বয়স্কদের মূল্যায়ন

কেউ বলে না বয়স্কদের কথা
সবাই কেবল শিশুদের আরো
যুবকদের কথা বলে যথাতথা।

গণমাধ্যমে নেই বললেই চলে
বার্ধক্য বিষয়টি যা প্রবীণদের
পক্ষ থেকে এ আভাস মিলে।

এক্ষেত্রেতো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
সবে করে যে যুগান্তর তাদের
এই অভিযাত্রায় দেয় আভাস।

সংবাদ ও ফিচার তুলে ধরেছে
কয়েক বারই বার্ধক্যের বিষয়ে
ফলে এস্থানে আসতে পেরেছে।

যৌবনা পৃথিবী ঝিমিয়েই যাচ্ছে
ক্রমেই যেন তাই এখন থেকে ই
প্রবীণবান্ধব সমাজ গঠন হচ্ছে।

পৃথিবীতে যতো নতুন কিছু আছে
নতুনত্ব ক্ষনিকের জন্যে ফলে সব
নবীন ক্রমান্বয়ে প্রবীণ হয়ে গেছে।

Similar Posts

  • পরের তরে

    আমরা সকল যত পরের তরেজন কল্যাণে কাজ করে গেলেআত্নতৃপ্তিতে যাবে জীবন ভরে। মন মানষিক যাদের হয় ভালোসর্বদা কাজ করে অন্যের জন্যেজীবনেও জ্বলায় তাঁরা আলো। ইহাতে খোদার রহমত অসীমআমল আখলাক ভালো হলেসুখ শান্তিতে থাকে সীমাহীন। আমরা সকল যে মানব জাতিএকে অন্যের মংগল কামনায়সুখ শান্তি ও দুঃখের হব সাথী। আল্লাহ পাক মহান দয়াময় যিনিতাঁর সৃষ্ট পৃথিবীতে আছে…

  • বসন্তের হৃদস্পন্দন

    প্রাণের দুরন্ত আবেগই শুধু নয়প্রেমে ও দ্রোহে-প্রতিবাদে আরউত্তাল বসন্তের হৃদস্পন্দন হয়। সৌন্দর্যময় প্রকৃতির রূপতরঙ্গমোহনীয় কত মায়াবীরুপ যারছড়িয়ে ছিটিয়ে রয় পুরো বঙ্গ। কুঞ্জবন অরণ্যে যৌবনের বানগাছে গাছে ডাল থেকে ডালেউড়ে পাখি গায় সুরেলা গান। পতংগের আনাগোনা সব স্থানেসুর লহরি কল কাকলি মৃদুমন্দবাতাস আরো বয়ে কতই আনে। চতুর্দিকে কোকিলের কলতানেকুহু কুহু রবে মুখরিত সর্বস্থানেভোগ করা যায় বসে…

  • নির্মল

    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত লকডাউন আছেনির্মল এবং আরো কয়েকজন ডাক্তার ঝুঁকিনিয়ে হাসপাতালে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তাঁরাঅসংখ্য রোগী ও সেবা নিচ্ছে তাঁদের কাছে। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে দুশ্চিন্তায় নির্মলএমন আর কখনও জীবনে অনুভব করেনিফিরবেনা বাসায় মা – বাবা স্ত্রী ছেলে মেয়েসেথায় আরো আছে তাঁর ছোট ভাই বিমল। নির্মল ভাবতে লাগল যদি কিছু হয়ে যায়তাঁর জন্য ওদের, একাই মরতে হয়…

  • শুধু চাই

    ছোট ও বড় সবার দাবী শুধু চাইযার বেশী তার আরো যেন পাই।নিম্ন মধ্য আরোও উচ্চ বিত্ত যারাশত ধান্ধা থাকে বেশ পাবে তারা।লোভের জন্য কোনো শান্তি নেইভাগ্যে ও তাদের থাকে যেই সেই।পরিশ্রমী যত উপার্জন করে নেয়যারা অলস ভাগ্যকে দোষ দেয়।সত্যনিষ্ঠদের সময়ই সুখের যায়ভাল পরিধান করেও সুষম খায়।খোদা ভক্ত যাঁরা শান্তি পায় বেশখাদ্য পোশাকেরই নেইকো শেষ।আল্লাহ ও…

  • কতো স্নেহ !

    আমি যে তোমাকে কতো স্নেহ করিতাইতো সুখে ও দু:খে একে অন্যকেসমানভাবে ভাগাভাগির সুযোগ ধরি। সারাটি জীবনভর রাখব সাথী করেচেষ্টায় আছি সম্পর্ক গভীর রাখতেএকত্রে থাকতে পারবো জীবন ভরে। আমাদের থাকবে ছোট্ট খেলার মাঠযেখানে বন্ধু বান্ধব তুমি আর আমিএকত্রে খেলা শেষে যাব পুকুর ঘাট। সেথা হাত পা ও মুখ ধৌত করে সবেকর মর্দন আরো বিদায়ী শুভেচ্ছাসহবাড়ির দিকেতে…

  • অফুরন্ত দয়া পাই !

    মোর প্রিয় ছোট দু’টি নাতনী যারাসকাল দুপুর সন্ধ্যায় রাতের বেলাখেলা ধুলাতে রতো থাকতো তারা। জেগে উঠার পরেই দাঁত ব্রাশ করেডাইনিং রুমটিতেও উপস্থিত হয়েইহাসি খুশি করে চেয়ারে বসত পরে। আনন্দ ফুর্তিতেও তারা মগ্ন থেকেযৎ সামান্যই নাস্তা ও পানীয় সেরেকথা বার্তাতেই কখনো যেত বেঁকে। পক্ষে বিপক্ষে তারা করতো নালিশতাদেরকে সামলাতে সোহাগের ছলেকিছুক্ষণ ওদের জন্য চলত সালিশ !…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *