ফল্গুধারা

আমোদ শখ হয় তো পূর্ণ
পিতা – মাতার টাকাতে,
নিজের রুজি চলে যায়
যতো প্রয়োজন মেটাতে।

জীবন চলে কঠিন যুদ্ধে
সব রঙ কেন বদলে যায়?
আনন্দ খুশির কত জীবন
মুহুর্তে হয় রে মলিন হায়!

হাসি খুশির সকালগুলি
চলে গেলো কোথায় হায়?
মলিন মুখের সন্ধ্যা কত
হাসি ব্যতীত কেটে যায়।

বাঁধনগুলো বাঁধতে গিয়ে
নিজেই হলাম বাঁধনহারা,
হাসি ফুটাতে সবার মুখে
আমিই হলাম ছন্নছাড়া।

সবাই ভাবে কতই সুখী
মুখে থাকে সর্বদা হাসি,
ক্লান্ত আমি ভীষণ ভাবে
আড়ালেতে দুঃখ রাশি।

সকলের মুখে ফুটিয়ে হাসি
তবু তো আনন্দ আমি পাই,
বেপরোয়া যত হয়ে সবার
পরোয়া কত যে করি তাই।

সাধও জাগে বইয়ে দিতে
ফুর্তি আনন্দের ফল্গুধারা,
জগতটাকে পাল্টে ফেলি
দেই মুছেতো সকল জ্বরা।

Similar Posts

  • আফসোস

    ভবিষ্যতে পৌছার হলো গতিঘন্টায় ষাট মিনিট কেহ কারআগে বা পরে যাবে না কিন্তুসেথা পৌঁছে কি যে হবে মতি। অনেকে হয়তো থাকবে ভালঅথবা খারাপ যেভাবে ইহারগতিটিকে ব্যবহার করে যাবেতাই সময়ের মূল্যায়নে চলো। সমস্যার অভিযোগ রয় বেশিঅধিকাংশ মানুষ অবহেলাতেসময় নষ্ট করে আরো পরে সেতার ভাগ্যকে করে নেয় দোষী। আফসোস করো না ভুল নিয়েকোনো অতীতের কেননা আরতা ফিরে আসবেনা…

  • ডিজিটাল বিশ্ব

    ডিজিটাল সক্ষমতা অর্জন উন্নত বিশ্ব করেপ্রায় সব ধরনেরই সেবা ব্যবস্থা তার মাধ্যমেউন্নয়ন ঘটিয়েছে সুকৌশলে বহু আগে চিন্তাভাবনা আমরা সেটার এখন করছি যা পরে। চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর পূর্বেও পেনশন পেতেনস্কান্ডিনেভিয়ান কোনো দেশের অবসরপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যাক্তি দেশের সামাজিক ও নিরাপত্তাবলয়ের অধীনে বাড়িতে যে একা থাকতেন। রেফ্রিজারেটরের দুধ ফলমূল আরোও রুটিসপ্তাহান্তে না ফুরালে ঐ সব হয়ে যেত বাসিফেলে দিয়ে সে…

  • পুলসিরাত !

    আল্লাহ তাআলার নেয়ামত তাওবা করাসৃষ্টি কর্তার কাছে ক্ষমার জন্যে পথ ধরা। বান্দাকে ক্ষমার উপলক্ষ্য খোঁজেন তিনিযা কেন্দ্র করে বান্দার মুক্তি দিবেন যিনি। তাছাড়া দান করতে পারেন মাগফেরাততাঁর দয়ায় নিমিষে পার হবে পুলসিরাত! আর্থিক অভাব-অনটন থেকে মুক্তি দেনআল্লাহ বান্দার চরম দুশ্চিন্তা দূরেই নেন। দুনিয়া ও পরকালে মঙ্গল প্রয়োজন যারকরো অনেক বেশি তাওবা ইসতেগফার! যে জন নিয়মিত…

  • দুঃখ দিও না !

    সাথী তুমি কার মন্ত্রণা পেলেআবারো এখানে কেন এলে। প্রথম ফাগুনে যা নবীন বেশেধনীরে তো ভালোবেসে হেসে। যাদের আছে বেশ টাকাকড়িমেলায় যায় তারা তাড়াতাড়ি। গরিব দু:খীদের মাথায় বাড়িবাড়িতে বসেনা পাকের হাড়ি। ঘর বাড়িতেই যার খাবার নাইমেহমান আসে মেয়ের জামাই। যতো মেলা আছে করি মানাএভাবে তুই আর আসিছ না। গরিবদের আর দুঃখ দিছ নাজ্বালা যন্ত্রণা আর বাড়াছ…

  • বিরহ যাতনা !

    হে প্রাণের বন্ধু কেমন আছো ভাইদীর্ঘদিন ধরে কতো প্রতিক্ষা করেতোমার কোনো খোঁজ খবরই নাই। অনেক অনুসন্ধান করেও হয়ে হন্যদিক বিদিক ছুটা ছুটি করেই যাচ্ছিআমি তোমার জন্যে কতোই নগন্য। তুমি বল আমি এখন কোথায় যাইঅনোন্যপায় হয়ে দিশে হারার মতসুখ শান্তি আরাম কবে আরো পাই? তোমাকে ছাড়া শান্তি পাব কোথায়যদি আর কোনো শান্তির তথ্য পাইযত দূরে হউক…

  • দোয়া চাই !

    মা যতনে করলেন মানুষতিনি কণ্ঠে দিলেন ভাষাদু’ চোখেতেও স্বপ্ন রেখেপ্রথম দিনে আলো আসা! মায়ের কাছে কাঁদতে শিখিউল্লাস আর আনন্দে হাসাতোমার আঁচলে অনন্তকালঅসীম অপার স্নেহের ঠাসা! সবার কাছে রঙের ফানুসপিতল-তামা আরো কাঁসাআমার মা তুমি অমূল্য ধনমুক্তা ও সোনার খনি খাসা! এক দিন নয় জনম জনমমাগো দিবেন বাঁচার আশাএই প্রতীক্ষার দিনেতে তাইআম্মুকে জানাই ভালবাসা! আমাকে দশ মাস…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *