহি পাই,
পেটের খাদ্য সংস্থানেই
থাকি সর্বদা ব্যস্ত তাই।

দামী ঘড়ি বেঁধেও হাতে
সময় বাঁধা শক্ত যাতে,
মুখের তেজে লাভ কিরে
দামতো বেশী চেহারাতে।

জীবনই গেল রসাতলে
হিংসায় তো কাটল কাল,
মুর্খতার ঘোর অন্ধকারে
জীবন হলো টালমাটাল।

অমূল্য সম্পদ সুখ শান্তি
টাকায় কিরে কেনা যায়?
অযথা করো দুঃখ ফেরি
ক্রেতা কোনো নাই যার।

সুজা সরল থাকতে তুমি
পারবে তো ভাই সহজে?
এ পথ নয় সরল মোটেই
অভিজ্ঞতাটাই বলে যে।

ভুল-ত্রুটির হিসাব কারো
করতে অনেক দূরে থাকো,
সেথায় আছেন অন্তর্যামী
তাঁকে মনে প্রাণে ডাকো।

আল্লাহ ন্যায় বিচার করেন
রহমত বরকত সকল তাঁর ,
আমরা যারা ধরায় আছি
কৃপার সব অপেক্ষায় যাঁর।

Similar Posts

  • সুখী হব

    তুমি তোমার রাস্তায় চলোকে কি বলে তওয়াক্কা নাকরে উপস্থিত হয়ে দেখোতোমার বন্ধুটির কি হলো। যদি লোক হিসেবেই অধমশ্রমের মর্যাদা আর একান্ততপস্যা সাধনার ফলে হয়েযায় অনেকের মধ্যে উত্তম। সমাজের অবহেলিত যারাশ্রমে ধৈর্য সহিষ্ণুতার ফলেআল্লাহর অসীম করুণাতেপ্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে তারা। সৃষ্টি কুলের সেরা জীব যতমহান রাব্বুল আলা মীনেরইবাদত বন্দেগী করে গেলেইহ পরকালে সুখী হবে তত।

  • যৌথ পরিবারের শিশু

    সামাজিক প্রেক্ষাপটেও কত,একক পরিবার বাড়ছে শত। যৌথ পরিবারে সুবিধা থাকে,একক পরিবারে যা না থাকে। যৌথ পরিবারে শিশুর সমস্যা,দূর করে দেয় সবার তপস্যা। একাকীত্বে ভোগে না শিশুরাপায় না কষ্ট শিশু কিশোররা, মানসিক স্বাস্থ্য ও ভালো হয় ,খেলা ধুলার পরিবেশ যে রয়। মিলেমিশে থাকার মানসিক,প্রতিবেশী যত যে আবাসিক।

  • তাওয়াককুল

    কারো যদি অস্বস্তি মিলেইবাদত বন্দেগীতে রতোথেকে সৃষ্টি কর্তার উপরেসম্পুর্ণ ভরসায় যাও চলে। দুশ্চিন্তা পেরেশানিই সবএকমাত্র আল্লাহ পাকেরউপর পূর্ণ তাওয়াককুলকরলে দূর করবেন রব! আমাদের স্রষ্টা মেহেরবানঅভাব অনটন দু:খ ব্যথানিজ দয়ায় দূর করে দেনচলো সকলে গাই গুনগান! তাঁর গুণ কীর্তনে হন খুশীসৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবেআরাধনা উপাসনার দ্বারাপ্রার্থনাও করি যেন বেশী!

  • শান্তির জিন্দেগী

    দীর্ঘ প্রতিক্ষায় কেটে যায় প্রহর,মোহের ছলে থাকায় পায়নি টের।অবিরত একই ধ্যানে থাকলে মগ্ন,তাতেও আশার রত্ন হয়নি ক লব্ধ।বিমোহীত থাকায় বিরাজ অশান্তি,আকাংখিত লব্দেই হয় প্রশান্তি।আশার আলো হলেই প্রজ্জ্বলিত ,মন প্রাণ সবই ভরে হয় উল্লসিত।প্রহরের সময় পরে বর্ধিত হলে,দিন-রজনী মুহে গড়িয়ে গেলে।প্রাপ্তির প্রচেষ্টায় নিয়োজিত যারা,পর্যায়ক্রমে উন্নত হবেইতো তারা।কায়মনে পালনে আল্লাহর বিধান,শান্তির জিন্দেগী করবেন প্রদান।

  • জীবন্মৃত !

    চতুর্দিকে অথৈ জলদৈনন্দিন যতো নিত্যপ্রয়োজনীয় যা ছিলভেসেই গেলো গভীরপানিতে করে টলমল। কতো তলিয়েও যায়ভারী জিনিসপত্র সবচোখের নিমিষে ডুবেগেলে শেষে মানুষেরমনে যা অশান্তি পায়! পানির যা স্রোত ছিলশক্তিশালী স্রোতেরইটানে কতো কোলেরশিশু আর বয়ষ্কদেরজলে ভাসিয়ে নিলো! সকল তলিয়ে গেছেঅনেকের পরিবারেহয়তোবা দু’একজনব্যতীত অন্যান্য যতজলে ভাসিয়ে নিছে! জীবন্মৃত কত লোকসব হারায়ে যে বেঁচেআছে চোখে ও মুখেকেবল হতাশার চিহ্নঅন্তরে অসংখ্য…

  • মোদের রত্ন

    মোদের স্নেহের ছোট মনিতার প্রতি আদর সোহাগেসবার যেন মহব্বতের খনি! সকল সময় বোনের সাথেহাসি খুশিতে খেলা ধূলায়চলে ফিরে ধরে তার হাতে। মিল মহব্বত ও আদর যত্নএকত্রে হাসি খুশিতে থাকেওরা মোদের যেন শত রত্ন! দু’জনই সবার কত আদরেরবাসায় কখনো আড়াল হলেডাক পড়ে যায় আহলাদের! কদাচিৎ ওদের ও লাগে দন্দসামান্য নিয়ে রেষারেষি হয়পরে আবার করে আনন্দ !…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *