মরীচিকা

অবুঝ এই পৃথিবীতে মানুষ কত অসহায়
ঘুরছে অচেনা মোহে মরীচিকাকে কেন্দ্র
করে আলোর অন্ধকারে যে পাবে সহায়!

লুকিয়ে আছে সেই অচেনা এক হাতছানি
যার জন্য আজ পাগল পারা তারা বড়ই
অবুঝ স্বপ্নকে কেন্দ্র করে যা সকলে মানি!

চলছে স্বপ্নের রাজত্ব মুহুর্তেই ছুটে যাওয়া
ঘোড়ার লাগামের মত ভাবছি ভাবনাতেই
সাড়া মিলছে সেই হাতছানি খুঁজে পাওয়া!

নির্বোধ সকল আসলে তা একেবারে নয়
সূর্যকে হাতে পেয়েও খুঁজতে হচ্ছে অন্ধ
কারের রাজত্বকে চোখে যে দৃশ্যমান রয়!

সে আর কি হবে যাই হোক তবুও কার ভয়
ঐ দুর দিগন্তে যা হাতছানি দেখা যায় যদি
মরীচিকা হয় কারন ধরায় কেউ কারো নয়!

Similar Posts

  • ধান্ধায় পড়ে

    সাংবাদিক সিটি রাউন্ডআপ করতে যানপুরো শহরের কতো রকমের তথ্যই পান।প্রচার মাধ্যমে বিচিত্র কলামে খবর দেনপ্রয়োজনের তাগিদে জনগন কিনে নেন।বিভিন্ন ভাবে কত জন শত জর্জরিত হনদোষে বা খপ্পরে কত ভাগ্যের বোঝা বন।অনেকে শাস্তিযোগ্য অপরাধেই কষ্ট সয়আবার কতেক নির্দোষ হয়েও শাস্তি হয়।একদিন বনানীর ডেটকো অফিসে ভিড়শত শত তরুণের দল ছিল যেথা নিভিড়।সেথায় কত যে ছিল হইচই ও…

  • ক্ষমাশীল

    দয়াময় খোদা অসীম,আনন্দ উল্লাসেবিপদে আপদেসহায় সীমাহীন। আল্লাহ কতই প্রেমময়,অনুরাগ অফুরন্তস্নেহের ভান্ডারকতই যে দয়াময়। মোরা হয়ে ধৈর্যশীল,প্রার্থনায় থাকলেপরিত্রাণ পাবোতিনিই যে ক্ষমাশীল সৃষ্টিকর্তা তিনি মহান,এ ধরায় যত কিছুআছে বিরাজমানতাঁর তৈরি সারা জাহান।

  • সৃষ্টি কর্তার বাণী

    সিজদার মাধ্যমে বা দাঁড়িয়েই ইবাদত করেযে ব্যক্তি রাত্রি কালে পরকালের ভীতিশঙ্কারাখে এবং তার পালনকর্তার রহমত কামনাকরে সে কি তারই সমান যে এরূপ করে নাবলুন যারা জানে এবং যারা জানে না তারাকি সমান হতে পারে চিন্তা ও ভাবনা কেবলতারা করে যারা বুদ্ধিমান আছে জগৎ ভরে ! মানুষ জন্তু চতুষ্পদ প্রাণীর বহু বর্ণ রয়েছেআল্লাহর বান্দাদের মাঝে প্রকৃত…

  • বর যাত্রী

    বিয়ে বাড়িতে কত আনন্দশিশু কিশোর যত মহানন্দ।অতিথি নামে গাড়ি থেকেধীরে চলে ফাঁকে ফোঁকে।গেইটে লোকের অবস্থানদাড়াবারও থাকে না স্থান।কনে দলের যুবক কিশোরবর পক্ষ হতে নিবে উসুল।বায়না ওদের গেইটের দাবীপরিশোধে ত ভিতরে যাবি।যখন হয়ে যায় গেইট পাসসকলে ফেলে খুশির শ্বাস।গেইটের ভিতর সব আসেএকে অন্যের সাথে মিশে।সালাম ও কুশল বিনিময়গল্প গুজব কত কিছু হয়।দোয়া দুরুদ ও আল্লার নামবিয়ে…

  • জীবন্মৃত !

    চতুর্দিকে অথৈ জলদৈনন্দিন যতো নিত্যপ্রয়োজনীয় যা ছিলভেসেই গেলো গভীরপানিতে করে টলমল। কতো তলিয়েও যায়ভারী জিনিসপত্র সবচোখের নিমিষে ডুবেগেলে শেষে মানুষেরমনে যা অশান্তি পায়! পানির যা স্রোত ছিলশক্তিশালী স্রোতেরইটানে কতো কোলেরশিশু আর বয়ষ্কদেরজলে ভাসিয়ে নিলো! সকল তলিয়ে গেছেঅনেকের পরিবারেহয়তোবা দু’একজনব্যতীত অন্যান্য যতজলে ভাসিয়ে নিছে! জীবন্মৃত কত লোকসব হারায়ে যে বেঁচেআছে চোখে ও মুখেকেবল হতাশার চিহ্নঅন্তরে অসংখ্য…

  • একমাত্র ছেলে !

    দরিদ্র গরীবের দু:খের নেইতো কোন শেষঅভাব অনটন দুর্ভোগ থাকে তাদের বেশ। জন্ম গরিবের কুলে আজ তাহা মনে পড়েছোটবেলা বাস কর তো একটি কুঁড়েঘরে। জন্ম যাদের একসঙ্গে আমাদের বাংলায়আনন্দে খেলে ও একত্রে বিদ্যালয়ে যায়। অর্ধাহারে দিন কাটে রোগেতে ঔষধ নায়অন্তরের দুর্বলতায় একা থাকা ভাল পায়। ছেলে সন্তান মা বাবার একমাত্র সে ছিলবাঁচবার প্রয়োজনে প্রথম চাকরিতে গেল।…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *