দুঃখী ছেলে

একদা একটি ছেলে কেঁদেছিল বসে
সে ছিল তখন একটি ওয়ালে ঘেঁষে!
সাথীর ঝামেলায় তাকে পায়নি দুষে
অপরাধ তার আসেনিত অংক কষে!
লুকানো কষ্টে সে ফুপিয়ে কেঁদে উঠে
অসহায় অভাগাদের দুর্গতি যত ঘটে!
কহিলাম কি হয়েছে রে ছেলে তোর ?
গায়ে হাত দিয়ে দেখি তার প্রচন্ড জ্বর!
খাতা আছে কলম নেই বলে সে কাঁদে
আমার কথায় তার কান্নার বাদ সাধে!
আমি শুধালাম বলারতো দরকার নাই
বন্ধুদের কাছে সংগ্রহ করে যতই পাই।
গণে দেখি অনেক টাকা যোগাড় করি
সকল টাকায় তার দু’হাত ও যায় ভরি!
টাকা কড়ি পেয়ে ছেলে যতই যে খুশি
দুঃখী মা বাবা আনন্দিত হবে যা বেশী!
অনেক টাকা নিয়ে যায় সে যখন বাড়ি
অপেক্ষমান সব তখন এসে তড়িঘড়ি।
বাজার সদাই নিয়েই তার বাবা আসে
ভাই বোন বাকী সব ছিল তখন পাশে!
মা ও বাবাকে সে কলমের কথা বলে
ভালো একটি নিয়েই আসি কহি চলে।
কলম এনে ছেলেটি লেখা পড়ায় যায়
মনে তার প্রচুর শান্তি কতই যেন পায়!

Similar Posts

  • স্কুল ছুটি হলেআনন্দে তাইফাশিশুদের দলে। দৌড়ে সে চলেসকলের সাথেকাছে এসে বলে। দাদা চলুন যাইরাইফার জন্যকিছু নিতে চাই। শপে গেল যবেসুইট সেন্ডুইচ ওবীফ কিনল তবে। গাড়ীতে সে চড়লযাত্রা শুরু করলবাড়ি এসে নামল। বোনকে সে কয়তোর জন্য আছেকত বেগে যা রয়।

  • শুর ধরে !

    অনেক দিন পরে যাত্রা করিকয়েক বন্ধু মিলেই পথ ধরি। ভাড়ায় নেই এক সুন্দর তরিযত কিছু ছিল নৌকায় ভরি। যাত্রার শুরুতে বৃষ্টি হয় জারিবৃষ্টির ফলে বাড়তে রয় বারি! আল্লার নাম কেউ জপ করেকেউ তাসবিহ পড়ে শুর ধরে! অবশেষে আমরা পৌঁছি ঘাটেতাড়া ছিল সবার যাবো মাঠে! খেলার মাঠে মোরা সবাই যাইসেথা গিয়ে অনেক শান্তি পাই! ফুটবল খেলাতে…

  • পরকালে মুক্তি !

    দিন ও রজনী একাধারেকাজ কর্মের ফাঁক দেখেনিয়ম আরো সময় মতোস্রষ্টাকে ডাক বারেবারে। আল্লাহ ছাড়া উপায় নাইতাঁর দয়াতে খাবার খাইসুন্দরভাবে জীবন চালাইউভয় জাহানে শান্তি পাই। খোদা তায়ালা মেহেরবানতিনি অসীম অনুগ্রহ করেমোদের নাযাত করেন দানসকলে গাই তাঁর গুনগান। আমরা সবাই সৃষ্টির সেরাউপাসনায় সময় নিষ্ঠ যারাইবাদত বন্দেগীতে ইহ আরপরকালে মুক্তি পাবে তারা!

  • মহাবিশ্ব

    মহাবিশ্বলয়ে যত রয়েছে সজীবসৃষ্টি লগ্ন থেকে নির্ভরশীল আছেআল্লাহ তায়ালার অসীম কৃপারউপর খাবার দাবার করে যাচ্ছেএর জন্য হবেনা কখনো নির্জীব। সকল তাঁর করুণার ফলে সক্রিয়অফুরন্ত দয়ার ভান্ডার খোদাপাকআবহমান কাল থেকে জীবনভরঅনবরত সরবরাহ রেখেছেন যতসৎপথে চললে হবেনাকো নিস্ক্রিয়। সৃষ্টি কর্তার করুনা ও দয়া অসীমআশরাফুল মাখলুকাত কত মানুষআরো ধরায় জলেস্থলে সর্বত্র খাদ্যসবার আছে কত অজস্র অগনিতযা কোন দিন…

  • শীতের সকাল

    হেমন্তের আমেজ হতে না হতেই শেষশীতের সকাল হাজির শীত নিয়ে বেশ!কুয়াশায় ঢেকে যায় নির্জন বন ও মাঠনদীর কূল আর খাল বিল পুকুর ঘাট!উত্তর দিগন্তে বরফ চূড়ার হিম নিঃশ্বাসপ্রকৃতি জড়ো হয়েই ফেলে শীতল শ্বাস!শীতের দীর্ঘ রাতেই কুয়াশা বরণ গায়েসুবহে সাদিক ও আযানের ধ্বনি লয়ে।গাছে গাছে সকালে পাখিদের মুখরিতঘুম ভাঙে কলো-কাকলিতে ও সুস্মিত।সত্যিই সকাল অনেক বৈচিত্র্য শীতেরখড়…

  • সৌন্দর্যে মুগ্ধ !

    যে লোক নিজেকে একান্তে জানেতপস্যা সাধনাতেই রয় মনে প্রাণেসে আল্লাহ তায়ালাকে বেশী মানে! পৃথিবীর যা দৃশ্য চেয়ে চেয়ে দেখিমনোলোভা মনোরম মনেতে রাখিস্রষ্টার সৃষ্টির সৌন্দর্যে মুগ্ধই থাকি! কষ্টার্জিত যা কিছু সাধন সিদ্ধ হয়কষ্ট বিনা যে প্রাপ্তি গুরুত্বপূর্ণ নয়অবহেলা অনাদরে তা পড়েও রয়! যতো লোক জেনে নেয় আত্মতত্বচলাচলের রাস্তাও ন্যায় আর সত্যসকল কিছুতে থাকে তার ব্যক্তিত্ব! সত্যবাদী…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *