বিনোদন

বিনোদনে দর্শক বা শ্রোতার আকর্ষণ ও হয়
তাদের যা আনন্দ প্রদান করতে যোগান রয়।

কোন কাজ যে হাজার বছর ধরে হতে পারে
এমনটি হতে হবে যার আগ্রহ রেখেছে ধরে।

এতে ভিন্ন ভিন্ন কত না পছন্দ মানুষের থাকে
বেশির ভাগ স্বীকৃত আর পরিচিত রয় যাতে।

সংস্কৃতিতে গল্প বলা সঙ্গীত নাটক এবং নৃত্য
বিভিন্ন ধরনের প্রদর্শনই কলা বিদ্যমান সত্য।

আধুনিকীকরণ হয়েছে রূপ সময়ের ও সাথে
বিনোদন শিল্প গড়ার পদ্ধতি তরান্বিত যাতে।

যা গ্রহণের অভিজ্ঞতা আনন্দ লাভে জড়িত
ফলে বিনোদনের সাধারণ উদ্দেশ্যে গঠিত।

অজস্র অসংখ্য থাকে যাতে হাস্যরস ও মজা
অনুষ্ঠানাদি উৎযাপন উৎসবে মন রয় তাজা।

Similar Posts

  • এক চক্রে বাধা

    সবার জীবন যেন এক চক্রে বাধাশৈশব থেকে যৌবন আর সেখানহতে বার্ধক্য পরে সকলই নিঃশেষঅনেকের বিশ্বাস যেন সর্ব শেষেরকল্যাণে অনন্ত জীবন থাকে সদা। বার্ধক্যও জীবনের অদ্ভূত অধ্যায়শৈশব কৌশোর যৌবন পেরিয়ে এসময়টা যখন উপস্থিত হলে পরেইমানুষ কেমন যেনোও অন্য রকমস্বত্তায় পরিণত হয় যাহা বুঝা দায়। দুর্বোধ্য হতাশা অসহায় হয় মানুষআর দুর্বোধ্য হওয়ার প্রধান কারণনিজে গুটিয়ে নেয়া সারা…

  • সময় সীমিত !

    চিরন্তন নিয়মে জীবন সংগীও চলে যায়কখনো এ জগতে কেহ স্থায়ী বসবাসেরজন্য আসেনি সৃষ্টি কর্তার হুকুমে বিদায়নেওয়ার পরে আত্নীয় স্বজন সবার মনেসে লোকটির জন্য কতোই যে কষ্ট পায়! স্রষ্টার অমোঘ বাণী জন্মিলে মরতেই হবেপরিবার পরিজন আত্নীয় স্বজন যত বন্ধুবান্ধব পাড়া পড়শী সমাজ সকলের সঙ্গেচলাচলের সময় ভাল ব্যবহার আর নেকআমল আখলাক এসব কিন্তু স্মরণ রবে! সকলের যেহেতু…

  • হাসি ও কান্না

    কাঁদলে অতিরিক্ত এটিসিএইচ হরমোন বের হয়যার ফলে কর্টিসোলের পরিমাণ কমে যেতে রয়। হাসি কান্না সব আমাদের অনুভূতির প্রকাশ পায়কেবলমাত্র হাসির জন্য দু:খ বা বেদনা দূরে যায়। আনন্দে আত্নহারা হয়ে আমরা কতো যেনো হাসিসে হাসির সাথে যোগ দিয়ে অন্তর হয়ে যায় খুশী। দুঃখ বেদনা নিপিড়ন আর নির্যাতন পেলে কাঁদিএসব কিছু থেকে রেহাই মিলে সুখী হয় নিরবধি।…

  • যৌথ পরিবারের শিশু

    সামাজিক প্রেক্ষাপটেও কত,একক পরিবার বাড়ছে শত। যৌথ পরিবারে সুবিধা থাকে,একক পরিবারে যা না থাকে। যৌথ পরিবারে শিশুর সমস্যা,দূর করে দেয় সবার তপস্যা। একাকীত্বে ভোগে না শিশুরাপায় না কষ্ট শিশু কিশোররা, মানসিক স্বাস্থ্য ও ভালো হয় ,খেলা ধুলার পরিবেশ যে রয়। মিলেমিশে থাকার মানসিক,প্রতিবেশী যত যে আবাসিক।

  • শিশির ঝরা

    আজ জেগে দেখি ঘুম থেকে শিশির ঝরা ঘাষেস্বপন আমার সারা রাতের মিঠেল রোদে হাসে। করতে খেলা আমার সহিত প্রভাত হাওয়া ভাইপাপড়ী নাড়ি সরষে ফুলের ডাকছে মোরে তাই। জেগেই দেখি ঘুম হতে আজ দাদু বসে আছেনথলে হাতে পিতাজী তো বাজার করতে গেছেন। কত সাধু বেশে সংখ্যা কারবারি এতে ভয়ের কিইহা নয় যে ক্যান্সার নয় সর্দি নয়…

  • শীতার্ত সকাল

    মুখ দেখে বুঝতে পারিনি কষ্টে ভরা মনসর্বদা কতো ফুর্তি আমোদ আনন্দ আরউল্লাসে হেসে খেলেই কেটে দেয় জীবন। চলার পথেও শীতের সকালে হল দেখাতার চাহনি আরো হতাশার করুন ছাপদেখে জিজ্ঞাস্যে কয় ভাগ্যের যত লেখা! সে এক হতভাগাও অনাথ এতিম ছেলেঅনেক ছোট কালে মা হারায়ে একমাত্রপিতার মায়া মহব্বতে তার জীবন চলে! আরোও কিছু দিন পরে পিতা যায়…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *