প্রতিজ্ঞা

সৎ ভাবে চলে যেতে হবে
অবিরাম গতিতে অগ্রসর
হতে থাকলে অচিরে সবে
লক্ষ্য স্থানেই পৌঁছে যাবে।

সময়ের মূল্যায়নে থাকো
তপস্যা সাধনার রাস্তাতে
অগ্রসর হয়ে সৃষ্টি কর্তার
প্রতি অগাধ আস্থা রাখো।

কখনো বিফল হয়ে গেলে
থেমে না গিয়ে অধ্যবসায়ে
নিয়োজিত হলে পরিশেষে
কাজ কর্মে সফলতা মিলে।

জগতে সফল হয়েছে যাঁরা
কোনো কাজে কখনো ব্যর্থ
হলে হাল ছেড়ে না দিয়ে যে
অটল সংকল্পে ছিলো তাঁরা।

Similar Posts

  • বিমোহিত প্রাণ

    এ শহরে এখন ঘুমাবে না অভুক্ত কেহদুই বেলায়ই রুটি পাবে সকলে মাথারওপর ছাদ রোজী করে হাতে চোখেতেস্বপ্ন রাস্তা ঘাটেও থাকবে না পড়ে দেহ। যেনো হাওয়ার সাথে কথা বলবে গাড়িফ্লাইওভার যুক্ত করবে শহরের প্রান্তকেআরেক প্রান্তের সাথে জমিন আসমানেজলে চড়ে গাড়ি মিনিটে পৌঁছবে বাড়ি। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাবেনিমিষেই অনেক তাড়াতাড়ি হাসপাতালহবে সুসজ্জিত সুবিধাসম্পন্ন নাদুসনুদুসস্বাস্থ্যবান শিশুর…

  • বন্ধু সেজে ক্ষতি

    মূলত সে আসেনি তোমার করতে উপকারএসেছে তোমার দূর্বলতার সুযোগে ই বিশ্বাসঅর্জন করে তুমি ছোট খাট কিছু হেল্প নিতেনিতে বুঝে যাবে তাকে ছাড়া অচল তখন ইস্বার্থ সিদ্ধির জন্য করবে তোমার অপকার। বিপদে ছোট কঞ্চিকেও বিশাল বাঁশ মনে হয়তুমি সেই বাঁশের ভরসায়ই সাঁতার ভুলে তারউপর নির্ভরশীল হয়েও তাকে ধরে ভাসতেচাইবে স্বচেষ্টায় সাঁতরালে কষ্ট সহ্য করারওঅভ্যাস গঠনের ভূমিকাতে…

  • কেঁদো না কবর পাশে দাঁড়িয়ে

    রোদন করো না আমার কবর পাশেই দাঁড়িয়েআমি এখনো কবরে কোনও না ঘুমিয়ে আছিবারন করি তোরা কান্না করোনা হাত ঝাড়িয়ে। আমি তীর বেগে ই ধেয়ে চলে যেন অযুত বায়ুএকটি চকমকি হিরা শিশির বিন্দুর বুকে জমেথাকা আছরে পড়া সুর্য পাকা ধানের যত আয়ু। কলরব সৃষ্টি করি ভোরেরই নিঝুমতা ভেঙে নেইতোমার প্রেরণা সদা যোগাই সকল কাজে আমিশান্তনার পাখী…

  • বিদ্যুতের রুটিন

    বিদ্যুতের প্রত্যেক দিনের খেলাযেহেতু নিয়মিতও চালাতে হবেসময়ে অসময়ে তা বন্ধ না করেএকটি রুটিন মতো সেরে নিবে। ফজরের নামাজ শেষ হয়ে গেলেপ্রত্যেক দিন নিয়মিত করে নিলেঅফিস – আদালত যত প্রতিষ্ঠানখোলার পূর্ব পর্যন্ত যেন বন্ধ চলে। যদি বিদ্যুৎ সেবা বন্ধ রাখতে হয়প্রতিদিন ভোরের নামাজের পরেনিয়মিত করে সকাল নয় টা তকবন্ধ রাখলে সমস্যা থাকবে দূরে। হয়তো বা আর…

  • পিতার সন্তুষ্টি

    বাবা একাই একটি প্রতিষ্ঠান যেন বটবৃক্ষযে কোনো পরিস্থিতিতেই আগলে রাখেনছায়ার মতো পাশে থাকেন নির্ভরতা দেননিজের অনেক সমস্যা সত্ত্বেও সন্তানদেরসুরক্ষায় নিজে সহ্য করেন কত কষ্ট দু:খ। সন্তানের জন্যই জীবনের ঝুঁকি নেন যিনিকল্যাণে পিছপা না হয়ে কখনো আপাতগম্ভীর খোলসের আড়ালে থাকে তাঁর অন্যরূপ বাইরেরটা শক্ত খোলসে আটকে আরভেতর নরম নারকেলের মত রাখেন তিনি। সন্তানের সংকটে চোখের জলও…

  • বিত্তশালী ও দরিদ্র

    আমরা সকল নাগরিক স্বাধীননেই মোরা কারো কোন অধিন। দেশে বিত্তশালীর পরিমান কমদরিদ্রের সংখ্যায় তারা অধিকযাদের জন্য কথায়ও অনায়াসেফেলা যায় নাতো কাহারো দম। যে রাস্তায় অহমিকায় চলে ধনীতেল খরছ করে অনেক দামীগাড়িতে আনন্দে বেড়ায় চড়েটাকায় তারা হয়েছে যেন গুনী। দরিদ্র সেই রাস্তার সাইট দিয়েকষ্ট করে পায়ে হেঁটে সব চলেতাদের মাথার ঘাম কত ফেলেকেউ উভয় হাতেও কিছু…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *