দারিদ্রের জ্বালা

দারিদ্র্য মমতা শূন্য অভিশাপ যত
অসীম কষ্টের সীমানা সংখ্যা শত।
অসংখ্য মানুষকে কুরে কুরে খায়
অভাবের কারণেই করে হায় হায়!
সমাজ – সভ্যতাকে পিছিয়ে দেয়
পশুত্বের এক পর্যায়ে পৌঁছে নেয়।
কত সীমাহীন দুর্ভোগ দুর্গতি সয়
দুঃখ ও কষ্টভোগে জর্জরিত রয়!
দারিদ্রের কশাঘাতে কত হালাক
কিংকর্তব্য বিমুড় যে যত চালাক।
ক্ষুধার নির্মম যাতনায় তারা পিষ্ট
অভাবের অনলে জীবন্ত অনিষ্ট!
ন্যায় ও অন্যায় বিস্মৃত দগ্ধ হয়ে
বনু আদম যত পাপ-পঙ্কিল লয়ে!
আকণ্ঠ নিমজ্জিত হয়ে অজান্তে
আত্মবিধ্বংসী পথের যায় প্রান্তে।
দারিদ্রের এ নির্মম কঠোর জ্বালা
ভোগ করতেই হয় নেই অবহেলা।

Similar Posts

  • দায়িত্ব হীন

    তুমিও ছিলে ওদের সাথেযখন একে অন্যকে প্রচুরআঘাতে লিপ্ত ছিল হাতে! একটু পদক্ষেপ তুমি নিলেহতাহত হয়তো বন্দই হতোআরোও রেহাই যেত মিলে! কি দায়িত্ব তুমি নিলে তখনসামনে রেখে ঝামেলা হলোঅনুতাপ যত করছো এখন! যথা সময় সামাল দিতে হয়হানাহানি ভেঝাল যা আছেআত্না তবেতো শান্তিতে রয়! আশরাফুল মাখলুকাত যতজ্ঞান বুদ্ধিতে চলবো নয়তোজবাব দিহি করতে হবে শত!

  • চেষ্টা চলে

    কি যে আর বলিদু:খ কষ্টে চলি। দুর্ভোগ দুর্গতিটিক নয় মতিগতি। চেষ্টায় চলে যাইশান্তি যেনো পাই। সাধনার ফলেসুখ শান্তি মিলে। জীবন চলার পথেচলাচল এক সাথে কেউ ভোগে সুখেআরো থাকে দু:খে। স্রষ্টার দয়া যেথাপ্রশান্তি রয় সেথা।

  • সুফল

    নীরব নিস্তব্ধে ফায়দা কতোএতে কোনো মানুষের সাথেকেউ ঝগড়া করে না আরোকারো মনে কষ্ট হয়না ফলেঅসংখ্য মুনাফা মিলে শতো। কোন লোক চুপ থাকে যতোকখনো দুঃখ পায়না নালিশআরো সমালোচনা করে নাসকলের ভালো লাগার জন্যপ্রয়োজনীয় হয়ে যায় শতো। কথা বলা শিখতে শুরু করেমানুষ অনেক অনেক আগেযবে ওরা জানতো না বলারচেয়ে চুপ থাকা অধিক ভালএর পর গুরুত্ব বুঝতে পারে।…

  • স্রষ্টার পথে চলো !

    ধরণীর বুকে বিরাজমান মানব জাতিএকেক জন চলছে একেক ভাবেতেইযেনো বুঝা মুশকিল তাদের মতি গতি। কত আছে যাদের চিন্তা ফিকির ভালসত্য আরো ন্যায়নিষ্ঠ চলে পরিবারওসমাজে জ্বালায় যা উন্নয়নের আলো। ব্যক্তি পরিবার সমাজ দেশ ও বিদেশউন্নতির সর্বোচ্চ শিখরেই পৌঁছে যাবেযদি থাকে সবার সৎ ও মহৎ উদ্দেশ। প্রকাশিত “দশের লাঠি একের বোঝা”ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে গেলে তায়অনেক দুর্গম পথও…

  • বাল্য বন্ধু

        বাল্য কালের বন্ধুদের সাথে,    সেদিন দেখা হল চলার পথে।     আমরাত সখ্যায় ছিলাম চার,    গল্প করে রাস্তাটি হলাম পার।    অভিজাত রেস্তোরাঁয় গেলাম,    হরেক রকমের খাদ্য পেলাম।    রুচি মতে ভূরি-ভোজন সেরে,    খাবারের  বিল পরিশোধ করে।    চললাম নিয়ে সিএনজি ভাড়া ,     সেদিন মোদের ছিল না তাড়া।  সরকারি মাঠে চলছিল বই মেলা,  সেথায় করেনি কেউ কোন হেলা।  ঘুরে ঘুরে…

  • প্রকৃতির সন্তান

    সবুজ আমাদের প্রাণের স্পন্দন,গাছ বৃক্ষের সমারোহ বেশ নন্দন।প্রকৃতি যে আমাদের সবুজে গড়া,সবুজ পাথায় করে কত নড়া চড়া।প্রকৃতি যেখানে আছে বেশ সুন্দর,সবুজ ছড়িয়ে দিছে কত মনোহর।মানুষকে প্রকৃতির সন্তান বলা হয়,দৃষ্টান্ত আছে অনেক প্রমাণ যে রয়।প্রকৃতি শেখায় সবে চলতে-ফিরতে,ভারসাম্য বজায়ের পরিবেশ গড়তে।গাছ গাছালী তরুলতা রক্ষার কথা,পাহাড় পর্বত আর নদী নালা যথা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *