মধ্যবিত্তের দুর্গতি

উচ্চ – নিম্নবিত্তের মাঝামাঝিদের মধ্যবিত্ত বলে
তাদের সুনির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞাও নেই মধ্যবিত্ত
শব্দ বলতে বোঝায় ধনী ও দরিদ্রের মধ্যবর্তী
অবস্থাপন্ন গৃহস্থ বিশেষ ধনী বা নিতান্ত দরিদ্র
না এমন লোকদেরকে তো মধ্যবিত্ত বলা চলে।

জীবনটা কত যে কষ্টের বুঝে ভুক্তভোগী যত
মধ্যবিত্ত ব্যতীত অনুধাবন অন্য কেউ করতে
নাই পারে অবস্থা তাদের হচ্ছে ঘরপোড়া গরুর
মতো সিঁদুরে দেখলেই মেঘ পায় ভয় বাড়লেই
দাম পণ্যের ভীতি তাদের তাড়িয়ে বেড়ায় শত।

রয়েছে চতুর্দিকে উচ্চবিত্ত মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত
আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রে এই তিনটি শ্রেণীতে
অবস্থান বিশ্লেষণ করতে পারিনা এভাবে যেন
উচ্চবিত্ত শ্রেণীর যত নাম তাদের ভবনের গায়ে
মধ্যবিত্তের নাম পুষে রাখা বুকে রয়েছে সত্য।

নিম্নবিত্ত শ্রেণীর যত পোশাকে তাদেরও নাম
মধ্যবিত্তরা সমাজ আর রাষ্ট্রের অংশও তারা
মানুষ রক্তে বর্ণের বর্তমান পরিস্থিতিতে ওরা
সাধ-আহ্লাদ কী জিনিস তা যে ভুলেও গেছে
মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ভূমিকার নেইকো বেশ দাম।

Similar Posts

  • উজ্জ্বল বর্ণ

    মানুষ অতিবাহিত করেছেই কতোকোনো জনবহুল শহরে তো যারাজীবনের অধিকাংশ সময়ে যতো। কেহই তো কিছু জানে না যে প্রায়তাদের এবং জীবনশৈলী সম্পর্কেযারা প্রান্তিক গ্রামাঞ্চলে রয়ে যায়! আধুনিক সভ্যতার প্রবাহে ভেসেভুলে গেছে অনেক সময় কতোওভুলে যাওয়ার ভান করেছে হেসে! স্বচ্ছতাই আরোও পবিত্রতায় পূর্ণসাধারণ আর সুন্দর জীবন দর্শনগ্রাম্য জীবন টা কতো উজ্জ্বল বর্ণ! কোনোও বিষয়ে চিন্তা করে যখনদেখে…

  • অতিশয় প্রাচীন যেন বঙ্গ ভূমি।রামায়ণ-মহাভারতের আখ্যানেএর উল্লেখ আছে বাংলার জমি অনেক বছরের পরিক্রমায় যাএকপর্যায়ে এই জনপদের নামহয়েছে যে বাংলাদেশ নামে তা। অধিবাসী মোরা সকল বাঙালিআধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার যত স্ফুরণইংরেজ আমলে ঘটে বাঙালির। ঐ সময় রাজ নৈতিক দল হয়তৈরি সীমিত আকারে চালু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়া রয়। শুরু হয় ইংরেজ বিরোধী লড়াইসর্ব ভারতীয় জাতীয়তা বাদেরশুরুর সময় হয় যে…

  • কোরান হাদিস

    ধরনীতে আমরা যতই মানব জাতিআল্লাহ পাক আর রাসুলুল্লাহ (সাঃ)এর প্রদর্শিত পথে চলতে সকলেরছহীহ ও শুদ্ধ রাখতে হবে মতিগতি। তাঁদের বিধি বিধান কল্যাণের তরেকোরান হাদিসে বর্নিত হয়েছে যতমানুষের জীবন চলার পথে সমস্তকিছু পালনেই সুখে জীবন যা ভরে। আমাদের চাল চলন কি রকম হবেএসব বিষদ ভাবে কোরান হাদিসেবর্ণিত হয়েছে যেন ইহ ও পরকালেমুক্তির সঠিক পথ সবে বেছে…

  • শীতের ডাক

    ষড় ঋতুরই স্বদেশমোদের বাংলাদেশ।গরমের শেষ হাঁকঠান্ডার প্রথম ডাক।হেমন্তের শেষ যাত্রাশীতের কঠিন মাত্রা।ঠান্ডার সময় আসেপৌষ ও মাঘ মাসে।আরম্ভে কতই শীতশিশুরা ও গায় গীত।সময় যত বয়ে যায়গরম কাপড় লাগায়।শিশু কিশোর যুবকযতই তাদের দোসর।প্রকোপতা বাড়ে যতলেপ বস্ত্র লাগে তত।বয়ষ্কদের কতই কষ্টপরে হয় জীবন নষ্ট।হাত পা ঠান্ডায় ধরেতীব্র শীতে কত মরে।

  • সহিষ্ণু

    এ জগতে যারা আছে দুর্বল,নির্যাতন তাদের করছে সবল।দুর্বৃত্ত অসাধু সব দাপটে চলে, কথা বার্তা কত জোরে সুরে বলে।পথ প্রান্তর নদীর ঘাটে,নিপীড়িত নিরীহরা খেলার মাঠে।দোকান পাঠ বাজার হাট,সুযোগ পেলেই করে লোপাট।নীরবে নিভৃতে সহ্য করে,প্রতিবাদ না করে ধৈর্য ধরে।অত্যাচারের সহিষ্ণু যাঁরা ,আল্লাহকে সাথী পায় তাঁরা ।ভেংগে গেলে কষ্ট সহিষ্ণুতার বাদ,খোদাতায়ালার কাছে করে ফরিয়াদ।অভিশাপ তাঁদের প্রতি করেছে জুলুম,মকবুল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *