বিদ্যার্জন

বাল্যকালে রত যেই বিদ্যার সেবায়,
চীর দিন সুখে সেই জীবন কাটায়।
অবহেলা করি বিদ্যা নাহি শিখে যেই,
মূর্খ হয়ে চীর দিন দূঃখ পায় সেই।
তাই বলে শিশুগণ বিদ্যা শিক্ষা কর,
আল্লাহ পাকের নাম নিয়ে জীবন গড়।

Similar Posts

  • জুটে অর্ধচন্দ্র

    কতো পুরানো দিনের কথাদশ বছরের একটি ছেলেস্বপ্ন ছিলো যার জাহাজেরনাবিক হয়ে দূর দূরান্তে সেআনন্দে ঘুরবেই যথাতথা ! তাকে বেশ কাছেই টানতোনীল জলোরাশি সমুদ্রেরওজন্মের পূর্বে তার বাবা আরমা দশ বছর বয়সেতে মারাগেলে চাচার কাছেই থাকত ! জুটেনি অর্ধচন্দ্র ব্যতীত যারবাবা জন্মের পূর্বেই আর মাদশ বছর বয়সে মারা গেলেতখন চাচার কাছেই আশ্রয়নিলে শতো কষ্ট ঘটলো তার !…

  • ঘুমমগ্ন কতো

    কে তুমি জুরে ডাক দিলেকত আরামের ঘুম টাকেকেনোই যেন কেড়ে নিলে? গভীর ঘুমমগ্ন থেকে উঠেআরামের বিছনা ছেড়েইদরজা খুলতে গেলে ঘটে। দেখলাম বাল্য বন্দু মোররিক্সায় বসেই আছে সেঘায়ে ছিল ওর যত জ্বর। বলি তোকে মনে কত চায়ঠিক আছে এসো ভেতরেযা প্রতীক্ষায় তোমার দায়। মোরা সামনা সামনি বসিছোট বেলার যতো আরোখেলতে করছি রেষারেষি। জিজ্ঞেস করলে সে বলেডাক্তার…

  • পুতুল খেলা

    তাইফা রাইফা দু’টি বোনখেলায় থাকত বেশীক্ষণ।ঘটি বাটি থালা বাসন যতসেগুলো নিয়ে খেলত তত।পুতুলের দিত কানে দোলকেউ নিলে হতো গন্ডগোল।পরাতো তারা সুন্দর শাড়িউভয় হাতে পরাতো চুড়ি।দু’টি বোন গলাগলি করেআনন্দের সীমা নাহি ধরে।পুতুল দু’টি দুজনের হাতেআদর সোহাগ দিত তাতে।ঘুম পাড়াতো নিয়ে কোলেস্নেহ যা করত হেলে দুলে।জন্মদিন উৎসব উদযাপনউল্লাস কত করত জ্ঞাপন।পুতুল ওদের মনে হয় সবতারা করতো অসীম…

  • কানে রিং চুল বাঁধা !

    কত আছে কানে রিং চুলও বাঁধাসরল প্রকৃতির যারাই সাদা সিধাপরিচয়ে চোখে লাগে শতো ধাঁ ধা! কানে রিং চুল বাধা মেয়ে/ পুরুষঅভিভাবকের বুঝি নেই যেন হুশঅশালীন চলা হবে তাদের দোষ! হর হামেশা চলে মেয়েরূপী ছেলেরূপ বদলে তারা ছুটে হেলে দুলেভাব অহংকারেই রাস্তা ঘাটে চলে! সন্তান নষ্ট হউক কারো কাম্য নয়সব পিতা মাতা যেন যত্নশীল হয়লক্ষ্য রাখবে…

  • কি বা আসে যায় ?

    তুমি কিন্তু নদীর ন্যায় একটি মাত্র কূলসৌন্দর্যে প্রস্ফুটিত শিউলি বকুল ফুল। সকাল বেলার রবি আর চাঁদের আলোদূর হয়ে যায় ঘোর অন্দকার ও কালো। পূর্ব আকাশের সূর্য কতোই দেয় আলোতোমার সাক্ষাৎ হলে মনে লাগে ভালো। আশাতেই বাঁধি বুক তোমার অপেক্ষায়আমায় নিয়ে ভাবলে কি বা আসে যায়। জীবন আমার ধন্য হয় বন্ধুর দেখা হলেসুখ প্রশান্তি আরো কতো…

  • দারিদ্রের জ্বালা

    দারিদ্র্য মমতা শূন্য অভিশাপ যতঅসীম কষ্টের সীমানা সংখ্যা শত।অসংখ্য মানুষকে কুরে কুরে খায়অভাবের কারণেই করে হায় হায়!সমাজ – সভ্যতাকে পিছিয়ে দেয়পশুত্বের এক পর্যায়ে পৌঁছে নেয়।কত সীমাহীন দুর্ভোগ দুর্গতি সয়দুঃখ ও কষ্টভোগে জর্জরিত রয়!দারিদ্রের কশাঘাতে কত হালাককিংকর্তব্য বিমুড় যে যত চালাক।ক্ষুধার নির্মম যাতনায় তারা পিষ্টঅভাবের অনলে জীবন্ত অনিষ্ট!ন্যায় ও অন্যায় বিস্মৃত দগ্ধ হয়েবনু আদম যত পাপ-পঙ্কিল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *