মূসা(আ:)

 আল্লাহকে দেখতে যখন 

 ইচ্ছা করলেন  মূসা (আ:) 

 উত্তরে বলেন খোদা তখন।

  সামনে তুমি এগিয়ে যাও

ফেরাও দৃষ্টি পর্বতের দিকে  

দেখতে ই তাকে যদি পাও।

 স্থিতিশীল আছে অবস্থানে

 ধৈর্যশীল থেকে মনে প্রাণে 

অটল থেকো তোমার স্থানে।

তবে আমাকে দেখতে পাবে

মনে প্রাণে অন্তরে তৃপ্তি ভরে 

সাক্ষাতের ভাসনা দূরে যাবে।

যখন আল্লাহ এসে দেখা দেন 

পর্বতের ওপর তাকিয়ে তখন

মূসা(আ:) জ্ঞানই হারিয়ে নেন। 

মূসা কালিমুল্লাহ হলেন বেহুশ 

প্রশংসা তওবা ঈমানের সাক্ষ্য 

দেন যখনই ফিরে আসে হুশ।

Similar Posts

  • স্বর্গের সাজ।

    অসত্যের ধনই কষ্টের মূল হয়ে দাঁড়ায়অস্থানে অসামাজিক কতোই আন্যায়েআরো অবিচারে এগিয়ে এসে অসংখ্যখরচ করে শান্তিকে ই সে দূরে তাড়ায়! জগতে সব চেয়ে বেশী ধন ঐশ্বর্য যারঅধিক ক্ষেত্রেই কত ক্ষমতা থাকে তারপ্রতিটি শাস্তিই সম্পূর্ণরূপে ন্যায়বিচারআল্লাহর কাছে পাবো সকলে সুবিচার! বিপদে পড়লেও সৎ লোক আবার উঠেঅসৎ পড়লে একেবারে তার ধ্বংস ঘটেযারা পৃথিবীতে করে যায় খোদার কাজআখেরাতেই পরিধান…

  • আত্মঘাতী !

    মানুষের জন্যে জঘন্য অপরাধ কতোশত্রুতা পোষণ ক্ষতিসাধনের চেষ্টা ওসুযোগ পেলে কারো ক্ষতি করে যতো ! শত্রুতা পোষণ করাও আত্মঘাতী হয়বিশেষ করে তো ঈমানদারদের সঙ্গেতা করলে যত ক্ষতিগ্রস্তের মধ্যে রয়! আল্লাহ রহমত হতেই বঞ্চিত করে দেনকোনো নেক লোকের বিরুদ্ধে কখনোকেউ অন্যায় করলে শান্তি কেড়ে নেন! হাদিস শরিফেতে ইহার সতর্ক বানী রয়ঈমানদারকে গালি দেওয়ার ব্যাপারেওসাধারণত: কত হালকাভাবে…

  • অপার দৃষ্টান্ত

    স্বাভাবিক মানুষ কথা বলে যায়এতে কারা কি বললো বা মন্তব্যকরলো তার তোয়াক্কা করে নাই। কোন ভালো মানুষ ব্যাখ্যা করেতাঁর বিস্তারিত আলোচনা থেকেযেন অন্যরা উপকৃত হতে পারে। উর্ধ্বতন কেহ কাজ করে দেখায়বাস্তবতার মাধ্যমে কর্মজীবনে যাপ্রয়োগ করার কত রাস্তা শিখায়। সেরা কত মানুষ পৃথিবীতে আছেতাঁরা অন্যদের প্রেরণা দিয়ে ভালকর্মের অপার দৃষ্টান্ত রেখে গেছে।

  • জুটে অর্ধচন্দ্র

    কতো পুরানো দিনের কথাদশ বছরের একটি ছেলেস্বপ্ন ছিলো যার জাহাজেরনাবিক হয়ে দূর দূরান্তে সেআনন্দে ঘুরবেই যথাতথা ! তাকে বেশ কাছেই টানতোনীল জলোরাশি সমুদ্রেরওজন্মের পূর্বে তার বাবা আরমা দশ বছর বয়সেতে মারাগেলে চাচার কাছেই থাকত ! জুটেনি অর্ধচন্দ্র ব্যতীত যারবাবা জন্মের পূর্বেই আর মাদশ বছর বয়সে মারা গেলেতখন চাচার কাছেই আশ্রয়নিলে শতো কষ্ট ঘটলো তার !…

  • শিশু কিশোর

    শুন হে শিশু ও কিশোর সবেতোমাদের ঘুম শেষ হয় যবে।দোয়া দুরুদ পড়ে জেগে যাওতবে বিছানা ত্যাগ করে নাও।ব্রাশ আরো পেষ্ট হাতে ধরোকুলি শেষে মুখ ধৌত করো।নাস্তার টেবিলে রওয়ানা হওসবে মিলে খোদার নাম লও।আল্লাহর নামে বরকত পাবেউদর পুর্তি হবে সঠিক তবে।এসব শেষ করে পড়তে এসসকলের সীটে ঠিক মত বস।পড়াশোনায় মনোযোগ দাওখাতা আর কলম হাতে নাও।সবে পড়া…

  • দুর্গম যাত্রা

    ঘুম থেকে উঠে সকলে বলেবেলা যাচ্ছে কত শীঘ্র চলে।সকলের তাড়াহুড়া যে ঘটেআল্লাহরও মেহেরবানি বটে।ছেলের বউ আরোও ছেলেনাতনি ছিল আমার কোলে।খোদা চাহেত লন্ডনে যাবেসেথায় আরো স্বজন পাবে।আমরা পরিবারে যত যারাআত্নীয় স্বজনসহ সব মোরা।উপস্থিত সকল আমরা যততাড়াতাড়ি প্রস্তুতি নেই তত।কেহই তো নাস্তা করতে যায়সামনে তার যত আছে পায়।চমৎকার জামা কাপড় পরেশিশুরা যত হাতে হাতে ধরে।নাস্তা খাওয়া যেই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *