বন্যপ্রাণীর হম্বিতম্বি

ঢেউ খেলানো গাঢ় সবুজ আগের মতো নেই,
পাহাড় কেটে বসতি আর খেতের জমি সেই।
শহর আর বন্দরের ক্রমশ ঘটছে যে বিস্তার ,
প্রকৃতির স্নিগ্ধতা-সজীবতার নেইত নিস্তার।
পাহাড়ের মাটি যাচ্ছে যা কখনও ইটভাটায় ,
কখনও আবাসন প্রকল্পের উন্নয়নে পাঠায়।
পাহাড় বনাঞ্চলই মানুষ নিচ্ছে দখল করে ,
বন্যপ্রাণী চলতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলে।
মানুষ আর বন্যপ্রাণীর সংঘাত যা বাড়ছে ,
বাঘ হাতির আক্রমণে আত্নরক্ষায় লড়ছে।
বন্যপ্রাণী করছে প্রাণহানি প্রায়ই খবর হয় ,
বন বনাঞ্চল ও সুন্দর বনে এসব প্রাণী রয়।
বন-বনানীতে নেই বন্যপ্রাণীর হম্বিতম্বি আর,
বিস্তৃতি ঘটছে গ্রাম গঞ্জে ও প্রকৃতিতে যার ।

Similar Posts

  • দূরের পথ

    আমরা সকলে চড়ে দোলনা,আনন্দের থাকবেনা তুলনা।দৌড় ঝাঁপ করে যাব কত,হেলে দূলে যার তার মত।সকলেই সায়াহ্নের আগে,মিলে মিশে সব অনুরাগে।ফিরে যাব যার তার বাড়ি,বহুদূরের পথ দিয়ে পাড়ি।

  • আজব কৌশল

    আল্লাহর নিপুন সৃষ্টি ও আজব কৌশল,কখনো পারবে না কোন জ্ঞানী প্রকৌশল।জগতের বিচিত্র প্রাণিকুল এবং মানুষ,অজস্র অসংখ্য তারা যাদের আছে হুশ।আল্লাহর অপূর্ব সৃষ্টির মানুষ সব সেরা,সমস্ত জগতেই ছড়িয়ে আছেন যারা।চতুষ্পদ জন্তু যতই সৃষ্টি করেছেন যিনি,মোদের বাহনও ভক্ষণে দিয়েছেন তিনি।বনি ইসরাঈলের জন্য শনিবার দিন ছিল,পবিত্র উপাসনার জন্যই নির্ধারিত হলো।মৎস্য শিকার তাদের ছিল ঐ দিন হারাম,মাছ না ধরে…

  • উদ্ভাস

    সত্যনিষ্ঠ সত্যবাদি শিক্ষিত যারা,জ্ঞান গরিমায় উন্নত হয় তারা।জীবন চলার পথে নয় বাধাহীন,উত্তোরুত্তর প্রবৃদ্ধি তুলনাবিহীন।সমাজ পরিবেশ সবই আলোকিত,তাঁদের ছাড়া সবকিছু উপেক্ষিত।বিদ্যায় রত যারা সদা উল্লসিত,তাঁদের প্রচেষ্টায় সমাজ উদ্ভাসিত।শিক্ষিতদের কর সম্মান প্রদর্শন,তবে হবে সম্মানিত আছে নিদর্শন।জ্ঞানী গুনিদের করলে সমাদর,ক্রমান্নয়ে বেড়ে যাবে অনেক কদর।

  • কতো স্নেহ !

    আমি যে তোমাকে কতো স্নেহ করিতাইতো সুখে ও দু:খে একে অন্যকেসমানভাবে ভাগাভাগির সুযোগ ধরি। সারাটি জীবনভর রাখব সাথী করেচেষ্টায় আছি সম্পর্ক গভীর রাখতেএকত্রে থাকতে পারবো জীবন ভরে। আমাদের থাকবে ছোট্ট খেলার মাঠযেখানে বন্ধু বান্ধব তুমি আর আমিএকত্রে খেলা শেষে যাব পুকুর ঘাট। সেথা হাত পা ও মুখ ধৌত করে সবেকর মর্দন আরো বিদায়ী শুভেচ্ছাসহবাড়ির দিকেতে…

  • স্বতন্ত্র অস্তিত্ব

    বিশ শতকের প্রথম পূর্ববঙ্গও আসাম প্রদেশ সহযোগেএক নিত্য নতুন প্রদেশ হলেএ অঞ্চলে হয় যে অন্য একজাতীয়তা বোধ সৃষ্টির সংগ। ১৯০৫ সালেই ‘বঙ্গভঙ্গ’ পানও ১৯১১ সালে ‘বঙ্গভঙ্গ’ রদকরা হলে পূর্ব বঙ্গের মুসল –মানরা তাঁদের স্বতন্ত্র অস্তিত্বনিয়ে যত ভাবনায় পড়ে যান। শুরু করে ১৯৪৭ সালে তারাভারত ভাগ পর্যন্ত আঞ্চলিকএবং ধর্মীয় পরিচিতির মিশনথেকে বাঙালি মুসলমানের ওরাজনৈতিক মনস্তত্ত্ব গড়ে…

  • শিশু কাল

    শিশু কালেও ছিলো কতএখন তাদের নেই ততো।অনেকেও অন্য জেলায়আরোতো আছে হেলায়।দৌড় ঝাপও কোলাকুলিআরো চলতো গলাগলি।তাদের সাথে এসব ছিলপূর্বের এত যে কই গেল?শৈশব কৈশোর ও যৌবনতারা সকলই ছিল সুজন।একে অপরের ছিল সাথীআরোও চলত হাতাহাতি।স্কুলেরো প্রতিযোগী তারাপড়া লেখায় হতোই সেরা।ক্লাসের উপস্থিতি রীতিমতচলতো আরো কথা মতো।খেলা ধূলায় রইত জড়িতবন্ধুদের সাথে কত লড়িত।প্রতিযোগীতায় করত জয়উল্লাস আনন্দ আরো রয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *